SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাজম%' OR titleBn LIKE '%মাজম%' OR descriptionEn LIKE '%মাজম%' OR descriptionBn LIKE '%মাজম%' OR slug LIKE '%মাজম%' OR metaTag LIKE '%মাজম%' OR metaDescription LIKE '%মাজম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নবগঠিত কমিটিতে ১১ জন ভাইস প্রেসিডেন্ট, ১১ জন ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেলসহ বিভিন্ন পদে অফিস বিয়ারার হিসেবে মোট ৩১ জন নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্টরা হলেন- ঢাকা ক্যাপিটাল সিটির সৈয়দ আবদুন নূর, কমার্শিয়াল ক্যাপিটাল সিটির (চট্টগ্রাম) আলহাজ মুসা, ঢাকা বিভাগের শামসুর রহমান খান, চট্টগ্রাম বিভাগের মোস্তফা কামাল মনসুর, খুলনা বিভাগের অ্যাডভোকেট খান মনিরুজ্জামান, রাজশাহী বিভাগের মো. মুনতাসির মামুন, বরিশাল বিভাগের এস এম এনায়েত করিম, সিলেট বিভাগের আবুল ফজল, কুমিল্লা বিভাগের হোসেইন আহমেদ শাহজাহান, ময়মনসিংহ বিভাগের ঠবাকি অংশ পড়ুন...
قُلْ إِنْ كَانَ لِلرَّحْمَنِ وَلَدٌ فَأَنَا أَوَّلُ الْعَابِدِينَ
‘(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো আল-আওলাদ থাকতেন, তাহলে আমি সর্বপ্রথম উনাদের ইবাদতকারী হতাম।’ (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা যুখরুখ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৮১)
যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যাঁরা আল-আওলাদ রয়েছেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা রয়েছেন, উনাদ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক হচ্ছে, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সকল আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণ ভাবে মেনে চলবেন, মনগড়া আমল করবেন না। বরং মহাসম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার অনুসরণ করবেন। এটাই প্রকৃত মুসলমানের পরিচয়।
একজন মুসলমানের মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত, এক কথায় ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত সমস্যাই উদ্ভব হোক না কেন, সকল বিষয়েরই ফায়সালা বা সমাধান সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে র বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য:
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য হল ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করে পরিপূর্ণরূপে পবিত্রতা হাছিল করা। যা বের হয়ে কাপড়ে ও শরীরে লাগার কোনই আশঙ্কা নেই।
যেমন “মাওসূআতে আহকামুত্ ত্বাহারাত” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وَالْاِسْتِبْرَاءُ اِسْتِنْقَاءُ الذِّكْرِ عَنِ الْبَوْلِ
অর্থাৎ ইসতিবরা শব্দের আভিধানিকঅর্থ হলো ছোট ইস্্তিন্জা করার পর (প্রস্রাব করার পর) ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) কোশেশ করে বের করে à বাকি অংশ পড়ুন...
২) দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বপ্রকার ফিতনা (আযাব-গযব থেকে) ও পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالـٰى قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ لَا تَمَسُّهُمْ فِتْنَةُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ: الْمُقِرُّ بِالْقَدَرِ، وَالَّذِي لَا يَنْظُرُ فِي النُّجُومِ، وَالْمُتَمَسِّكُ بِسُنَّتِي.
অর্থ : হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন প্রকার ব্যক্তি ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসমে জাত বা নাম মুবারক উনাকে সম্মান করার গুরুত্ব ও ফযীলত:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَمَنْ كَانَ لَه اِبْنٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا فَـلْيُكْرِمْهُ وَلَا يَضْرِبْهُ اَمَّا يَسْتَحْى اَحَدُكُمْ اَنْ يَّـقُوْلَ يَا مُحَمَّدُ ثُـمَّ يَضْرِبُه (نَجَا)
অর্থ: কোনো ব্যক্তির একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলো। সে তার নাম রাখলো মুহম্মদ। তাহলে তার দায়িত্ব হচ্ছে, ঐ সন্তানকে সম্মান করা, প্রহার না করা। জেনে রাখুন! কোনো ব্যক্তি যদি ঐ সন্তানকে ইয়া মুহম্মদ বলে সম্বোধন করতে এবং তাকে প্রহার করতে লজ্জা বোধ করে তাহলে সে অবশ্যই নাজাত লাভ করবে। সুবহানাà বাকি অংশ পড়ুন...












