SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মক্তব%' OR titleBn LIKE '%মক্তব%' OR descriptionEn LIKE '%মক্তব%' OR descriptionBn LIKE '%মক্তব%' OR slug LIKE '%মক্তব%' OR metaTag LIKE '%মক্তব%' OR metaDescription LIKE '%মক্তব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদ গ্রন্থাগার
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনাকাল থেকেই মসজিদগুলো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে। ইবাদতের জন্য একটি পবিত্র স্থান ছাড়াও মসজিদে প্রাথমিক পাঠ্যক্রম শেখানো হতো আজকের বিদ্যালয়ের মতোই।
পরবর্তীতে এবং ধীরে ধীরে, উন্নত অধ্যয়ন আর মসজিদে সীমাবদ্ধ ছিল না। বাগদাদ, দামেস্ক, কায়রো, কর্ডোভার মতো বড় বড় শহরগুলিতে মক্তব (স্কুল), মাদরাসা (কলেজ) জামিয়া মাদরাসা (বিশ্ববিদ্যালয়) এবং বড় লাইব্রেরিগুলি গড়ে উঠতে শুরু করে, যা মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যকলাপকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালà বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আশ্চর্য শব্দটার কাছেও আশ্চর্য,
দুঃখ শব্দটার জন্যও - দুঃখবোধ,
আক্ষেপ শব্দটার জন্যও - আক্ষেপের কথা হলেও
এটাই সত্যি যে, অনেক মুসলমান আমাদের নবী ও রসূল, আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিলাদত শরীফ:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, দলিলুল আরেফিন, মাখজানে মারিফাত, সিরাজুল উম্মত, আসাদুল্লাহ্, ছাহিবুল আসরার, সাইয়্যিদুল আবেদীন, মুহইউস সুন্নাহ্, দাফিউল বিদয়াত, মুজাহিদে মিল্লাত, খলীফাতুল্লাহ্ ফিল আরদ, আমিরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১২০১ হিজরী সনের পবিত্র ৬ই ছফর শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ ভারতের উত্তর প্রদেশের “রায় বেরেলী” শহরের বিখ্যাত সম্ভ্রান্ত সাইয়্যিদ পরিবারে পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন।
নসবনামা মুবারক:
উনার নসবনামা মুবারক সম্পর্কে “মাখজানে আহমদীâ বাকি অংশ পড়ুন...
যেভাবে মুসলিম শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে কথিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছিলো:
১৮৩৭ সালে বর্বর বৃটিশ বেনিয়ারা অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ফার্সির স্থলে ইংরেজি চালু করে। অথচ বেনিয়া বৃটিশরা ক্ষমতা দখলের পরেও ৮০ বছর ফার্সী ভাষা দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে চালু ছিলো। এর ফলাফল হলো এই, লক্ষ লক্ষ মুসলিম যারা সরকারী বিভিন্ন পজিশনে চাকুরী করতেন তারা বেকার হয়ে গেলেন, তাদের জীবনে নেমে এলো ঘোর অন্ধকার। ফার্সি ভাষা শেখার ব্যাপারেও আর আগ্রহ থাকলো না। ফলে ফার্সিতে রচিত বিপুল সংখ্যক সাহিত্য ভান্ডার থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো পরবর্তী প্রজন্মের মুসলঠবাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আবহমানকাল থেকে আমাদের গ্রাম-বাংলার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে আভিজাত্যের প্রতীক ছিল বাড়ির বাহির আঙিনার কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিল গ্রাম-বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। আমাদের গ্রামীণ জনপদের অবস্থা সম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারিঘর। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর এখন আর গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না বললেই চলে।
মূল বাড়ির একটু বাইরে আলাদা খোলামেলা ঘরই হচ্ছে কাচারি ঘর; সাধারণত বাড়ির সামনের দিকটায় থাকতো। কিছু কিছু কাচারি ঘর বাড়ির প্রবেশমুখে পুকুর পাড়ে, ঘাটের পাশেও দেখা যেত। এতে বা বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বীন ইসলাম উনার প্রাথমিক সময়ে বিশেষ কার্যক্রম:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনকে অত্যাধিক গুরুত্ব মুবারক দিতেন। আদেশ এবং নির্দেশনা মুবারক প্রদান করতেন। উম্মুল মু’মিনীন হযরত আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত জিন্দেগী মুবারকে সবাইকে ইলম অর্জনের জন্য তাগিদ মুবারক দিয়ে গেছেন। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ মুবারক ছিলেন ইলম উনার খনি মুবারক।
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার অত্যন্ত নিরিবিলি স্থানে অবস্থিত হযরত আরকাম রদ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা à বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম সমৃদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ছিলেন পবিত্র মসজিদে নববী শরীফকেন্দ্রিক ‘আস সুফফা’। যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশনা মুবারকেই তৈরি করা হয়েছিলো। এই শিক্ষাকেন্দ্র উনাকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিলো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা।
হিজরী চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত শিক্ষার কার্যক্রম সম্মানিত মসজিদ উনাকে কেন্দ্র করেই সম্পাদিত হয়ে আসছিলো। সে যুগে এমন কোনো মসজিদ পাওয়া কঠিন ছিলো, যাকে কেন্দ্র করে কোনো মাদরাসা বা মক্তব গড়ে উঠেনি।
পরবর্তীতে মসজিদ উনার পাশাপাশি স্বতন্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
গণভোটের বিষয়ে মানুষের মধ্যে প্রচারণা চালাতে এবং উদ্বুদ্ধ করতে সারা দেশের মসজিদের ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই ইস্যুতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব বলেন, মিটিংয়ে বলা হয় ধর্ম মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ৫০০ জন আলেমের সঙ্গে তারা এক ধরনের ঘরোয়া বৈঠক করেছেন। তাদের এই গণভোঠবাকি অংশ পড়ুন...












