SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR titleBn LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR descriptionEn LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR descriptionBn LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR slug LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR metaTag LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%' OR metaDescription LIKE '%ব্যাকটেরিয়া%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রকৃতিতে একই অণুর দুটি দর্পণ-প্রতিবিম্ব রূপ থাকতে পারে। দেখতে প্রায় একই হলেও একটিকে আরেকটির ওপর পুরোপুরি মেলানো যায় না। রসায়নে এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় কাইরালিটি। আর জীবনের মৌলিক অণুগুলোর মধ্যে প্রায় সবসময় একটি নির্দিষ্ট রূপ ব্যবহারের ঘটনাকে বলা হয় হোমোকাইরালিটি।
কেন জীবনের ক্ষেত্রে অণুর একটি ‘হাত’ বেছে নেওয়া হয়েছে বহু বছর ধরে বিজ্ঞানীদের কাছে এটি ছিলো বড় এক রহস্য। এবার সেই রহস্যের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের সমাধান দিয়েছে দুইজন জাপানি বিজ্ঞানী।
তাদের গবেষণায় দেখানো হয়েছে, রাসায়নিক বিক্রিয়াকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, à বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে যতগুলো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তার মধ্যে অন্যতম গ্যাস্ট্রিক। কম-বেশী অনেকেরই এ সমস্যা রয়েছে। এর একটি কারণ হচ্ছে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ভেজালে সয়লাব খাদ্যাভাস।
আটা-ময়দার তৈরি খাবার অনেক সময় গ্যাস বাড়ায়। উচ্চ আঁশের পাশাপাশি আটায় গ্লুটেন নামক প্রোটিন থাকে, যা পরিপাকতন্ত্র সহজে হজম করতে পারে না। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের সমস্যা বেশি হয়।
অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ত্যাগ করতে হবে। কারণ, বেশির ভাগ মসলা পরিপাক করার মতো এনজাইম মানুষের শরীরে নেই। গরমে পেঁয়াজ, রসুন, হলুদগুঁড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ ও তেলছাড়া অন্যান্য মসলা ব্যবহার না ঠবাকি অংশ পড়ুন...
স্বাস্থ্য সচেতনতায় খাদ্যনিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খাওয়ার ভুলটি করেন। এর ফলে স্বাস্থ্য যে কতটা ঝুঁকির সম্মুুখীন, তা হয়তো অনেকেরই অজানা।
খাবার প্রস্তুতকারকেরা মেয়াদের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের মানদ- অনুসরণ করে থাকেন। এর ফলে আমরা মোড়কের গায়ে ‘বেস্ট বাই’, ‘সেল বাই’ এবং ‘ইউজ বাই’-এর মতো টার্মগুলো দেখে থাকি। এই প্রত্যেকটি টার্মের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ রয়েছে এবং এই তারিখগুলোর মানে এই নয় যে, এই তারিখ পার হলেই সেই খাবার অনিরাপদ বা খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
‘বেস্ট বাই’ বা ‘ বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
কালোজিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেল-এর কারণে হাঁপানী উপশম হয়। জার্মানী গবেষকরা বলেছে, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরী বাড়িয়ে দেয়।
আমেরিকার গবেষকরা কালোজিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেয়। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদনকà বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভূমধ্যসাগরে মাইলের পর মাইলজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র শৈবালের স্তর সন্ত্রাসী ইসরায়েলের পাঁচটি বড় লবণাক্ত পানি শোধনাগার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ইহুদীবাদীদের প্রধান পানীয়ের উৎস নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সন্ত্রাসী ইসরায়েলের জাতীয় পানি কোম্পানি মেকোরোট জানিয়েছে, গতকাল দেশটির উপকূলীয় ছয়টি শোধনাগারের মধ্যে পাঁচটি বন্ধ হয়ে যায়।
মেকোরোটের মুখপাত্র বলে, ‘সন্ত্রাসী ইসরায়েলে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। এটি অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা।’
সন্ত্রাসী ইসরায়েলের পানীয়র অন্তত ৬৫ শতাংশ আসে সমুদ্রের পানি শোধন ক বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
ধনেপাতার ভেতর লুকিয়ে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত ধনেপাতা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য যে কতটা উপকারী, তা অনেকেই জানেন না।
ধনেপাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও কে যা চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক। পাশাপাশি এতে থাকা ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের স্বাস্থ্য ও হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ধনেপাতা হজম শক্তিশালী করতে পরিচিত একটি ভেষজ উপাদান। এটি পাকস্থলীতে এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়ায়, ফলে খাবার সহজে হজম হয়। পà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গত ২০ জুলাই একটি বৈশ্বিক পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণায় বিশ্বের ৮২টি দেশের ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সী ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮১ জন শিশুর সংক্রমণের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, ব্যাকটেরিয়ার ওষুধ-প্রতিরোধী à বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েকজন একসাথে থাকা সত্ত্বেও বারবার একই ব্যক্তিকে মশায় ধরছে এমনটি প্রায়ই দেখা যায়। বিষয়টিকে অনেকেই ‘রক্ত অনেক মিষ্টি’ বলেন, তাই মশা একই ব্যক্তিকে কামড় দেয়।
কিন্তু বিজ্ঞানের মতে, বিষয়টি রক্তের মিষ্টতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং মানুষের শরীর থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, শরীরের তাপমাত্রা, ত্বকের ঘ্রাণ এবং জিনগত বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করেই মশা শিকার বেছে নেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা মানুষের শরীর থেকে নির্গত নানা জৈব সংকেত কয়েক মিটার দূর থেকেই শনাক্ত করতে পারে। এসব সংকেতের কারণেই কেউ মশার কাছে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, আবার কেউ তুলনামূলক বাকি অংশ পড়ুন...












