ঈমানদারদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এরপর কাফিরদেরকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে তোমাদের কোন ওজর শোনা হবে না।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে ওজর পেশ করো না, তোমরা কেন কুফরী করলে? কেন তোমরা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বিরোধিতা করলে?
إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
তোমরা যা আমল করেছ তার বদলা অবশ্যই একশতে একশ’ তোমাদেরকে ভোগ করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখানে এক রূকু, সাতটা পবিত্র আয়াত শরীফ। এখানে বলা হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্না বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আওতায় সস্তায় গোশত, পোলট্রি ও অন্যান্য প্রাণিজ পণ্য আমদানির তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত এই চুক্তির বিরুদ্ধে লড়েছি। সরকারের ভেতরে থেকেও আমরা চুক্তি ঠেকাতে পারিনি।
গত শনিবার (১৪ মার্চ) ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট : ক্যাবের ১৩ দফা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
চুক্তির গোপনীয়তানীতির সমালোচনা করে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আ বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং যিনি মালিক তিনি বন্ধু।
وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
এবং হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম, সমস্ত ঈমানদার এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনার খাদিম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদের অপরিচ্ছন্ন জাওয়াব, এদের অপরিচ্ছন্ন বক্তব্য যে, আপনারাতো ভুল-ত্রুটি করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখন যদি আরো বিরোধিতা করেন তাহলে কিন্তু আপনারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বা যুদ্ধ করতে রাজি নয় এমন ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করে ‘সেন্টার অন কনশিয়েনশস অ্যান্ড ওয়ার’ নামের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ফোন ‘ক্রমাগত বেজে চলেছে’। মার্কিন সেনারা তাদের ফোন করছে। সেনারা তাদের ফোন করে বলেছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে চায় না।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছে, ইরানে যুদ্ধ করা নিয়ে সেনাদের ভেতর থেকে তীব্র আপত্তি উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহ্যগতভাবে বিদেশে যুদ্ধে যেতে আপত্তি জানানো অনেক নাগরিক রয়েছে। এদের বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
এছাড়া অন্যান্য কিছু পবিত্র হাদীছ শরীফ খেজুর ও যবের পরিমাপ দ্বারাও ফিতরা আদায়ের কথা বলা হয়েছে। এগুলোর ভুল ব্যাখ্যা করে সালাফী ওহাবীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। যেমন, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সা’ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা’ পরিমাণ যব অথবা এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ পনির অথবা এক সা’ পরিমাণ কিসমিস দিয়ে زَكَاةَ الفِطْرِ ছদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম। (বুখারী-২/১৩১, হাদীছ-১৫০৬)
কিন্তু আমাদের হানাফী মাযহাবে গম বা আটার মূল্যের উপর ফিতরা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ এ ব্যাপারে ছহীহ হা বাকি অংশ পড়ুন...
চতূর্থ নম্বর আয়াত শরীফে বলা হচ্ছে, এখানে এরা আবার ঠিক একই ফিতনা সৃষ্টি করেছে।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তারা এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক অর্থ করে থাকে। পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক রকম অর্থ করা যায়।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ
যদি আপনারা দু’জন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তাওবা করেন।
فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
আপনাদের অন্তরটা রুজু হয়ে গেছে। এখানে এটার অর্থ অনেক। এরা এদের অন্তরে গালিজ থাকার কারণে তারা বলে থাকে, আপনারা যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম হযরত আবু বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৩৭০ হিজরী) তিনি বলেন-
روي نصف صاع من بر عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر عليه السلام وعمر عليه السلام وعثمان عليه السلام وعلي عليه السلام وابن مسعود رضى الله تعالى عنه وجابر رضى الله تعالى عنه وام المؤمنين عائشة عليها السلام وابن الزبير رضى الله تعالى عنه وأبي هريرة رضى الله تعالى عنه وأسماء بنت أبي بكر رضى الله تعالى عنها وقيس بن سعد رضي الله تعالى عنه أجمعين، وعامة التابعين، ولم يرو عن أحد من الصاحابة بأنه لا بجزئ نصف صاع من بر.
অর্থ: আধা সা’ গম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দী বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে নেই বহুদিন। শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার রাজনীতিটা রয়ে গেছে বাংলাদেশে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। গত শনিবার এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘শেখ হাসিনার রাজনীতি’ শিরোনামে ওই স্ট্যাটাসে ড. আসিফ নজরুল লিখেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে নেই বহুদিন। কিন্তু সত্যিই কি নেই? আমার মনে হয় তিনি আছেন। শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার রাজনীতিটা রয়ে গেছে বাংলাদেশে। তার রাজনীতির কিছু মূলমন্ত্র ধারণ করে আছে তার পতনের আন্দোলনের মানুষদেরও কেউ কেউ। বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার বিরোধিতা করে থাকে বাতিলপন্থীরা। তারা দলীল হিসেবে যে হাদীছ শরীফ পেশ করে তা হলো- “হযরত খারশাতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে দেখেছি যে, তিনি এক ব্যক্তিকে রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার কারণে তার হাতে বেত্রাঘাত করেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত সে ব্যক্তি রোযা ভঙ্গ না করেছে।”
অথচ উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সঠিক ব্যাখ্যা হলো- জাহিলিয়াতের যুগে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ও রজবুল হারাম শরীফ মাস উনাদের মধ্যে কুরবানী করা হতো এবং র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আম বা সাধারণ ফতওয়া মতে, জামায়াতে নামায আদায়ের জন্য মহিলাদের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী ফতওয়া দেয়া হয়েছে। কারণ মহিলাদের মসজিদ ও ঈদগাহে গিয়ে জামায়াতে নামায আদায় করা যাবে না। এটা সম্পূর্ণ নিষেধ।
এ ব্যাপারে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম এবং সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ইজমা বা ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
সুতরাং মহিলাদের মসজিদ ও ঈদগাহে গিয়ে জামায়াতে নামায আদায়ের পক্ষে বলা মানে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হাদীছটি ছহীহ
كان الصدقة تعطى على عهد رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وأبي بكر وعمر نصف صاع من حنطة.
অর্থ: হযরত সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম, খলীফাতুল মুসলিমীন, ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের শাসনামলে ছদক্বাতুল ফিতর দেওয়া হতো আধা সা গম। (শরহু মাআনিল আছার ১/৩৫০)
আল্লামা ইবনে আবদুল বার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, এট বাকি অংশ পড়ুন...












