স্বাগতম জানাই আশিকান
শাফি শাহ দামাদ কিবলাজান
স্বাগতম জানাই আশিকান
হাদি শাহ দামাদ কিবলাজান
মারহাবান মারহাবান
মারহাবা আহলান সাহলান
শেরে হায়দার শাহে দস্তার
জড়োয়া সাকিয়ে কাওসার
অসীম অপার দোনো রাহবার
শাহী সিলসিলার অহংকার
গোলামের জানেরও জিগার
কুওওয়াতে পরওয়ারে দিগার
জালালী জামালী রোবে
দফেন জাহেলী অভিসার
তুলেছেন সুন্নতি নিশান
শাফি শাহ দামাদ কিবলাজান
স্বাগতম জানাই আশিকান....
আখেরী কাল হলো উত্তাল
বয়ানে শাহ দামাদ আউওয়াল
নাজাতের হাল ধরেন দয়াল
করেন বাতিলকে বেসামাল
জালালেন মুর্শিদী মশাল
ছানী শাহ দামাদ যুল-জালাল
মুবারক নি বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ আমায় গোলাম বানান
সাহাবী রীতিতে
সুন্নতি সাজে দিল সাজান
বাদশাহী নীতিতে
স্বপ্নরা ছুটে চলেছে
আপন গতিতে
কবে লিখা হবে এই নাম
আপনার নথিতে
আলোকিত করুন আমায়
রূহানী জ্যোতিতে
আপনি তো বেশি কষ্ট পান
গোলামের ক্ষতিতে
মক্ববুল আদেশ করুন আক্বা
আমার মিনতিতে
ফায়িজে ইত্তেহাদ দানুন
সসীম নিয়তিতে
প্রতিটি আমল হয় যেন
পাক অনুমতিতে
ইশকি স্মরণ থাকুক আমার
সব অনুভূতিতে
যা কিছু করেছি মালিক
আমি অতীতে
সকল ত্রুটি মিশিয়ে দিন
নিছবতের নদীতে
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পাকিস্তানি নিউজ চ্যানেলের খ্যাতনামা সাংবাদিক ও উপস্থাপক হামিদ মীর সন্ত্রাসী ড্রাম্পের যুদ্ধকামী নীতির বিরুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের ক্ষোভকে ‘শাসন পরিবর্তনের দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, মার্কিন সমাজে ড্রাম্পবিরোধী মনোভাব তীব্র হয়েছে।
পার্সটুডে জানিয়েছে, পাকিস্তানের জিও নিউজ চ্যানেলের খ্যাতনামা উপস্থাপক হামিদ মীর ‘অবাধ্য ড্রাম্পের প্রতিকার’ শিরোনামের একটি নোটে বলেছেন, মার্কিন জনগণ দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নিজেদের শাসক ড্রাম্পের প্রতি ত্যক্ত-বিরক্ত, কিন্তু ২৮ মার্চ এই বিরক্তি দেশব্যাপী গণ-অভ্যুত্থানে পরি বাকি অংশ পড়ুন...
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
একটি নজর ফজর থেকে আছর তক পেতে চাহি
রাত্রিতেও হোক নজর অপলক বাদশাহী
খেয়ালে খলীফা ইশকি অজিফা অনন্তকাল
হটাও নিরাশা খোদ তিনি ভরসা ঈমানী ঢাল
খানকার দুয়ারে খুব চুপিসারে উঁকি মারি
বাহানা একটাই পথিক সেজে তাই ফেরারী
নবম রমাদ্বান বড়-ই মহিয়ান তাতো জানি
তবে কেন আজ বেহায়া বেলাজ দিবস মানি
সুদিন এসেছে মু’মিন জেগেছে সাহস করে
সেরা রণসাজ বলিষ্ঠ আওয়াজ দীপ্ত স্বরে
হাকীকী স্মরণে মজনু এ মনে ইশক হরদম
আজ হয়ে যাক গভীর সিনা চাক সেই রকম
বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
মারহাবা মারহাবা
মালিকা মারহাবা
মারহাবা মারহাবা
সাইয়্যিদা মারহাবা
মুবারক ঈদ মুবারক
কাছিদা দিল খুলে হোক
এসেছেন নও মেহেমান
ঘুচেঁ যাক কষ্টের-ই শোক
ও মেরা সেরা সেরা সেরা দরদী
ইয়া শাহ নাওয়াদী
শাহ নাওয়াদী শাহ প্রভাকরদী
ইয়া শাহ নাওয়াদী
শাহ নাওয়াদী ইসলামাবাদী
শাহ সাহেবযাদী...
হাদীয়া দেন
শাহযাদা হাদী
অ-তুলনীয় নমনীয় নূরী শাবিহা
ছূরত-ছিফতে শান শওকতে উম্মু আবীহা
পাক আগমনে ফের জাহানে জাগলো জিহাদী
আনন্দবানে আশিকানে জানাই স্বাগতম
মাদানী ধারায় এলেন ধরায় বাদশাহী প্রিতম
তাই শুকরিয়াতান ছন্দ সাজান শায়েখ সাদী
জজবায়ী জোশে নেইযে বস বাকি অংশ পড়ুন...
স্বাগতম সাইয়্যিদা
মনোরম সাইয়্যিদা
শাহী মারকাজে আলোকি সাজ সাজ
মিষ্টি গুঞ্জনে মন ইশকে মুহতাজ
সারা আসমানে আযীমী আলফাজ
শুভ তাশরীফে তাকবীরী নারা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
শাহ নাওয়াদী সেরা দরদী
মুরশিদী ইয়ারা
শাহযাদায়ী নূর ‘আরূসী হুর
প্রাণেরই পেয়ারা
নব মেহেমান - মারহাবা
নববী ই’লান - মারহাবা
হাদীয়ে জাহান - মারহাবা
হাদীয়া মহান - মারহাবা
উৎসবে আনন্দিত সবে লেগেছে তাই ধুম
প্রিয় লেহানে হার জবানে ছল্লু আলাইকুম
কত আয়োজন.... (আজ)
কত আয়োজন অ-সাধারণ সাজিয়ে হুজরা
শাহযাদায়ী নূর ‘আরূসী হুর প্রাণেরই পেয়ারা
আশিকী দিল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিত করে কিডনি ও লিভারের চিকিৎসা সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সে দেশের স্বাস্থ্য পর্যটনকে জনপ্রিয় করতে চায় পাকিস্তান সরকার। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশী রোগীদের নানা সুবিধা দিতেও প্রস্তুত আন্তর্জাতিক মাননিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান জেসিআই এক্রিডিয়েটেড বিশ্বমানের হাসপাতাল পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিচার্স সেন্টার (পিকেএলআইঅ্যান্ডআরসি)। যে প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ২১০০’র বেশি লিভার ও কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। বিশেষায়িত এই সরকারি হাসপাতালটিকে পা বাকি অংশ পড়ুন...
এক বুযূর্গ ব্যক্তি, মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী, বুযূর্গ ছিলেন। সেই দেশের যে বাদশাহ ছিলো, সে উক্ত বুযূর্গ বা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীর মুরীদ ছিলো। তিনি নছীহত করতেন, তা’লীম দিতেন। বাদশাহও প্রায় সময় তার পীর সাহেব অর্থাৎ সেই ওলীআল্লাহ বা বুযূর্গ ব্যক্তির খানকা শরীফে আসতো। এসে নছীহত হাছিল করে তা’লীম নিয়ে যেতো। একদিন সেই মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নছীহত করলেন যে, মানুষের অন্তরের মধ্যে দুনিয়ার মুহব্বত বেশী হয়ে গিয়েছে। মানুষ দুনিয়াতে গরক (মশগুল) থাকার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে গাফিল হয়ে গিয়েছে। তবে ক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মান-মর্যাদা লাভের জন্য কোন আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করাটাও এক প্রকার গইরুল্লাহ। এ মন্দ স্বভাব বা কামনা-বাসনা থেকে অন্তরকে পবিত্র রাখতে হবে। কারণ যারা মান-সম্মান অর্জনের জন্য কোন ইবাদত করবে তাদের ইবাদতগুলো দ্বিতীয় আকাশ অতিক্রম করে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে পৌঁছবে না, সেখানে হাফাযাহ (পরীক্ষক) ফেরেশতা আলাইহিস সালাম তিনি আমলগুলো আটকে রেখে দিবেন।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنِ حَضْرَتْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الاَنْصَارِيِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا ذِئْبَانِ جَائِعَانِ اُرْسِلَا ف বাকি অংশ পড়ুন...
১৯২১ সালে সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, বুলগেরিয়া এবং গ্রিস একসাথে তৎকালীন উসমানীয় সালতানাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। উসমানীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর বুলগেরিয়া থেকে তুর্কি ভাষাভাষী মুসলমানদের বের করে দেয়া হয়। বুলগেরিয়া থেকে বিতাড়িত হয়ে মুসলমানরা ইস্তাম্বুলে এসে আশ্রয় নেন। কিন্তু বুলগেরিয়া থেকে আসতে অনেক মুসলমান কলেরায় আক্রান্ত হন। এছাড়াও সে সময় ইস্তাম্বুলেও অনেক অধিবাসী কলেরায় আক্রান্ত ছিলেন। একদিকে যুদ্ধ অন্যদিকে রোগ-ব্যাধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন উসমানীয়রা।
আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য উসমানীয় প্রশাসন গঠন করে বাকি অংশ পড়ুন...
অন্যান্য বর্ণনা:
হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশবন্দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, যখন আমি হযরত সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খিদমতে পৌঁছলাম, তিনি আমার প্রতি অশেষ দয়া দেখালেন এবং বিশেষ তাওয়াজ্জুহ সহকারে সবকের তালক্বীন দিলেন, নফী ও ইছবাতের যিকির খফী (গোপন) নিয়মে শিক্ষা দিলেন। (নাফাহাতুল উনস)
হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশবন্দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে হযরত বাবা সাম্মাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজের সন্তান হিসাবে কবুল করেছিলেন এবং হযরত সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে রুহানী তরবীয়ত (তা’লীম) দান করেন। বাকি অংশ পড়ুন...












