২১শে ফেব্রুয়ারিকে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য এদিন ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলো, সেই দিনটিকেই স্মরণ করে দিবসটি উদযাপন। তবে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারি নয়, বাংলা ভাষা নিয়ে আরেকটি দিবস আমাদের পালন করা উচিত। সেটা হচ্ছে বাংলা ভাষার স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি হিজরী তারিখ হচ্ছে- “১৯শে রমাদ্বান শরীফ”। আসুন বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেই।
ইতিহাস স্বাক্ষী হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখে ‘এক কথ্য’ ভাষার প্রচলণ ছিলো। বাঙ্গালিরা সেই ভাষায় নিজেদের ভাব-আবেগ বিনিময় করতো। বাঙ্গালিদের মুখের সেই কথ্য ভাষা ছিলো বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে সই করা পার্বত্য চুক্তির ২৮ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে পার্বত্য চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
এক সংবাদ সম্মে বাকি অংশ পড়ুন...
দিনাজপুর সংবাদদাতা:
সজিনা ফুল থেকে মৌমাছির মাধ্যমে মধু উৎপাদন করে সফলতা পেয়েছেন ৪ খামারি। প্রথমবার সজিনা ফুল থেকে মধু হারভেস্ট করে তারা তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সদর উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামে হর্টিকালচার সেন্টারের পাশে সজিনা বাগানে গিয়ে মধু সংগ্রহের এ দৃশ্য দেখা যায়। প্রথম হারভেস্টে তারা ১৫০ কেজি মধু সংগ্রহ করেছেন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।
জানা যায়, সজিনা ফুলের মধুকে সুস্বাদু, মিষ্টি, স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন বলে জানিয়েছেন মৌমাছি উৎপাদন কেন্দ্রের কর্মকর্তা। এ ছাড়া সজিনা পাতা, ফুল ও ডাটা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
২১শে ফেব্রুয়ারি, শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ শনিবার। মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হওয়ার এই দিনে সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বিশ^জুড়ে এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। বাঙালি জাতির কাছে এটি একদিকে যেমন গভীর শোক ও বেদনার, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাচীন স্থাপনার দেয়ালে খোদাই করা শিলালিপি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মাধ্যম। একদিকে এতে রয়েছে ইতিহাসের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় তথ্য, অন্যদিকে শিল্পমান বিবেচনায় এগুলো অমূল্য। বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শিলালিপিগুলো এ অঞ্চলে ইসলামের আগমন ও বিস্তারের ইতিহাস বুঝতে দারুণভাবে সাহায্য করে। এই ইতিহাসের পথ ধরেই বাঙালি মুসলমানরা একসময় ইসলামি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষাভিত্তিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছিলো।
শিলালিপিবিদ্যার সঙ্গে বাংলার সংযোগ বেশ পুরোনো। পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে মক্কার একটি মাদ্রাসায় কর্মরত বাঙালি শিক্ষাবি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে মুসলিমদের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জন্ম দিলো মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত।
সে বলেছে, “রাজ্যে কেবল বাঙালি ভাষাভাষী মুসলিমদেরই উচ্ছেদ করা হচ্ছে, অন্য কেউ নন”।
স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসব কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত।
সে বলেছে, “আসামে শুধু ‘মিয়া’দেরই উচ্ছেদ করা হয়। অসমীয়াদের কিভাবে উচ্ছেদ করা হতে পারে”
গোয়াহাটির আশপাশের পাহাড়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর খবরও উড়িয়ে দেয় সে।
মূলত ‘মিয়া’ শব্দটি আসামে বাঙালি ভাষাভাষী মুসলি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ মামলায় রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত জুমুয়াবার (২৩ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রাথমিক আপত্তি তোলে বাংলাদেশ।
প্রতিবাদে ঢাকা বলেছে, ২০১৬-১৭ সালের জাতিগত নির্মূল অভিযানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান হিসেবে বৈধতা দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতে পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয় ব বাকি অংশ পড়ুন...
বগুড়া সংবাদাদতা:
গত ১৭ বছরে বগুড়ার উন্নয়নের নামে সরকারি খাতে খরচ হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এত ব্যয়ের পরও নাগরিক জীবনমানের সূচকে বগুড়া আজও পিছিয়ে। শহর থেকে গ্রাম সবখানেই দুর্ভোগ নিত্যসঙ্গী।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরে বগুড়া জেলা ও নগর এলাকায় উন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ গেছে সড়ক ও যোগাযোগ খাতে। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক, শহরের প্রধান সড়ক, গ্রামীণ সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কারে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা। কিন বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে একদল কথিত সুশীল রয়েছে, যারা সংস্কৃতির দোহাই দিয়ে বোরকার বিরুদ্ধে বলে থাকে। যদিও বাস্তবতা হলো, আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বাঙালি মুসলমানের সামাজিক জীবনে পর্দা ও বোরকার কোন বিকল্প ছিল না।
এই বোরকাবিরোধীদের সবচেয়ে বড় আখড়া হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও ছবির হাট-চারুকলা এলাকাটি। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালী ভিসি ছিলেন এ এফ রহমান, তার পরে ভিসি হয়েছিল রমেশ মজুমদার (আর সি মজুমদার)। রমেশ মজুমদার তার আত্মজীবনী ‘জীবনের স্মৃতিদীপে’তে ভাইস চ্যান্সেলর এ এফ রহমান প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছে-
“নিয়ম অনুসারে গভর্নরের বাড়িতে ক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে খেজুর গাছের মাথায় হাঁড়ি বেঁধে রস সংগ্রহের ধুম পড়ে গেছে দেশজুড়ে। ফরিদপুরের নগরকান্দা, যশোরের চৌগাছা, বগুড়া থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের গ্রামগুলোতে গাছিরা ভোরের কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে গাছে উঠছেন। এই টাটকা খেজুরের রস শুধু একটি পানীয় নয় , এটি বাঙালির শীতকালীন ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রতি বছরের মতো এবারও শীতের আগমনে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ততা বেড়েছে। গাছিরা জানান, ঠান্ডা যত বাড়বে, রসের মিষ্টতা ও পরিমাণ তত বাড়বে। একটি গাছ থেকে দৈনিক ৩-৪ লিটার রস পাওয়া যাচ্ছে, যা বাজারে ১৫০-২০০ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সম্প্রতি সাধারণ পাহাড়িদের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত হচ্ছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুরু কথিত ‘চাকমা সার্কেল চিফ’ দেবাশীষের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন। দেশের বাইরে বসে পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী দাঙ্গা এবং বাঙালিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ইন্ধন দিচ্ছেন ইয়েন। সে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় থেকে সাধারণ উপজাতিদের মধ্যে বাঙালিবিদ্বেষী মনোভাব সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক উসকানি ও সেনাবাহিনীবিরোধী অপপ বাকি অংশ পড়ুন...
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়। কলার থোড় দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু তরকারি। আবার এর রসও ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলার থোড়ে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং উদ্ভিদ যৌগ রয়েছে যা কিডনি, রক্তে শর্করা, হজম এবং সামগ্রিক বিষমুক্তকরণে সহায়তা করতে পারে। কলার থোড়ের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করে:
কিডনিতে পাথর তৈরি বা বৃদ্ধি রোধ করতে ঐতিহ্যবাহী ওষুধে কলার থোড়ের রস ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষাগার গবেষণা প্রমাণ করে যে, অপ্রক্রিয়াজাত কলার থোড় শরীর বাকি অংশ পড়ুন...












