SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বকর%' OR titleBn LIKE '%বকর%' OR descriptionEn LIKE '%বকর%' OR descriptionBn LIKE '%বকর%' OR slug LIKE '%বকর%' OR metaTag LIKE '%বকর%' OR metaDescription LIKE '%বকর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
পাদ্রী বললো, হে বৎস! মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমার জানা মতে নাছীবীনের একজন ব্যক্তি আছে। যে আমাদের দ্বীনের উপর অটল আছেন। সে অমুক। আপনি তার সাথে মিলিত হোন।
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, অতঃপর যখন সে মারা গেলো এবং তাকে দাফন করা হলো, তখন আমি নাছীবীনের লোকটির সাথে মিলিত হলাম এবং আমার বিষয়ে ও আমার সাথী যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাকে তা বললাম। সে বললো, আপনি আমার কাছে অবস্থান কর বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার একটা মৃত কানকাট বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
উমর বিন হামযাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, আমি আমার পিতার (হামযাহ) সঙ্গে বসা ছিলাম। এ সময় একজন লোক পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিল। লোকটি বললো; আমাকে বলুন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে আপনি কি বলেছিলেন, যখন আমি আপনাকে “জরফ” নামক স্থানে উনার সঙ্গে কথা বলতে দেখেছিলাম? বর্ণনাকারী (উমর) বলেন, আমি বলেছিলাম; হে আবু আবদুর রহমান! আপনার শরীর শক্তিহীন হয়ে পড়েছে, বয়স অনেক বেড়েছে। আপনার সঙ্গীরা আপনার মান মর্যাদা জানে না। আপনি যদি আপনার পরিবারকে নির্দেশ দিতেন, উনারা যেন আপনার জন্য এমন কিছু ব্যবস্থা করেন, যাতে বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বিভিন্ন কারণে সীমাহীন বরকতময়। একদিক থেকে এ মাস হচ্ছেন ৪টি হারাম মাস উনাদের মধ্যে অন্যতম ১টি হারাম বা সম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-১৩
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ.
অর্থ: তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদেরকে মনোনীত করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দিবে আর অসৎ কাজ (শরীয়তের খিলাফ কাজ) থেকে নিষেধ করবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনবে। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৯১)
(كُنْتُمْ) يَا أُمَّة مُحَمَّد বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ:
প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ঢাকামুখী হওয়া ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং তীব্র যানজটের অন্যতম বড় কারণ। যারা ফরয পরিমাণ দ্বীনি শিক্ষার পর অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায় তাদের জন্য ঢাকার বাইরে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে ঢাকামূখী ‘শিক্ষা অভিবাসন’ বন্ধ করা যেতে পারে।
এবং ঢাকার ওপর চাপ কমানোর জন্য ঢাকার বাইরে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি সহ নিচের পদক্ষেপগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৪র্থ অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عن حَضْرَتْ أبي هريرة رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أنه قال المرأة كلها عورةٌ حتى ظفرها-
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, মহিলাদের সমস্ত শরীরটাই পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি তাদের নখসমূহও পর্দার অন্তর্ভুক্ত। (আদাবুন নিসা লি-আব্দিল মালিক ইবনে হাবীব -পৃষ্ঠা ২১৬)
عن حَضْرَتْ عبد الله بن جعفر رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل للمرأة المسلمة أن يدخل عليها غلامٌ محتلمٌ فيرى كفيها! ولا تكتحل عنده ولا تلبس عنده ثوباً ولا تخلعه ولا تؤاكله إلا أن বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কুরবানির গরুর চামড়ার দাম সরকার গত বছরের তুলনায় বাড়ালেও রাজধানীতে সেই দরে বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তারা এবারও সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে সেই দামে চামড়া কেনার কোনো নিশ্চয়তা তারা পাননি। ট্যানারি মালিকরা গত বছরের তুলনায় কম দাম দিচ্ছেন। ফলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
এদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি, বরং প্রতি পিসে ৫০-৬০ টাকা বেড়েছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কুরবানির গরুর চামড়ার দাম সরকার গত বছরের তুলনায় বাড়ালেও রাজধানীতে সেই দরে বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তারা এবারও সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে সেই দামে চামড়া কেনার কোনো নিশ্চয়তা তারা পাননি। ট্যানারি মালিকরা গত বছরের তুলনায় কম দাম দিচ্ছেন। ফলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
এদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি, বরং প্রতি পিসে ৫০-৬০ টাকা বেড়েছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৩)
(يَا اَيُّهَا الذين امَنُواْ) عثمان بن طلحة واصحابه (اَطِيعُوا الله) فيما امركم (وَاَطِيعُوا الرسول) فيما يأمركم (وَاُولِي الامر مِنْكُمْ) امراء السرايا ويقال العلماء.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ!) হযরত উছমান বিন ত্বলহাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী-সাথী উনারা (তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর-আদেশদাতা উনাদের অনুসরণ করো।) উনারা হলেন জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...












