SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফারূকে%' OR titleBn LIKE '%ফারূকে%' OR descriptionEn LIKE '%ফারূকে%' OR descriptionBn LIKE '%ফারূকে%' OR slug LIKE '%ফারূকে%' OR metaTag LIKE '%ফারূকে%' OR metaDescription LIKE '%ফারূকে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, উগ্র হিন্দু-উপজাতি সন্ত্রাসীদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা করছে সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা।
বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর শাসকরা কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে কাফিরদের গোলাম হয়। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের অন্যায় আবদার মেটাতে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান যুগে বিয়ে মানেই সুন্দরী মেয়ে। বিয়ে মানেই ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি। গরিবদের দিকে মুখ তুলে তাকাতেও সামর্থ্যবান ও সম্পদশীল পুরুষরা নিজেদেরকে লজ্জিত মনে করে থাকে। আর গরিব মেয়ে ঘরে নিলে তো বুঝি তাদের দেহ-মন পচে যাবে। আর এই নীচু ও হীন মন-মানসিকতার জন্য তাদের পরিবারে কখনো সুখ থাকে না এবং নেক সন্তানও লাভ হয় না। কিন্তু মুসলিম জাহানের খলীফা খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ঠিকই এই সমস্ত দুনিয়ালোভী মুসলমানদের মুখে চুনকালী মেখে মহান আদর্শ স্থাপন করেছেন। ধন-সম্পদে সুখ নয়, সুখ হচ্ছে তাক্বওয়া-পরহেজগারী বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাছভাবে ফায়েজে ইত্তেহাদী মুবারক দান করেছেন খাছভাবে। যা খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফযীলত ও বুযূর্গী মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রবাদ আছে, ‘হার গুলেরা রঙ্গো বুয়ে দিগারাস্ত’। অর্থাৎ ‘একেক ফুলের একেক রকম রং ও ঘ্রাণ’। সমস্ত উম্মতের মাঝে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব। আবার উনাদের মাঝে বদরী ছাহাবীগণ উনাদের রয়েছে বিশেষ ফযীলত। আবার মুহাজিরগণ উনাদের রয়েছে ব্যতিক্রম শান মুবারক। অপরদিকে খিলাফতের ক্ষেত্রে কুরাইশগণ উনাদের রয়েছে একক প্রাধান্য। সর্বোপরি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক নির্ধারিত।
পবিত্র হাদীছ শ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সুহাইল ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! তাহলে আমি আপনাদের সঙ্গে আর কখনো সন্ধি করবো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, কেবল এ লোকটিকে আমার কাছে থাকার অনুমতি দাও। তিনি বললেন, না। এ অনুমতি আমি দেবো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি এটা করো। তিনি বললেন, আমি তা করবো না। পাশ থেকে কুরাইশদের মিকরায বললো, আমরা উনাকে আপনার কাছে থাকার অনুমতি দিলাম।
এদিকে হযরত আবূ জানদাল ইবনু সুহাইল ইবনু আমর বাকি অংশ পড়ুন...
আর এটা আবার পবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারকে বলা হয়েছে এর ব্যাখ্যায়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ تَلَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ- إلى- وَما يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُوا الْأَلْبَابِ
মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বললেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীকাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার প্রতিটি মুহূর্তেই রয়েছে হিকমত, শিক্ষা ও উম্মতের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। কখনো জীব জন্তু, কখনো জড় বস্তু উনার পবিত্র সান্নিধ্যে এসে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মেতে ওঠে যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা ও মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বিশেষ সম্মানের স্বাক্ষ্য বহন করে। একই সঙ্গে এসব পবিত্র ই’জায শরীফ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি
বলতেন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহু তিনি তোমাদের সকলের অপেক্ষা বড় বিদ্বান। তিনি উনার সম্বন্ধে আরো বলতেন, ইনিفتى الكهول
(তরুণ প্রবীন অর্থাৎ বয়সে তরুণ,
জ্ঞানে
প্রবীন)।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস
রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু
ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উক্তি করেছেন,
পবিত্র
কুরআন শরীফ উনার তাফসীর বর্ণনার সময় মনে হয় যেন তিনি একটি স্বচ্ছ পর্দার অন্তরাল বাকি অংশ পড়ুন...












