ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৭৩)
, ০৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৩ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৩ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
আর এটা আবার পবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারকে বলা হয়েছে এর ব্যাখ্যায়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ تَلَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ- إلى- وَما يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُوا الْأَلْبَابِ
মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বললেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীকাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তিলাওয়াত মুবারক করলেন। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব নাযিল করলেন। এর মধ্যে কিছু আছে আদেশসূচক। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন এই পবিত্র আয়াতে মুতাশিবাহার অর্থ মুবারক মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কেউ জানেন না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
(এটা পবিত্র হাদীছ শরীফ।) সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলে দিচ্ছেন, তিনি জানিয়ে দিচ্ছেন যে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন দেখবে কোন লোককে সে আয়াতে মুশাবাহ দিয়ে সে কিছু তালাশ করতে থাকে, সেতো চূ-চেরা, কীল-কাল করবে, ফিতনা সৃষ্টি করবে। তখন কি করবে?
فَأُولٰئِكَ الَّذِينَ سَمَّاهُمُ اللهُ فَاحْذَرُوهُمْ
এই লোকগুলিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি চিহ্নিত করে দিয়েছেন। এর থেকে সাবধান হয়ে থাকবে, এরা মুনাফিক্ব।
হযরত যিয়াদ ইবনে হুদাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন-
هَلْ تَعْرِفُ مَا يَهْدِمُ الْإِسْلاَمَ
আপনি কি জানেন? সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সবচেয়ে কারা বেশি ক্ষতি করবে? তিনি বললেন, না আমার তাহক্বীক্ব নেই। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, প্রথমে
زَلَّةُ الْعَالِمِ
গোমরাহ, বিভ্রান্ত উলাময়ে ‘সূ’গুলি প্রথম। এরা অপব্যাখ্যা করবে ব্যবসার জন্য।
وَجِدَالُ الْمُنَافِقِ بِالْكِتَابِ
আর কিছু মুনাফিক্ব তারা কিতাব নিয়ে হেরফের করবে, অপব্যাখ্যা করবে।
وَحُكْمُ الْأَئِمَّةِ الْمُضِلِّينَ.
গোমরাহ শাসকের গোমরাহীমূলক আদেশ-নির্দেশ। নাউযুবিল্লাহ! তিন শ্রেণির লোক সম্মানিত দ্বীন ইসলামের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। নাউযুবিল্লাহ! কিছু উলামায়ে সূ, মুনাফিক্ব আর হচ্ছে গোমরাহ শাসক। কাজেই বিষয়টা খুব ফিকির করতে হবে। এখানে কঠিন একটা অবস্থা। মানুষ এখানে ফিকির না করলে বুঝবে না। জাহিরী ছূরতেও মানুষ বুঝতে পারবে না, কঠিন একটা অবস্থা। উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান নিয়ে চূ-চেরা, কীল-কাল করে। একটা সন্তান মার বিরুদ্ধে বললে তার ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। আর এখানে উনাদের বিরুদ্ধে বললে তাহলে কি হবে? তার আপন মার বিরুদ্ধে বললে তার ঈমান থাকে না, তাহলে এখানে ঈমান থাকবে কিভাবে? সে ঈমানদার থাকে কি করে? কিসের মুসলমান। সে মিথ্যাবাদী। তাহলে এই সমস্ত এলোমেলো লেখে কেন? কেন অপপ্রচার? পবিত্র হাদীছ শরীফ, তাফসীরের নাম দিয়ে কেন এই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ? নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এই অপব্যাখ্যার কারণে কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনগুলি সুযোগ পায়। সুযোগ নিয়ে তারা এলোমেলো বক্তব্য পেশ করে। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কিন্তু ফিকির করতে হবে। এটা অনেক ফিকিরের বিষয়। উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান কতটুকু? তাহলে কত আদবের সহিত বলতে হবে। কত শরাফতের সাথে বলতে হবে। উনাদের আলোচনা কত সম্মানের সাথে করতে হবে? উনাদেরকে কত মহব্বত করতে হবে? উনাদের মহব্বত মুবারক হচ্ছেন হাক্বীক্বী ঈমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (২)
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১৫)
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে-
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিনি একমাত্র যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সমস্ত কায়িনাতবাসী সকলের জন্য মহাসম্মানিত ক্বাসিম তথা বণ্টনকারী
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (৫)
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহিলাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ নির্দেশনা মুবারক- পর্দা পালন করা
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












