SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পৃথিবীতে%' OR titleBn LIKE '%পৃথিবীতে%' OR descriptionEn LIKE '%পৃথিবীতে%' OR descriptionBn LIKE '%পৃথিবীতে%' OR slug LIKE '%পৃথিবীতে%' OR metaTag LIKE '%পৃথিবীতে%' OR metaDescription LIKE '%পৃথিবীতে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ إِلَّا تَفْعَلُوهُ تَكُن فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ كَبِيرٌ
“আর যারা কাফির তারা একে অপরের বন্ধু। যদি তোমরা (মুমিনরা) একে অপরের সাহায্য না করো, তবে পৃথিবীতে ফিতনা ও বড় ধরনের অশান্তি সৃষ্টি হবে। (কাফির-মুশরিক-মুনাফিকরা বড় ধরণের ফিতনা ও অশান্তি সৃষ্টি করবে, তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করবে।)” (পবিত্র সূরা আল-আনফাল শরীফ: ৭৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
ইংরেজিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত এবং মহাপবিত্র নাম মুবারক “সাইয়্যিদুনা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” লিখলে প্রথমে ‘M’ অক্ষরটি আসে। সেই হিসেবে ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী ‘M’ অক্ষরটি ১৩ নম্বরে আসে। সে জন্য এই যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য কাফির-মুশরিকগুলি তাদের কোন বিমান, রেল, লঞ্চ-এ তের নম্বর সিটটি রাখে না। কোন হোটেলে তের নম্বর কক্ষ-কামরা রাখে না। লেখা বাহুল্য, মুসলমানরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মানুষ (সাধারণ) বড়ই অস্থির তথা চঞ্চল প্রকৃতির।’ অস্থির মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। অপরদিকে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুল মুর বাকি অংশ পড়ুন...
মিরপুরে ৭২ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের পচনধরা লাশ উদ্ধারের সংবাদ পাওয়া গেছে। একজন বৃদ্ধা মা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে মারা গেছেন, অথচ কেউ খবর রাখেনি। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিয়েছে। আরও বিস্ময়ের বিষয়, তার সন্তানরা কেউ অশিক্ষিত নন। একজন রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, অন্যজন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
এই খবর দেখে অনেকে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু আমি অবাক হওয়ার কিছু দেখি না।
ইউরোপ, আমেরিকা, চীন ও জাপানের মতো দেশে এ ধরনের ঘটনা খুবই সাধারণ। আপনি একদিকে ইউরোপ-আমেরিকা-চীন-জাপানের জীবন ব্যবস্থাকে উন্নত জীবন ব্যবস্থার না বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
ভয়াবহ উদ্বেগজনক তথ্য:
সুদানে গণহত্যা চালাচ্ছে আরএসএফ। আরএসএফকে পৃষ্ঠপোষকতা, অর্থায়ন ও অস্ত্র-শস্ত্র দিচ্ছে আরব আমিরাত। সুদানের প্রধান বন্দর “পোর্ট সুদান” এর নিয়ন্ত্রণ ডিপি ওয়ার্ল্ড এর হাতে। অর্থাৎ ডিপি ওয়ার্ল্ড এই গণহত্যার সক্রিয় অংশীদার।
নীতিগত সুপারিশ:
ডিপি ও বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা খাছ সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুন্নতে খলীল আলাইহিস স বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দৃশ্য কল্পনা করুন। একজন সন্তানসম্ভাবা মা, যিনি সম্পূর্ণ সুস্থ, যার শরীর প্রস্তুত, শিশুর অবস্থান স্বাভাবিক, পুরো চিকিৎসা প্রতিবেদন স্বাভাবিক। পরিবার অপেক্ষায় আছে একটি স্বাভাবিকভাবে সন্তান লাভের। কিন্তু’ চিকিৎসা কক্ষে কিছু সময় পর্যবেক্ষণের পর জানানো হলো, স্বাভাবিক প্রসব ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই অস্ত্রপচারই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত, ভয়, এবং চাপ একসাথে মিশে যায়। সিদ্ধান্তটা একসময় ছিল স্বাভাবিক চিকিৎসা আলোচনার অংশ, তা মুহূর্তেই পরিণত হয় জরুরি মানসিক চাপের সিদ্ধান্তে।
এই প্রশ্ন এখানেই শেষ হয় না। এটা বাকি অংশ পড়ুন...












