SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পায়ের%' OR titleBn LIKE '%পায়ের%' OR descriptionEn LIKE '%পায়ের%' OR descriptionBn LIKE '%পায়ের%' OR slug LIKE '%পায়ের%' OR metaTag LIKE '%পায়ের%' OR metaDescription LIKE '%পায়ের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
গত এপ্রিলে ইরানের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। ওই বিমানে পাইলটসহ দু’জন ক্রু ছিলো। বিমান বিধ্বস্তের পরও অত্যন্ত জটিল এক অভিযান চালিয়ে ওই দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করার দাবি করে মার্কিন সেনারা।
বিধ্বস্ত বিমানের ওই পাইলট জানিয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে সে অদ্ভুদ কিছু জিনিস দেখতে পায়। যা দেখতে অনেকটা জেলি মাছের মতো ছিলো। আর অদ্ভুত মাছের আকৃতিটি তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট ড্রোনের মাধ্যমে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) (২৩ জুন) জানিয়েছে, বিমানের পাইলট বাকি অংশ পড়ুন...
অলংকার ব্যবহার করা মহিলাদের জন্য সুন্নত:
গলার হার, গলার অলংকার, মাথার মুকুট, মাথার বেণী, কানের দুল, নাকের দুল, হাতের চুড়ি, দুমলুজ বা বাজু বন্ধ, হাতের আংটি, হাতের খিযাব, পায়ের আংটি, পায়ের খিযাব, খুলখুল বা পায়ের অলংকার ইত্যাদি সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
আল বিনায়াতু শরহুল হিদায়া-১২ খ-, ১২৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে-
وَمَوْضِعُ الزِّيْنَةِ الرَّأْسُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْإِكْلِيْلِ وَالشَّعْرُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْفِصَاصِ الدَّرِيْهَمَات- وَالْأُذُنُ لِأَنَّهَا مَوْضِعُ الْقُرْطِ وَالْعُنُقُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْقِلَادَةِ وَالصَّدْرُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الوِشَاح والعضدُ لأنه موضع الدُّمْلُجِ والذِّرَاع لأنه موضع السو বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
مَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ. وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ
‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল হয়ে যায়, তার জন্য একটা শয়তান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। ঐ শয়তান তাকে গোমরাহ্ করে, সে মনে করে সে হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা যুখরুফ শরীফ: ৩৬-৩৭)
বিষয়টা কিন্তু কঠিন বিষয়। অনেকে রসম-রেওয়াজ যিকির করে। এই রসমী যিকির দিয়ে কোন কাজ হবে না। এটা আমি সব সময় এজন্য বলি। তোম বাকি অংশ পড়ুন...
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ পড়ার সুন্নতসমূহ
১. পুরুষেরা বাম পা বিছিয়ে ডান পায়ের অঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালী উপর দিকে রেখে বসবে এবং বসার সময় বাম পায়ের অঙ্গুলিসমূহও ক্বিবলামুখী করে রাখবে। আর মেয়েরা দু’পায়ের পাতা ডান দিকে কিছু বের করে যমীনের উপর বসবে।
২. তাশাহহুদ পড়ার সময় ‘লা-ইলাহা’ উনার ‘লা’ বলার সাথে সাথে শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা উপরের দিকে ইশারা করবে এবং ‘ইল্লাল্লাহু’ উনার ‘হু’ বলার সাথে সাথে নামাবে।
৩. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর দুরূদ শরীফ ও দু‘আ মা’ছুরা পড়া।
৪. প্রথমে ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে অতঃপর বাম দিকে সালাম ফিরানো আর সালামের সাথে সাথে ডান বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবি বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত সৃষ্টি এমন কি হযরত নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সকলের মহাসম্মানিত মাতা হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
একাধিক বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছে পবিত্র হাদীছ শরীফ।
أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ أَقْدَامِ الْأُمَّهَاتِ
নিশ্চয়ই জান্নাত মায়ের ক্বদমের নিচে। সন্তানের জান্নাত হচ্ছে মায়ের পায়ের নিচে। তাহলে সমস্ত সৃষ্টির, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামসহ সকলের জান্নাত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নূরুদ দারাজাত মুবারকের নিচে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
রুকূ উনার সুন্নতসমূহ
১. রুকূ করার শুরু থেকে তাকবীর বলা শুরু করে পূর্ণ রুকূ’তে গিয়ে শেষ করা।
২. রুকূ অবস্থায় কমপক্ষে তিনবার “সুবহানা রব্বিইয়াল ‘আযীম: বলা। আর ইমামের জন্য কমপক্ষে পাঁচবার বলা সুন্নত।
৩. হাঁটুদ্বয়, হস্তদ্বয় দ্বারা ধরবে। পুরুষেরা অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে রাখবে। আর মেয়েরা হাঁটুর উপর হাত রাখবে, কিন্তু হাঁটু ধরবে না।
৪. হাঁটুদ্বয় সোজাভাবে রাখবে।
৫. মাথা, পিঠ ও নিতম্বের পিছন পার্শ্ব সোজা করে রাখবে।
৬. রুকূ’ হতে ইমাম ও একা নামাযী “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে উঠবে এবং পুরোপুরি খাড়া হবে ও মাথা সোজা করবে।
৭. মুক্তাদী ও একা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ৫১ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা চিরাচরিত সামরিক কৌশল দিয়ে অসম্ভব। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ৫০ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করতে হবে, তবে তাদের শুধু সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং গুণগত দিক থেকে 'সুপার সোলজার' বা অতি-মানবীয় শক্তিসম্পন্ন করে তুলতে হবে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এত বড় বাহিনীর গতিশীলতা ও আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো- 'মিলিটারি এক্সোস্কেলিটন' প্রযুক্তির সংযোজন। আর এই ব্যয়বহুল ও উচ্চপ্রযুক্তিগত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে প্রতিরক্ষা শিল্পে উদীয়মান বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ক্বমীছ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো- কোর্তা, জামা, ক্বমীছ ইত্যাদি। আর ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় ক্বমীছ বা কোর্তা হলো, যার গেরেবান আছে যা বন্ধ করার জন্য কাপড়ের গুটলী লাগানো হয় যা নিছফুস্ সাক্ব। অর্থাৎ হাটু ও পায়ের গিরার মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত বিলম্বিত। গোল যা কোনা ফাঁড়া নয়, যার আস্তিন আছে, যা অতি সহজেই মানুষের সতর ও ইজ্জত আবরু ঢাকে। ক্বমীছ বা কোর্তা অধিকাংশ সময় সাদা রংয়ের হওয়াই খাছ সুন্নত।
অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া সকল সুন্নত সমূহকে পুনরায় জিন্দা করে জারি করার মহান উদ্দেশ্যে রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা স বাকি অংশ পড়ুন...












