একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ ও নছীহত মুবারক (২)
, ২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
مَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ. وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ
‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল হয়ে যায়, তার জন্য একটা শয়তান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। ঐ শয়তান তাকে গোমরাহ্ করে, সে মনে করে সে হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা যুখরুফ শরীফ: ৩৬-৩৭)
বিষয়টা কিন্তু কঠিন বিষয়। অনেকে রসম-রেওয়াজ যিকির করে। এই রসমী যিকির দিয়ে কোন কাজ হবে না। এটা আমি সব সময় এজন্য বলি। তোমাদের রসমী যিকির দ্বারা কোন কাজ হবে না। তোমরা হাক্বীক্বী যিকির করো। বা’দ ইশা, বা’দ ফযর দুরুদ শরীফ তো অবশ্যই তোমরা প্রতিদিন পড়বে। এখানে কোনো রুখছত নেই। আর পাছ আনফাছটা জারী করার সার্বিক কোশেশ করবে। এটা জারী হয়ে গেলে পরবর্তী সবক্বগুলি করতে থাকো। অন্যথায় শয়তান ওসওয়াসা দিবে। এটা মনে রাখবে। শয়তান ওখানে যেমন ক্বসম করেছে না; এখানেও সে বলেছে। কারণ, সে তো চরম বেইজ্জতী হয়েছে। তার লক্ষ লক্ষ শয়তান মারা গেছে। তাই, এই গোস্বায় সে বলেছে, সবাইকে গোমরাহ্ করবে।
আর সে তো সব সময় কোশেশেই আছে। তাহলে তোমরা যিকির-ফিকির করো না কেন? তোমাদেরকে বার বার বলি যিকির-আযকার করো। যিকির-আযকার না করলে, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার না করলে, তোমরা ঠিক থাকতে পারবে না। ইবলীস তোমাদেরকে ছাড়বে না। এটা মনে রাখবে। এই জন্য দেখো না- অনেকে অনেক দিন থাকার পরে হঠাৎ করে চলে যায়। আমরা কিন্তু কাউকে বিদায় করি না। নিজ থেকে সে চলে যায়। হয় সে গোমরাহ্ হয়ে গেছে; না হয় তার আক্বীদাহ্ নষ্ট হয়ে গেছে। দুইটার একটা। তাকে শয়তান ওসওয়াসা দিয়েছে। শয়তান তো ওসওয়াসা দিতেই থাকে সব সময়। এই ওসওয়াসা থেকে যে বাঁচতে পারবে, সে ঠিক থাকতে পারবে। আর যে বাঁচতে পারবে না, সে তো ঠিক থাকতে পারবে না।
আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوًّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ
‘প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য ঐ পাপীদের থেকে কিছু দুশমন থাকতো, শত্রু থাকতো।’ (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ: ৩১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوًّا شَيَاطِينَ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ
‘প্রত্যেক হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য শত্রু হিসেবে ছিল- মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে শয়তানসমূহ।’ (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: ১১২)
ঐটা শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য না; ধারাবাহিক প্রত্যেক হাদী উনাদের বিরুদ্ধে কিছু শয়তান থাকে উনাদের ক্ষতি করার জন্য। যখন শয়তান সরাসরি উনাদের সাথে পারে না, তখন আশেপাশে যারা থাকে তাদেরকে ওসওয়াসা দেয়। তাদেরকে গোমরাহ্ করতে চায়। বিভ্রান্ত করতে চায়। এখন কেউ যদি এটা থেকে বেঁচে থাকতে পারে, তাহলে সে ইস্তিক্বামত থাকে। আর বেঁচে থাকতে না পারলে, সে তো গোমরাহ্ হয়ে যায়। না‘ঊযুবিল্লাহ!
ঐ দেখো না হযরত ফুযাইল বিন আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট খলীফা। তার যখন ইন্তিকালের সময় হলো, তখন তার মুখ দিয়ে পবিত্র কালিমা শরীফ আসতেছে না। তখন উনাকে জানানো হলো। উনার খানক্বাহ্ শরীফের কাছেই তার বাড়ি ছিলো। জানানো হলো। উনি গেলেন। গিয়ে দেখেন সে আসলেই এলোমেলো কথা বলতেছে। কুফরী করতে করতে সে মারা গেলো। না‘ঊযুবিল্লাহ! যখন সে মারা গেলো, তখন তিনি খুব চিন্তিত হলেন। ব্যাপারটা কি? তার তো হালটা ভালোই ছিলো। যিকির-আযকার করতো। কথাবার্তা তো ভালোই বলতো। এরকম হলো কেন? কিছু দিন পরে উনি স্বপ্নে দেখলেন- সে জাহান্নামের আগুনে দাউদাউ করে জ্বলতেছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! তখন উনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার এই অবস্থা হলো কেন? তোমার তো আমলটা ভালোই ছিলো। কথাবার্তা ভালো ছিলো। তুমি এরকম জাহান্নামী হলে কেন?’ তখন সে বললো, ‘হুযূর! বেয়াদবী মাফ করবেন, বিষয়টা হচ্ছে- আমি তো আপনার দরবার শরীফে গেলে আপনার ছানা-ছিফত করতাম; কিন্তু বাহিরে গেলে আপনার বিরুদ্ধে বলতাম। না‘ঊযুবিল্লাহ! একজন খালিছ ওলীআল্লাহ উনার বিরুদ্ধে বললে যে জাহান্নামে যেতে হয়, সেটা তো তার জানা ছিলো না। এজন্য সে জাহান্নামে গেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
বিষয়টা কিন্তু কঠিন। মনে রাখবে। আক্বীদাহ্ নষ্ট হয়ে গেলে, সে কিন্তু আর হিদায়াতে থাকতে পারে না। সে গোমরাহ্ হয়ে যায়। আর গোমরাহ্ হয়ে গেলে তার শেষ পরিণতি হচ্ছে ঈমান হারা হয়ে মারা যাওয়া। না‘ঊযুবিল্লাহ! এজন্য যিকির-আযকারটা ঠিক রেখো। এজন্য প্রতিদিন আমি বলি যে, বা’দ ইশা, বা’দ ফজর পবিত্র দুরূদ শরীফ ঠিক রাখবে। আর পাছ আনফাছ জারী করার সার্বিক কোশেশ করবে। এটা জারী হয়ে গেলো, পরবর্তী লতীফার সবক্বগুলি করতে থাকো। এটা ফরযে আইন। যিকির করা হলো ফরযে আইন। সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা করো। আমাদের কিতাবগুলি পড়ো। আর বেশি বেশি ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো। এগুলো প্রত্যেকটা ফরযে আইন।
ইবলীস তো ক্বসম করেছে। সে গোমরাহ্ করবেই। এখন সে যদি ক্বসম করেই থাকে, তাহলে তো উল্টাটা করতে হবে। হিদায়াতের উপর থাকতে হবে। ইস্তিক্বামত থাকতে হবে। যিকির-ফিকির করতে হবে। ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতে হবে। অন্যথায় কি করে সে হিদায়াত প্রাপ্ত হবে? ইবলীস তো তাকে ছাড়বে না। সে তো ক্বসম করেছে। তার যে কোশেশ সেই কোশেশ থেকে কিন্তু সে বিরত হয়নি এখনো। এখন হয়তো সে এখানে আশেপাশে ঘুরে না তবে, দূরে দিয়ে ঘুরে। তোমরা যারা থাকো, তোমাদের সাথে কিন্তু শয়তান থাকে। এটা তোমরাও জানো না। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়। যিকির-আযকার না করলে শয়তান তো পালাবে না। শয়তান তো প্রকাশ্যে থাকে না। শয়তান গোপনে থাকে।
يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
‘মানুষের ছুদূরের মধ্যে সে ওসওয়াসা দেয়।’ (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নাস শরীফ : ৫)
ছুদূর হলো ক্বলবের মাক্বামের প্রথম স্তর। এরপর সে আস্তে আস্তে ভিতরে প্রবেশ করে। ছুদূর, নশর, শামস, নূরী, কুরব, মাকীন, নাফসী। ক্বলবের এই সাতটা স্তর। প্রথম হলো ছুদূরের মাক্বাম। ইবলীস প্রথমে ওখানে ওসওয়াসা দেয়। ওখানে যদি যিকির জারী হয়, তাহলে সে আস্তে আস্তে ভিতরে প্রবেশ করে। তারপর যখন সমস্ত শরীরে যিকির জারী হয়ে যায় তখন ইবলীস পালিয়ে যায়। কিন্তু সাধরণ মানুষ যখন যিকির করে, ক্বলব চলে। ঠিকই ক্বলব চলে; কিন্তু এটা হলো প্রথম স্তর। অনেক যিকির করতে হয়। আবার সুলতানুল আযকার জারী হয়ে গেছে বলে। হ্যাঁ; জারী হয়েছে। অর্থাৎ তার সমস্ত শরীরে পশমের গোড়ায় যিকির জারী হয়েছে আর লতীফার মধ্যে জারী হয়েছে। বাকী শরীর কিন্তু খালি থাকে। এজন্য অনেক যিকির করতে থাকলে, একেবারে মাথার তালু থেকে, অর্থাৎ চুল থেকে শুরু করে পায়ের তলা পর্যন্ত যিকির যখন জারী হবে, সমস্ত কলিজা, গুর্দা, মগজ যা আছে, তখন শয়তানটা বের হয়ে যাবে। ওটা হলো ফরযে আইন। এটা আমরা প্রতিদিন বলি।
এখন ইবলীস সে মানুষের যেই জায়গা খালি থাকে যিকির থেকে, ওখানে সে প্রবেশ করে। প্রবেশ করে সে ওসওয়াসা দেয়। আর সাধারণভাবে তো একটা মানুষের সাথে তার নফস আছে। নফস তো তাকে ওসওয়াসা দেয়। আবার নফসের মধ্যে একটা শয়তান আছে। প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম থাকেন, একটা জিন থাকে। জিন শয়তানটা হলো কাফির। ওটা নফসের সাথে মিশ্রিত হয়ে তাকে ওসওয়াসা দেয়। আবার এগুলি যখন সবল হয়, তখন ইবলীসটা ওখানে প্রবেশ করে। ওখানে ওসওয়াসা দেয়। আবার যিকির থেকে গাফিল থাকলে, তার সাথে আরেকটা শয়তান নির্দিষ্ট হয়। এখন এতগুলি শয়তান তার মধ্যে সে কি করে হিদায়াতের উপরে থাকবে? এরপর আবার দুনিয়ার বদ তাছীর আছে। আবার আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী তাদের ওসওয়াসা আছে। তাহলে একটা লোক কি করে হক্বের উপর থাকবে? এজন্য তো আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনি যখন আসলেন, কাঁদলেন ২০০ থেকে ৩০০ বছর। মানুষ তো মুর্খ, জানে না। মনে করেছে- উনি মনে হয় উনার গুনাহ্-খ¦তার জন্য কেঁদেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! আরে উনি কেঁদেছিলেন এই জন্য যে, ইবলীস তো উনার সামনেই বলেছে, ইবলীস উনার সামনেই বলেছে যে, উনার সন্তানদেরকে সে গোমরাহ্ করবে। উনি যমীনে এসে দেখেন অবস্থা কঠিন। এখন যাঁরা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম হবেন, উনাদেরকে তো ইবলীস কিছু করতে পারবে না। মুখলাছ হলে উনাদেরকেও কিছু করতে পারবে না। কিন্তু বাকী যারা আছে, তাদেরকে সে ওসওয়াসা দিবে। ঐজন্য উনি কান্নাকাটি করলেন যে, ‘মহান আল্লাহ পাক! আমার আওলাদদেরকে হিফাযত করুন।’ মহান আল্লাহ পাক বললেন, ‘হ্যাঁ; হিফাযত করা হবে। যারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে, তাদের হিফাযত করা হবে।’ বিষয়টা তো কঠিন। মানুষ তো এই বিষয়টিই বুঝে না। মানুষের যিকির নেই, ফিকির নেই, ছোহবত মুবারক নেই, কি করে সে ইছলাহ্প্রাপ্ত হবে? এটা মানুষের অজান্তেই দেখা যায় তার আক্বীদাহ্টা নষ্ট হয়ে গেছে। অজান্তেই সে কিছু কুফরী করে। এখন সে যদি ইস্তিগফার করে, তওবা করে, তখন সে ইস্তিক্বামত থাকতে পারবে, হক্বের উপর থাকতে পারবে। অন্যথায় ইস্তিক্বামত থাকবে কিভাবে? হক্বের উপর থাকবে কিভাবে? থাকতে পারবে না। থাকতে পারবে না। বিষয়টি কঠিন। যারা যিকির পুরা জারী করতে না পারে, শয়তান তাদের সবাইকে ওসওয়াসা দেয়। একখানা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন,
الشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلَى قَلْبِ ابْنِ آدَمَ
‘শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবের মধ্যে বসে।’
فإذا ذَكَرَ اللَّهَ خنسَ وإذا غفلَ وَسوَسَ
‘যিকির করলে পালিয়ে যায়। আর গাফিল হলেই ওসওয়াসা দেয়।’
এটা তো মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত।”
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (১৫)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত ইত্তিবা’ মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা ব্যতীত কস্মিনকালেও মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক লাভ করা সম্ভব নয়
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫৪)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক নযরে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (১৪)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত যায়িদ বিন হারেছাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বেমেছাল মুহব্বত মুবারক
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৯)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৫৪
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৮)
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭)
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৫৩
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












