SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পানিবন্দি%' OR titleBn LIKE '%পানিবন্দি%' OR descriptionEn LIKE '%পানিবন্দি%' OR descriptionBn LIKE '%পানিবন্দি%' OR slug LIKE '%পানিবন্দি%' OR metaTag LIKE '%পানিবন্দি%' OR metaDescription LIKE '%পানিবন্দি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা:
নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদের মুড়িয়ারহাট এলাকার উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এতে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পাউবোর তথ্যানুযায়ী, উজানের ঢলে জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৮৫ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ৬৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দুধকুমার নদের পানি পাটেশ^রী পয়েন্টে বিপৎসী বাকি অংশ পড়ুন...
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা:
নাগেশ^রীতে দুধকুমার নদের মুড়িয়ারহাট এলাকার উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এতে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পাউবোর তথ্যানুযায়ী, উজানের ঢলে জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৮৫ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ৬৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দুধকুমার নদের পানি পাটেশ^রী পয়েন্টে বিপৎসীমা বাকি অংশ পড়ুন...
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ওইসব জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত ২০ গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলার পাঁচ উপজেলায় বীজতলা, পাট ও শাকসবজি সহ ২০৪ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার কালীগঞ্জ, পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, আদ বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ^রী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ^রী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে
চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি বাকি অংশ পড়ুন...
মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:
দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে জেলার চারটি নদ-নদীতে বেড়েছে পানি। জেলার জুড়ী নদে পনি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া, কুশিয়ারা, মনু ও ধলাই নদেও পানি বেড়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেচে, জেলার মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো বিপৎসীমার বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্য এবং কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া কয়েক দিন ধরে ঝড়-বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত। নদীর পানি ক্রমেই বাড়ছে। সিয়াটল ও টাকোমার দক্ষিণে বসবাসকারীদের ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিমান থেকে তোলা চিত্রগুলোতে দেখা যায়, অনেক কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। নদীর পানি দিয়ে বসতবাড়িগুলোও তলিয়ে গেছে।
টানা ভারি বর্ষণে নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার পশ্চিম-উত্তর আমেরিকায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ওর্টিং নগরীতে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
‘বাজারে মুলা তোলার আগেই সব শেষ হইয়া গেলো, দেখেন ভাই। এই যে জমি, এখন শুধু পানি আর পানি। কথাগুলো বলেছেন রাজশাহীর পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামের কৃষক রাব্বানী মন্ডল। চোখের কোণে অশ্রু, পায়ের নিচে হাঁটুসমান পানি। একসময় যেই জমিতে ভরে উঠেছিল মুলাগাছ, সেই জমি এখন ডুবে আছে বৃষ্টির পানিতে। হাতভর্তি মুলার আশা এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে জমিতেই।
নভেম্বরের শুরুতে অতিবৃষ্টিতে এমন দৃশ্য এখন রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার পানিবন্দি ফসলের মাঠজুড়ে। হঠাৎ টানা দুদিনের অতিবৃষ্টিতে জেলার হাজারো কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। শাকসবজি, ঢ্যাঁড় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবনধারায় গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা নদী। এই নদীকে ঘিরেই এই অঞ্চলের লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা চলে। অথচ উত্তরাঞ্চলের প্রাণ তিস্তা নদী মৃতপ্রায়।
একসময়ের খরস্রোতা এ নদী এখন বছরের অধিকাংশ সময় শুকনো থাকে। বর্ষায় ভাসে, আবার শীতে পরিণত হয় মরুভূমির মতো ফেটে যাওয়া বালুচরে। নদীভাঙন, চর গঠন ও তীব্র পানিসঙ্কটে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ।
অক্টোবরের শেষ ভাগেই পানি শুন্য হয়ে পড়েছে খরস্রোতা তিস্তা। বুক থেকে নেমে গেছে পানি, ফলে মরে গেছে তিস্তা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) বিকেল ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.১৬ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার)। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর ১২টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে ফের বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে তিস্তার পানি। এতে করে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ছে। অবস্থাদৃষ্টে বন্যার আশংকা করা হচ্ছে।
গতকাল গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দুপুর ১২টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.৮ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার), যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার বাকি অংশ পড়ুন...
ফেনী সংবাদদাতা:
বছরের পর বছর ফেনীর হাজার হাজার পরিবারের করুণ দশার কারণ এখন বাঁধ। প্রতি বছর মেরামত হলেও মেলে না স্থায়ী সমাধান। প্রতিবারই আশ্বাস দিয়ে দায় এড়িয়ে যায় সংশ্লিষ্টরা। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ কোটির বেশি টাকা গচ্ছা গেছে শুধু মেরামতেই। ২০২৪ এর ভয়াবহ বন্যার বছর না যেতেই আবারো একই দশা।
নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে এখনো জনপদে ঢুকছে পানি। গত ৭ জুলাই রাত থেকেই শুরু হয় এই ভাঙন। পানির প্রবল তোড়ে তছনছ হয় চারপাশ। চোখের নিমিষেই গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যায়, পানিবন্দি হন ১১২টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। পানি নেম বাকি অংশ পড়ুন...












