SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পলিনেট%' OR titleBn LIKE '%পলিনেট%' OR descriptionEn LIKE '%পলিনেট%' OR descriptionBn LIKE '%পলিনেট%' OR slug LIKE '%পলিনেট%' OR metaTag LIKE '%পলিনেট%' OR metaDescription LIKE '%পলিনেট%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ক্যাপসিকাম প্রধানত উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার পেরু অঞ্চলের কৃষিপণ্য হিসেবে পরিচিত এবং ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের ক্যাপসিকামই বিশ্বজুড়ে চাষাবাদ হচ্ছে।
বাংলাদেশে এর চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষি বিভাগ বলছে, ২০১৪-১৫ সালের দিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম বাজারে আসতে শুরু করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবেই এর উৎপাদন বেড়ে চলেছে।
দেশের ভোলা, সিলেট, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা, কুড়িগ্রাম ও যশোর অঞ্চলের কিছু জেলা ও উপজেলায় ক্যাপসিকামের চাষ হচ্ছে। চলতি বছর কুমিল্লাসহ আরও কয়েকটি জায়গায় প্রথমবারের মতো ক্যাপসিকাম চাষের তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
জয়পুরহাট সংবাদাদতা:
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় স্থাপিত ‘পলিনেট হাউজ’ এখন স্থানীয় কৃষকদের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপাদিত উন্নতমানের চারা রোপণ করে উচ্চফলনশীল ফসল ফলিয়ে লাভের নতুন পথ খুঁজছেন চাষিরা।
রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত এই পলিনেট হাউজে প্রতিদিন ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষক। গুণগত মান ভালো হওয়ায় এখান থেকে চারা নিয়ে ভালো ফলন পেয়েছেন অনেক কৃষক।
নওগাঁর মথুরাপুর ইউনিয়ন থেকে আসা কৃষক সামছুল হক বলেন, এখানে আসছি চারা নিতে। গ্রিন বল বেগুনের চা বাকি অংশ পড়ুন...
যশোর সংবাদদাতা:
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের ছেলে বিল্লাল পঞ্চম শ্রেণির পর অর্থাভাবে পড়াশোনা ছাড়েন। দিনমজুরির কাজ করতেন, কখনো ফসল পাহারা দিতেন, কখনো দোকানে কাজ করতেন ১০ টাকার মজুরিতে। ২০১০ সালে বছরে ৩ হাজার টাকায় জমি বন্ধক নিয়ে বাঁধাকপি চাষ শুরু করেন। বাবার অনুপ্রেরণায় ২০২০ সালে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে ছোট শেড বানিয়ে চারা উৎপাদন শুরু করেন। কিন্তু ঝড়ে শেড ভেঙে যায়। পরে ২০২২ সালে কৃষি বিভাগ ক্লাইমেট স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২০ শতাংশ জমিতে তাকে পলিনেট হাউস তৈরি করে দেয়। বাকি অংশ পড়ুন...
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা:
পলিনেট হাউজে প্লাস্টিকের ট্রেতে সারিবদ্ধভাবে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির সবজির চারা। বর্তমান সময়ের অত্যাধুনিক কৃষি চাষ পদ্ধতি এটি। এসব চারার সঙ্গে মাটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে মাটির স্পর্শ ছাড়াই প্লাস্টিকের ট্রেতে জৈবসার মিশ্রণ ও নারিকেলের ছোবড়ার মধ্যে বীজ বপণ করে চারা উৎপাদন করা হয়। এ পদ্ধতির নাম কোকোপিট।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা যায়, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ভাটই বাজারের পাশে টাইটান এগ্রো নামে নার্সারিতে পলিনেট শেডের চারদিকে নেট (জাল) দিয়ে ঘিরে কোকোপিট পদ্ধতিতে চারা উৎ বাকি অংশ পড়ুন...
নাটোর সংবাদদাতা:
সাদা রংয়ের পলিনেট হাউসের ভেতর মাচায় ঝুলে আছে থোকা থোকা মিষ্টি আঙুর। আর সবুজ পাতার মাঝে উঁকি দিচ্ছে কোথাও লাল, আবার কোথাও হলুদ-সবুজ রঙের মিশ্রণের আঙুর।
খেতে কোনোটা মিষ্টি আবার কোনোটা হালকা টক-মিষ্টি। এসব আঙুর দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও বেশ মজার।
আর আঙুরের এ বাগান দেখলে যে কারোরই মনে হবে এটা বুঝি বিদেশের কোনো বাগান। আগে মানুষের ধারণা ছিল, আঙুর একটি বিদেশি ফল, এ দেশে চাষ করলে হয় টক। কিন্তু সেই ধারণা পাল্টে দিয়ে মিষ্টি আঙুর চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নাটোরের বাগরোম গ্রামের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আমজাদ হোসেন।
শহ বাকি অংশ পড়ুন...
পলিনেট হাউস হচ্ছে নেট, পলি এবং স্টিলের অবকাঠামো দিয়ে তৈরি চাষযোগ্য কৃষিঘর। চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরা হয়। আর ওপরের অংশে থাকে পলিথিন। পলিনেট হাউস তৈরি করতে প্রয়োজন তাপমাত্রা সহনশীল বিশেষ পলিথিন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী মেশিন। এর সাথে জৈব সার আর নারিকেলের ছোবড়া পেচিয়ে বিশেষ উপাদান তৈরি করতে হয়। ভেতরে যেসব সবজির আবাদ করা হবে, সেগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর এর ভেতরের অংশে চাষাবাদের জন্য পলিমাটি, ভরাট বালি, ছাই, গোবর সার, খৈলসহ নানা উপকরণ মিশ্রণে প্রস্তুত করা হয় চাষের জমি। সেখানে পলিথিনের আচ্ছাদন ব্যবহার কর বাকি অংশ পড়ুন...












