SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR titleBn LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR descriptionEn LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR descriptionBn LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR slug LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR metaTag LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%' OR metaDescription LIKE '%নূরে-মুজাসসাম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ইসমে জাত বা নাম মুবারক উনাকে সম্মান করার গুরুত্ব ও ফযীলত:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَمَنْ كَانَ لَه اِبْنٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا فَـلْيُكْرِمْهُ وَلَا يَضْرِبْهُ اَمَّا يَسْتَحْى اَحَدُكُمْ اَنْ يَّـقُوْلَ يَا مُحَمَّدُ ثُـمَّ يَضْرِبُه (نَجَا)
অর্থ: কোনো ব্যক্তির একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলো। সে তার নাম রাখলো মুহম্মদ। তাহলে তার দায়িত্ব হচ্ছে, ঐ সন্তানকে সম্মান করা, প্রহার না করা। জেনে রাখুন! কোনো ব্যক্তি যদি ঐ সন্তানকে ইয়া মুহম্মদ বলে সম্বোধন করতে এবং তাকে প্রহার করতে লজ্জা বোধ করে তাহলে সে অবশ্যই নাজাত লাভ করবে। সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিন্দিগী মুবারক দু’ভাগে বিভক্ত। ১. ব্যক্তিগত যিন্দিগী, ২. নুবুওওয়াতী যিন্দিগী। তাদের এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক? দয়া করে জানাবেন।
জাওয়াব:
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আশ্চর্য শব্দটার কাছেও আশ্চর্য,
দুঃখ শব্দটার জন্যও - দুঃখবোধ,
আক্ষেপ শব্দটার জন্যও - আক্ষেপের কথা হলেও
এটাই সত্যি যে, অনেক মুসলমান আমাদের নবী ও রসূল, আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوٰى. اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْىٌ يُّوْحٰى
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত নিজ থেকে কোনো কথা মুবারক বলেন না, কোনো আমল মুবারক করেন না, কোনো সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নজম শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْاَقَاوِيْلِ. لَاَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِيْنِ. ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِيْنَ. فَمَا مِنْكُمْ مِّنْ اَح বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত- এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার চেতনা আজ মুসলমানদের মাঝে খুবই কম। মায়ের ‘মা’ বা বাবার ‘মা’ অর্থাৎ নানী-দাদী তাদেরকে স্মরণের অনুভূতি আরো কম। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে মা বাকি অংশ পড়ুন...
শৈশবকাল থেকেই সন্তানকে ব্যক্তিত্ব বা আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন হওয়ার শিক্ষা দান করতে হবে (৩য় অংশ):
সম্মানিত ইসলাম আত্ম অহঙ্কার ও আত্মহীনতা উভয়কে হারাম করেছেন। অহঙ্কার বা গর্ব শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্যই প্রযোজ্য। ইহা উনাদের বিশেষ শান মুবারক। মানুষ মাখলূক্ব। মাখলূক্ব সসীম। নিজের খেয়াল-খুশি মত এক ফোটা রক্ত কিংবা রক্তের উপাদান সৃষ্টি করতে পারে না। এক্ষেত্রে মানুষ যদি অহঙ্কারী হয় তাহলে كبر (কিব্র) বা অহঙ্কার শব্দের অমর্যাদা হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, দুনিয়াতে কেউ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘মুহম্মদ’ নাম মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আহমদ’ নাম মুবারক রাখে তাহলে ওই ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন পোড়াবে না। অর্থাৎ সে জান্ন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মি’রাজ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ ইবরাহীম তাজীবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَاجِبٌ عَلى كُلِّ مُؤْمِنٍ مَتَى ذَكَرَه اَوْ ذُكِرَ عِنْدَه اَنْ يَّخْضَعَ وَيَخْشَعَ وَيَـتَـوَقَّـرَ وَيَسْكُنَ مِنْ حَرَكَتِه وَيَاْخُذَ فِىْ هَيْـبَتِه وَاِجْلَالِه بِـمَا كَانَ يَاْخُذُ بِه نَـفْسَه لَوْ كَانَ بَـيْنَ يَدَيْهِ وَيَـتَاَدَّبَ بِـمَا اَدَّبَـنَا اللهُ بِه
অর্থ: প্রত্যেক মু’মিনদের জন্য আবশ্যক হচ্ছে, যখন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আলোচনা করবেন বা উনার নিকট আলোচনা করা হবে তখন তিনি নত হবেন, একাগ্রচিত্তে আলোচনা শুনবেন, সম্মান প্রদর্শন করবেন, সমস্ত প্রকার নড়াচড়া থেকে শান্ত হয়ে যাবেন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...












