নাইজারে দ্বীন ইসলামের ইতিহাস সুপ্রাচীন। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উকবা বিন আমের রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে নাইজারে দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছড়িয়ে পড়েছিল।
অন্যদের মতে, হযরত উকবা বিন নাফে রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে ৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে নাইজারের মানুষ দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানতে পেরেছিল। তিনি মরু অঞ্চলে বিজয়াভিযান শুরু করেন। ‘কাওয়ার’ শহর বিজয়ের আগ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। নাইজারের কাওয়ার শহরটি লিবিয়া সীমান্তে অবস্থিত। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় নাইজারে হিজরী প্রথম শতকেই ইসলামের আলো পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তাদের কাছে যে কিতাব আছে তার সত্যায়ণকারী স্বরূপ আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি হিফাযতকারীরূপে। অতঃপর আপনি তাদের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব অনুসারে ফায়ছালা করুন। আপনার কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বর্তমান যুগকে বলা হচ্ছে অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগ। স্যাটেলাইট, ইন্টারনেট, ফেইসবুকসহ অনেক তথ্যভান্ডার সম্পর্কে প্রায় সবাই অবগত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যে কোনো প্রবাহকেই কিন্তু ঘুরিয়ে দেয়া যায়। এবং ঘুরিয়ে দেয়া হয়ও। এক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান রুশ ফেডারেশনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ‘তাতারস্তান’-এর পূর্ব নাম বুলগার বা ভলগা বুলগেরিয়া। খ্রিস্টাব্দ সপ্তম শতকে ভলগা ও কামা নদীর অববাহিকা বুলগার রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। তবে রাষ্ট্রটি গঠন হওয়ার পরই ইহুদী কাজারদের সঙ্গে অবিরাম সংঘাতসহ দীর্ঘ সংকট ও যুদ্ধের ভেতর দিয়ে যায় রাষ্ট্রটি। অবশেষে খ্রিস্টাব্দ ৯২২ সালে আব্বাসীয় শাসক মুকতাদিরের সাহায্যে দেশটির অবস্থা স্থিতিশীল হয় এবং এ সময় দেশটির জনসাধারণও দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। বুলগাররা মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত। তবে তারা নিজেদের বুলগার বলতেই পছন্দ করে।
ভলগাপারে সম্মানিত দ্বী বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত সম্মানিত দ্বীন হচ্ছেন পবিত্র ইসলাম।” আর ‘ইসলাম’ অর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা তা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللّٰهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَنْ يَشَاءُ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান উনাকে রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: ১০৫)
এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী ও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে আখাছ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম হিসেবে মনোনীত করেই সৃষ্টি মু বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোতে নিরাপত্তা প্রধানের নানাবিধ দায়িত্ব ছিলো। বিজিত সকল অঞ্চলগুলোতে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা; সামাজিক বিধিনিষেধ রক্ষা করার জন্য উনারা নানা কৌশল ও পদ্ধতি অবলম্বন করতে বাকি অংশ পড়ুন...












