SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তাকবীরে%' OR titleBn LIKE '%তাকবীরে%' OR descriptionEn LIKE '%তাকবীরে%' OR descriptionBn LIKE '%তাকবীরে%' OR slug LIKE '%তাকবীরে%' OR metaTag LIKE '%তাকবীরে%' OR metaDescription LIKE '%তাকবীরে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
‘ছলাতুল খওফ’ উনার হুকুম আহকাম নাযিল:
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে-
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله تعالى عنهما، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَصَفَّنَا صَفَّيْنِ صَفٌّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْعَدُوُّ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَكَبَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَكَعَ وَرَكَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَرَفَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ وَقَامَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ فِي نَحْرِ الْعَدُوِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السُّجُودَ وَقَامَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ انْحَدَرَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ بِالس বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ
(দু‘আ ও ক্বিরায়াত)
জায়নামাযের উপর দাঁড়িয়ে দুয়া
اِنِّـىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا اَنَا مِنَ الْـمُشْرِكِيْنَ.
অর্থ : নিশ্চয়ই আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরিয়েছি ঐ মহান সত্তা উনার দিকে- যিনি আসমান ও যমীনসমূহকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই।
তাকবীরে তাহরীমা
اَللهُ اَكْبَرُ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি সবচেয়ে বড় বা শ্রেষ্ঠ।
ছানা
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِـحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْـمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
অর্থ : হে মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা বর বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা মূলত অন্যান্য মাযহাবের দলীল। অর্থাৎ অন্যান্য মাযহাবের ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। আর আমাদের হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদী শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা শরীফই নয়, মূলত কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
এলোরে কুরবানীর ঈদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
কুরবানীর ঈদ!
লেগেছে দেখো ফের ধুম
এসেছে ত্যাগের মৌসুম
আনন্দে পূর্ণ হৃদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
প্রতিটি মহল্লায় হাট
জমেছে বড় বিরাট
দু’চোখে নেইযে নিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
পছন্দের পশু কিনবো
মালা সাজিয়ে আনবো
খুশি করবো খরিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
তাকবীরে তাশরীকের শান
আল্লাহু আকবারের টান
রঞ্জিত মুজাহিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
সুন্নতি মর্জি মাফিক
উৎসবে রত আশিক
তাড়াতে দিল মারিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র নামাযের ওয়াজিবসমূহ :
সম্মানিত নামাযের ওয়াজিবগুলো প্রায় ফরযের মতোই গুরুত্ব বহন করে, যে কারণে ওয়াজিব ব্যতীত শুধু ফরয পালন করেই নামায আদায় করলে নামায পূর্ণভাবে আদায় হয় না। ইচ্ছাকৃত কোনো ওয়াজিব তরক করলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। আর ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব।
ওয়াজিবসমূহ হলো:
১. ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকায়াতে এবং বিতির, সুন্নত ও নফল নামাযের মধ্যে প্রত্যেক রাকায়াতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের সাত আয়াত শরীফ ৭টি ওয়াজিব।
২. পবিত্র সূরা ফাতি বাকি অংশ পড়ুন...












