SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তাকবীরে%' OR titleBn LIKE '%তাকবীরে%' OR descriptionEn LIKE '%তাকবীরে%' OR descriptionBn LIKE '%তাকবীরে%' OR slug LIKE '%তাকবীরে%' OR metaTag LIKE '%তাকবীরে%' OR metaDescription LIKE '%তাকবীরে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
এলোরে কুরবানীর ঈদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
কুরবানীর ঈদ!
লেগেছে দেখো ফের ধুম
এসেছে ত্যাগের মৌসুম
আনন্দে পূর্ণ হৃদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
প্রতিটি মহল্লায় হাট
জমেছে বড় বিরাট
দু’চোখে নেইযে নিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
পছন্দের পশু কিনবো
মালা সাজিয়ে আনবো
খুশি করবো খরিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
তাকবীরে তাশরীকের শান
আল্লাহু আকবারের টান
রঞ্জিত মুজাহিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
সুন্নতি মর্জি মাফিক
উৎসবে রত আশিক
তাড়াতে দিল মারিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র নামাযের ওয়াজিবসমূহ :
সম্মানিত নামাযের ওয়াজিবগুলো প্রায় ফরযের মতোই গুরুত্ব বহন করে, যে কারণে ওয়াজিব ব্যতীত শুধু ফরয পালন করেই নামায আদায় করলে নামায পূর্ণভাবে আদায় হয় না। ইচ্ছাকৃত কোনো ওয়াজিব তরক করলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। আর ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব।
ওয়াজিবসমূহ হলো:
১. ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকায়াতে এবং বিতির, সুন্নত ও নফল নামাযের মধ্যে প্রত্যেক রাকায়াতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের সাত আয়াত শরীফ ৭টি ওয়াজিব।
২. পবিত্র সূরা ফাতি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের আরকান সম্পর্কিত মাসয়ালা :
১) তাকবীরে তাহরীমা: ‘আল্লাহু আকবার’ এই কালাম দ্বারা নামায আরম্ভ করা হয়, এই প্রথম কালামই তাকবীরে তাহরীমা। এ তাকবীর বলার সাথে সাথে নামাযীর জন্য যাবতীয় পার্থিব কাজ যথা-পানাহার, কথা বলা ইত্যাদি হারাম হয়ে যায়। সেজন্যই উক্ত তাকবীরকে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলা হয়।
যদি কেউ ‘আল্লাহু’ শব্দের-আ-অক্ষরটিকে টেনে উচ্চারণ করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে নামায আরম্ভ করে, তার নামায শুদ্ধ হবে না। ইমামের তাকবীরে তাহরীমার পরপরই মুক্তাদীর তাকবীরে তাহরীমা বলতে হবে। ইমামের পূর্বে মুক্তাদী তাকবীর বললে, মুক্তাদীর নাম বাকি অংশ পড়ুন...
শামিয়ানা বানিয়ে সাজিলো
দরবারে মুরশিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন
আজ আমাদের ঈদ
জড়োয়া নূরে বিশ্ব জুড়ে বইছে ইতমিনান
বাদশাহী নীড়ে একাধারে এলো খুশিরবান
নতুন ভোরে সবে ধরে নও কাছীদার লেহান
আনন্দে দিওয়ানা আশিকের আঁখিতে ইসমিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন আজ আমাদের ঈদ
সুলতানি সাজে জাহান মাঝে জান্নাতি উৎসব
সাইয়্যিদি নাজে হৃদয় ভাজে ইশকের অনুভব
মুসলিম সমাজে শাহী তেজে সকলে সরব
তাকবীরে মুখর হলো আবার সুন্নতি মাসজিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন আজ আমাদের ঈদ
মাদানী পাড়ায় নিশান উড়ায় আমিল আঞ্জুমান
রসূলী ধারায় এলেন ধরায় এক জোড়া মেহমান
চন্দ বাকি অংশ পড়ুন...
শাহী হেরেমের ইলাহী নাজ
আওলাদে শাহযাদী ছানী -
আপনি হক্বের সওগাত জানি
মহা আনন্দ ধরণীতে আজ।
কোমল দেহ, কমল সাজ
কোমলতা চায় দিশেহারা উম্মত -
হে আওলাদে রসূল, দিন হিম্মত
ঘোচাতে আজ বাতিলের রাজ।
হে খোদ মাহবুবী তাজ
রহমত রয় আপনার শীরে -
নিয়ামত বিনে যাবো না ফিরে।
কাঙ্গাল কেবল চেয়ে আপনার মি’রাজ।
রাজারবাগের হে রাজাধিরাজ
আওলাদে শাহদামাদ ছানী -
নকশায়ে নবী, ফযল এ লোহানী
বঙ্গ মুলুকের মামদূহী সিরাজ।
আজ জ্বলে উঠুক সকল সিরাজ
ভুলে যাক সবে দ্বন্দ্ব সংঘাত -
দুঃখ কষ্ট যাক নিপাত।
জোরসে উঠুক তাকবীরের আওয়াজ।
-সৈয়দা শায়লা মুরশেদ।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামায উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ বাকি অংশ পড়ুন...












