(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা পবিত্র সুন্নত হবে সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র ঈদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ফজর নামায আদায় করে পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করতেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর হলে বিজোড় সংখ্যক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর মুবারক খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিনে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদের নামায আদায় কর বাকি অংশ পড়ুন...
খুশির কলতান-আক্বা
মাদানী মেহমান-আক্বা
বলো আশিকান......
আসসালামু আলাইকুম
শাহযাদায়ে মুহতারাম
শুভ শাহী মীলাদে
জানাই সু-স্বাগতম....
(আক্বা আক্বা আক্বা)
শাহযাদা সারওয়ার, শাহযাদা সারওয়ার
তাকবীরের নাড়া, জবান পর সাড়া
আসমানের তারা, লাজুক মনকাড়া
ইশকের ইশারা, নিয়ামত ধারা
আনন্দে ফের ধুম....
ছানা ছিফত সারাক্ষণ
হরেক রকম আয়োজন
আজ এসেছেন নব নূর
তোপ ধ্বনিতে সম্ভাষণ
রঙ ছড়িয়ে জাফরানি
এলেন মাওলা আসমানি
শাহানশাহী তাশরীফে
নও সাজে আজ ধরণী
খুশি জীন ইনসান-আক্বা
শামসী নূর ছড়ান-আক্বা
বলো আশিকান......
কালো জুব্বায় আবৃত
দেখে সবাই মোহিত
নয়-ই রমাদ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কে?
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের একমাত্র ইবনুন (ছেলে সন্তান) হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনাদের উভয়ের দিক থেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ বা বংশধর।
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মসজিদের ভিতরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করার ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তসম্মত ফায়সালা কি?
জাওয়াব: (৩য় অংশ)
আর সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قوموا لله قانتين
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য একান্ত আদব ও বিনয়ের সাথে দাঁড়াও।” (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩৮)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় “বাহরুর রায়িক” কিতাবের ১ম খ-ের ২৯০ ও ২৯২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قوله فرضها التحريمة ... والقيام لقوله تعالى وقوموا لله قانتين اى مطيعين والـمراد به القيام فى الصلاة باجماع المفسرين وهو فرض فى الصلاة.
অর্থাৎ “নামাযের ফরযসমূহের মধ্যে প্রথমটি হলো তাকবীর বাকি অংশ পড়ুন...
ঐ কুলি ছেলেটি আবার মাছটা নিয়ে বাড়ীতে পৌঁছায়ে দিয়ে পারিশ্রমিক নেয়ার পর বললো, আমাকে তাহলে এখন চলে যাওয়ার এজাযত দেন।
কিন্তু বুযুর্গ ব্যক্তির স্ত্রী ঘটনাটা শুনার পর বললেন, তাহলে এক কাজ করেন, এই কুলি ছেলেটাকে দাওয়াত দেন। সেও আমাদের সাথে মাছ খাবে।
কিন্তু সেই কুলি ছেলেটি বললো, আমি একবার যেখানে যাই দ্বিতীয়বার সেখানে যাই না আর আমি আজকে রোযা। তখন সেই বুযুর্গ ব্যক্তি বললেন, তাহলে তুমি এক কাজ করো, আমাদের সাথে ইফতারী করে যাও। সে বললো, তাহলে আমি আপনাদের বাড়ীর নিকটে যে মসজিদ, সেখানে অপেক্ষা করতে থাকি। মাগরিবের ওয়াক্ত হলে ইফতারীর পরে খাওয়া-দ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কিছু বাতিল ফিরকা বের হয়েছে তারা প্রচার করে বেড়াচ্ছে, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, আমাকে তোমরা যেভাবে নামায পড়তে দেখেছো সেভাবে নামায আদায় করো। তাছাড়া বাজারে বদ আক্বীদা ও বাতিল ফিরক্বার কিছু বইপত্র বের হয়েছে যাতে লিখা হয়েছে, ‘পুরুষ ও মহিলার নামায আদায়ের পদ্ধতি একই রকম। কোনরূপ প্রভেদ বা পার্থক্য নেই। ’ এ বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা কি হবে?
জাওয়াব:
বাতিল ফিরকার উক্ত বক্তব্য এবং লেখা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ তথা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ইমাম ও ফক্বীহ্গণের মত ও পথের স বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৬৪. প্রসঙ্গ : দোয়াল্লীনকে যোয়াল্লীন পড়লে নামায ফাসেদ হয়ে যায়
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : আরবী ‘দোয়াদ’ অক্ষরটিকে ‘যোয়াদ’ উচ্চারণ করতে হবে। সূরা ফাতিহা-এর ‘দোয়াল্লীন’কে ‘যোয়াল্লীন’ পড়তে হবে। নচেৎ নামায হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : আমাদের হানাফী ক্বারী এবং রাবীগণ উনাদের মতে এবং আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া মতে ‘দোয়াদ’কে ‘যোয়াদ’ আর ‘দোয়াল্লীন’কে ‘যোয়াল্লীন’ পড়া নাজায়িয ও হারাম এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণ। এটার উপরই ফতওয়া। এর বিপরীত মত পোষণকারীরা বাতিল ও গোমরাহ্।
[এ সম্পর্কে বিস্তারিত বাকি অংশ পড়ুন...
শাহরুল আযম, সাইয়্যিদুশ শুহুর, শাহী রবীউল,
আলিশান অতুল, অরাউল অরা আবাদুল আবাদুল।
সাইয়্যিদুল কামিলুন বাশার, ইলাহী ইশকের বাহার,
আলিশান প্রকাশ গ্রহণে বেমেছাল মুবারক শান উনার।
বেমেছাল শানে শানদার হয়ে শামসে সাইয়্যিদী,
খুশির খুশিতে উজালা করেন তামাম ধরণী।
জান্নাতী সাজে সজ্জিত ধরণী, ফের অপেক্ষমান,
ইলাহী ইশকের আশিক আশিকা উনারাও হাজিরান।
সপ্তম তারকা দিবসে নিবেন, উম্মুল উম্মী তাশরীফান,
আহলান সাহলান সেই তাকবীর ধ্বনী, আজো অনির্বাণ।
গগণ বিদারী তাকবীরে প্রকম্পিত ছিলো সারা জাহান,
শুধু কি একটি নুরানী ঘরে? শুধু কি একটি মহান পরিবারে?
আ বাকি অংশ পড়ুন...












