SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তরতীব%' OR titleBn LIKE '%তরতীব%' OR descriptionEn LIKE '%তরতীব%' OR descriptionBn LIKE '%তরতীব%' OR slug LIKE '%তরতীব%' OR metaTag LIKE '%তরতীব%' OR metaDescription LIKE '%তরতীব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
الطلاق (তালাক ) শব্দের অর্থ- বন্ধনমুক্ত হওয়া, সম্পর্ক ছিন্ন করা।
শরীয়তের পরিভাষায়, নির্ধারিত শব্দের মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করাকে তালাক বলা হয়।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
تزوجوا ولا تطلقوا فان الطلاق يهتزله عرش الرحمن
অর্থ : সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা বিবাহ করো তালাক্ব দিও না। কেননা তালাক্ব দিলে মহান আল্লাহ পাক উনার আরশ মুবারক কেঁপে উঠে।
অর্থাৎ প্রয়োজনে চারটি বà বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৫. আমার হামিদকে গিয়ে বলো:
ফয়সালের চেহারা আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠলো, সুলতান আবেগ তাড়িত কন্ঠে আবার বললেন, পুনরায় বলো বৎস! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কী বলেছেন?
ফয়সাল আবারও উত্তর দিলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সà বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ উনার ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই ব্যক্তির অনুসরণ করুন, যিনি আমার দিকে রুজু হয়েছেন।” একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’ উনার গুরুত্ব অপর বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
(১০ম পর্ব)
একইভাবে যদি আমরা ফিকির করি, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত কতটুকু? একখানা সুন্নত মুবারক উনার মর্যাদা এতো বেশি! যে, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকলের আমল অনন্তকালের জন্য সকলের আমল এক পাল্লায় দিলে আর একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে আরেক পাল্লায় যদি দেয়া হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পাল্লাই বেশি ভারী হবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক অনুযায়ী যদি বোঝার কোশেশ করি, তাহলে সুন্নতী আমলের কতটুকু গুরুত্ব রয়েছে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পর্ব)
আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠানো হইছে-
لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ
যেন তোমরা ঈমান আনতে পারো যিনি খলিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। ঈমান আনাটা, উনার খেদমত মুবারক আনজাম দেয়া, ছানা-ছিফত করা, তা’যীম তাকরীম মুবারক করা, সবটাই। আর উনার যে বিষয়গুলি, এ বিষয়গুলি সব সময় আনজাম দেয়া।
এখন আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত করা হইছে-
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের মাকরূহসমূহ
যেসব কাজ করলে গুনাহ হয়, ছওয়াব (নেকী) কমে যায়, অবশ্য নামায নষ্ট হয় না, তাকে মাকরূহ বলা হয়। এইসব কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত।
১. নামাযের মধ্যে শরীর বা পরিধানের কাপড় নিয়ে খেলা করা।
২. সিজদায় যাওয়াকালে সম্মুখের বা পিছনের দিক হতে কাপড় গুটিয়ে নেয়া।
৩. সদলে ছাওব করলে অর্থাৎ কাপড় বা রুমালকে মাথা বা কাঁধে রেখে পেঁচানো ব্যতীত তার দু’মাথা দু’দিকে ঝুলিয়ে দিলে।
৪. আস্তিন উপরে উঠিয়ে নামায পড়া।
৫. ইস্তিঞ্জা ও বায়ুর বেগ থাকা সত্ত্বে¡ও নামায পড়া।
৬. কঙ্কর সরিয়ে দেয়া। কিন্তু সুন্নত অনুসারে সিজদা আদায় না হলে, একবার তা ঠবাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইমাম ‘রব্বানা লাকাল হাম্দ’ বলবে না এবং মুক্তাদীগণ ‘সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে না। তৎপর ধীর স্থিরভাবে সিজদায় ঝুঁকবার সাথে সাথে আল্লাহু আকবার বলতে বলতে যাবে। সিজদাতে প্রথমে দু’হাঁটু, তারপর দু’হাত, পরে নাক ও কপাল দু’হাতের মধ্যস্থলে মাটিতে রাখবে, যেনো হাতের বৃদ্ধা অঙ্গুলিদ্বয় কানের বরাবর থাকে।
সিজদায় দু’হাতের অঙ্গুলিগুলোকে মিলিয়ে রাখবে এবং হাত ও পায়ের অঙ্গুলিগুলো ক্বিবলা উনার দিকে করবে। দু’হাতের তালুর উপর ভর দিবে, দু’বাজুকে দু’পার্শ্বদেশ হতে পৃথক রা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
পবিত্র নামায আদায় করার ইচ্ছা করলে, প্রথম পবিত্র নামাযের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার আঙ্গুল হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়াতে হবে। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয় সেভাবে দাঁড়াবে।
পবিত্র নামাযের নিয়ত করে দু’হাত উঠিয়ে দু’টি বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা দু’কানের লতি স্পর্শ করবে, মাথা সোজা রাখবে। স্ত্রীলোক হলে তার অঙ্গুলিগুলোর অগ্রভাগকে দু’কাঁধের বরাবর উঠাবে। দু’হাত উঠাবার সময় অঙ্গুলিগুলোকে à বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...












