SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তওবাকারীকে%' OR titleBn LIKE '%তওবাকারীকে%' OR descriptionEn LIKE '%তওবাকারীকে%' OR descriptionBn LIKE '%তওবাকারীকে%' OR slug LIKE '%তওবাকারীকে%' OR metaTag LIKE '%তওবাকারীকে%' OR metaDescription LIKE '%তওবাকারীকে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মহান আল্লাহ পাক তিনিই বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে কেউ যাতে নিরাশ না হয়। বান্দা যতই ভুল করুক যদি সে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা চায় মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে অবশ্যই ক্ষমা করবেন। এজন্যই কবি উনার কবিতায় বলেন-
بازآ بازآ هر آں چه هستی باز آ
گر کافر وگر و بت پرستی باز آ
ایں درگاه ما درگاه نو امیدی نیست
صدبار گر توبه شکستی باز آ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ফিরে আসো তুমি ফিরে আসো, যে কেউ তুমি হওনা কেন ফিরে আসো।
তুমি কাফির হও, মজুসী হও, মূর্তিপূজক হও তবুও তুমি ফিরে আসো,
যিনি খ্বালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার যে দরবার শরীফ এ বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَعَالىٰ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِىْ وَرَجَوْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا اُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوْبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ وَلَااُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ لَوْ لَقِيْتَنِىْ بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيْتَنِىْ لَا تُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا لَاَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি তওবাকারীকে মুহব্বত করেন। ” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “গুনাহ থেকে তওবাকারী ব্যক্তি যেন কোনো গুনাই করেননি। ” সুবহানাল্লাহ!
এজন্য পৃথিবীর সমস্ত মুসলমানদের উচিত বেশি বেশি করে তওবা করা।
মুসলমানদের আরেকটি করণীয় আবশ্যকীয় কাজ হচ্ছে- কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের সাথে সম্পর্ক না রাখা। তাদেরকে মুহব্বত না করা, তাদের অনুসরণ, অনুকরণ না করা, তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা। কেন বাকি অংশ পড়ুন...
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর”। কেমন ভয় করতে হবে? হাক্বীকী ভয় করতে হবে।
اولئك هم المفلحون অর্থাৎ তারাই কামিয়াব হয়েছে, যাঁরা তাক্বওয়া অর্জন করেছে। এখন اولئك هم المفلحون কামিয়াবীর যে তাক্বওয়া সেটা কেমন তাক্বওয়া? এ প্রসঙ্গে একটা মেছাল দেয়া হয়। اولئك هم المفلحون তারা কামিয়াব হয়েছে। ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীকত হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ওয়াকেয়া উল্লেখ করা হয়। উনার প্রতিবেশীর মধ্যে শামাউন নামে একজন মজুসী (অর্থাৎ অগ্নি উপাসক) ছিল এবং সে ব্যক্তি সত্তর বছর হায়াত পেয়েছে। তার যখন মৃত্যুর সময় হলো, তখন এক ব্যক্তি সংবাদ দি বাকি অংশ পড়ুন...












