SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জার্মানী%' OR titleBn LIKE '%জার্মানী%' OR descriptionEn LIKE '%জার্মানী%' OR descriptionBn LIKE '%জার্মানী%' OR slug LIKE '%জার্মানী%' OR metaTag LIKE '%জার্মানী%' OR metaDescription LIKE '%জার্মানী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থই হচ্ছে সালাম বা শান্তি। তাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে ফিৎনা-ফাসাদ, মারামারি, কাউকে অন্যায়ভাবে হতà বাকি অংশ পড়ুন...
আবু মুহম্মদ জাবির ইবনে আফলাহ (হিজরী ৪৯৩-৫৪৪; খ্রি: ১১০০-১১৫০) ছিলেন মুসলিম স্পেন আল আন্দালুসিয়ার সেভিলের আরব মুসলিম মহাকাশ বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ। উনার অনবদ্য কৃর্তী ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’। এই কিতাব ৯টি খন্ডে বিভক্ত ছিল। এছাড়াও গণিতের উপর তিনি ‘ফীশ শাকলিল ক্বত্ত্বা’ লিখেছিলেন। উনার জন্মস্থান সম্পর্কে তেমন জানা যায় না। তবে উনার নাম আল ইশবিলি নির্দেশ করে যে তিনি সেভিলের বাসিন্দা ছিলেন।
জাবির ইবনে আফলাহ তিনি উনার কিতাব ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’তে টলেমির আলমাজেস্টের সমালোচনামূলক বক্তব্য পেশ করেন।
মূলত: তিনি আল মাজেস্টের গাণিতিক ভিত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
কালোজিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেল-এর কারণে হাঁপানী উপশম হয়। জার্মানী গবেষকরা বলেছে, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরী বাড়িয়ে দেয়।
আমেরিকার গবেষকরা কালোজিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেয়। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদনকà বাকি অংশ পড়ুন...
আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘১০০% হালাল সাবান’ বাজার থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। হারিয়ে যাওয়ার পেছনের কারণটিও অতি গোপন রাখা হয়েছে, যে কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই জানে না- হালাল সাবান কি বা হারাম সাবান কি? এই নিবন্ধে বিষয়টি পরিস্কারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
বাজারে আমরা যত গোসলের সাবান দেখি, সেগুলো প্রায় শতভাগই তৈরি হয় প্রাণীজ চর্বি দিয়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- তাহলে এগুলো কোন প্রাণীর চর্বি দিয়ে তৈরি হচ্ছে? গভীর অনুসন্ধানে গেলে এর উত্তর পাওয়া যায়- সব সাবানই শুকরের চর্বি দিয়ে তৈরি হয়।
আশি ও নব্বইয়à§ বাকি অংশ পড়ুন...
খোদায়ী আযাব-গযবের কারণে ইহুদীরা কখনই কোনো ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেনি। যার কারণে এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ইহুদীরা স্থানীয় ভাষায় কথা বলা ও স্থানীয় রীতিনীতিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তবে যে দেশেই বা ভূখন্ডে এরা বসবাস করতো সেই ভূখন্ডের মানুষদের প্রতি এদের কোনো আন্তরিকতা ছিলো না। এদের মূল লক্ষ্যই ছিলো কিভাবে অধিক সম্পদ উপার্জন করা যায়। তাই বিভিন্ন দেশের বিপদের সময় এরা কখনোই সেই দেশের পক্ষে হয়ে কাজ করতো না। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিতো। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে বারবার এদের বিতাড়িত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় বন্দী মুসলিম (খ):
মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি রুশ নেতৃবৃন্দ। দ্বীন ইসলাম যাতে প্রচারিত এবং প্রসারিত না হতে পারে তার জন্য কয়েকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলো রাশিয়া। মসজিদ ও মাদরাসার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রায় ৮ হাজার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আইন এবং মুসলিম রীতিনীতি স্থায়ীভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হল। হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস করা হয়। সারা দেশের ২৬ হাজার মসজিদের মধ্যে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত টিকে ছিলো মাত্র তেরশ মসজিদ। মসজিদগুলà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আজকে মুসলমানরা কুরআন শরীফ এবং সুন্নাহ শরীফ উনার মূল ধারক বাহক তথা মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের লক্ষ্যস্থল হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের গোলামী থেকে গাফিল হওয়ার কারণে সারা বিশ্বব্যাপী কল্পনাতীত জুলুম নির্যাতনের শিকার।
এখানে আমরা সারা বিশ্বব্যাপী দেশে দেশে যে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে তা নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
রাশিয়ার বন্দী মুসলিম:
মধ্য এশিয়ার বিশাল এলাকা জুড়ে মুসলমানদের বসতি গড়ে উঠেছিল দ্বীন ইসলামের সেঠবাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ পবিত্র শাবান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করেছে ২৯ রজবুল হারাম শরীফ-১৪৪৭ হিজরী, ২১ ছামিন-১৩৯৩ শামসী, (১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ঈসায়ী), ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। সেদিন বাংলাদেশের দিগন্তরেখার ০৪ ডিগ্রী ৫৮ আর্ক মিনিট উপরে ছিলো চাঁদের অবস্থান এবং চাঁদের বয়স ছিলো ১৬ ঘণ্টা ১৪মিনিট। ঢাকায় সূর্যাস্ত ছিলো ৫ টা ৩৫ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ছিলো ৬টা ০৪ মিনিটে অর্থাৎ ০ ঘন্টা ২৯ মিনিট চাঁদ আকাশে অবস্থান করে অস্ত গেছে। চাঁদ ছিলো ২৪৩ ডিগ্রী আযিমাতে এবং সূরে্যর অবস্থান ছিলো ২৪৮ ডিগ্রী আযিমাতে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ ০৭ ডিগ্রী ১৮ আ বাকি অংশ পড়ুন...












