মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রু কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।”
আমেরিকা, ইসরাইল, ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী অর্থাৎ ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, ভারত, মায়ানমারসহ সমস্ত বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। কেননা এরাই সারাবিশ্বের মুসলিম এবং অমুসলিম দেশগুলোতে অন্যায়ভাবে কোটি কোটি মুসলমানদেরকে শহীদ করেছে এবং করছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই সন্ত্রাসী তালিকার প্রথম কাতারেই এসব দেশের নাম রয়েছে।
অতএব, সারাবিশ্বের সকল মুসলমান সরকার ও জনগণের জন্য ফরয হচ্ছে¬- ঐক্যবদ্ধভাবে কাফির-মুশরিকদের সন্ত্রাসীমূলক কর্মকা-গুলো প্রতিহতকরণে এগিয়ে আসা। পাশাপাশি মুসলমানদের প্রতি যুলুম বন্ধ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সাথে সর্বপ্রকার রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং তাদের পণ্যসমূহ অবশ্যই বর্জন করা।
, ২৬ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৯ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৮ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থই হচ্ছে সালাম বা শান্তি। তাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে ফিৎনা-ফাসাদ, মারামারি, কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা, গালি দেয়া, ঝগড়া করা ইত্যাদি হারাম হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করো না।’ আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “কোনো মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসিক্বী কাজ আর কোনো মুসলমানকে হত্যা করা কুফরী।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মুসলমান ঐ ব্যক্তিই যার যবান ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হলো যে, সম্মানিত ‘ইসলাম’ হচ্ছেন শান্তির দ্বীন। আর মুসলমান হচ্ছেন শান্তিপ্রিয়। প্রকৃত মুসলমান কখনোই সন্ত্রাসী কর্মকা-ে জড়িত হতে পারে না। সম্মানিত ইসলাম এবং মুসলমান নাম দিয়ে যারা সন্ত্রাসী কর্মকা- করছে তারা নিঃসন্দেহে মুনাফিক্ব, কাফির, মুশরিক ও নাস্তিক। তারা সম্মানিত ইসলাম উনাকে সন্ত্রাসী ধর্ম আর মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী বানানোর উদ্দেশ্যে এবং ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি করার লক্ষ্যেই ইসলাম ও মুসলমানের লেবাসে এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে আমেরিকা, ইসরাইল, ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী অর্থাৎ ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, ভারত, মায়ানমারসহ সমস্ত বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। কেননা এরাই সারাবিশ্বের মুসলিম এবং অমুসলিম দেশগুলোতে অন্যায়ভাবে কোটি কোটি মুসলমানদেরকে শহীদ করেছে এবং এখনো করছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিশ্বের কুখ্যাত সন্ত্রাসী দেশের তালিকার শীর্ষে কাফির-মুশরিকের দেশের নামই উল্লেখ রয়েছে, কোনো মুসলমান দেশের নাম উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে কাফির ও মুশরিক তথা সমস্ত বিধর্মী দেশগুলোই সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত। আর প্রত্যেক বিধর্মীই সন্ত্রাসী, চরমশ্রেণীর সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের মধ্যে কিছু সংখ্যক উল্লেখ করা হলো- যেমন,
আমেরিকা: ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, আলজেরিয়া, ইয়েমেন, পাকিস্তানসহ সারা বিশ্বে কোটি কোটি মুসলমানকে শহীদ করার জন্য দায়ী এ সন্ত্রাসী মার্কিন রাষ্ট্র।
ইসরাইল: পরগাছা এ রাষ্ট্রটি তার আশ্রয়দাতা ফিলিস্তিনের মুসলমানদের উপর দীর্ঘদিন ধরে যুলুম নির্যাতন করে যাচ্ছে, গাজার মুসলমানদের শহীদ ও নির্বাসন করে দিয়ে দখল করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে, মুসলমানদের মাল-সম্পদ আত্মসাত করছে, প্রতিনিয়ত মসজিদ ধ্বংস করছে, প্রতিদিন অসংখ্য মুসলমানকে শহীদ করছে এ দখলদার, সন্ত্রাসী, পরগাছা অবৈধ রাষ্ট্র।
ভারত: মুশরিক নিয়ন্ত্রিত এ রাষ্ট্রটি প্রকৃতপক্ষে নিকৃষ্ট সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। এখানে সামান্য ‘গরুর গোশত আছে’- এ অজুহাতে মুসলমানদের প্রাণ দিতে হয়, এখানে কবর থেকে মুসলিম নারীর লাশ তুলে সম্ভ্রমহরণ করা হয়। নাউযুবিল্লাহ! মসজিদগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর থেকে যতগুলো দিন গেছে তার থেকে বেশি সংখ্যক মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা করেছে এ দেশের উগ্রহিন্দু সন্ত্রাসীরা। নাউযুবিল্লাহ!
মায়ানমার: বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা সরকারিভাবে দেশটিতে মুসলমানদের উপর জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে অসংখ্য মুসলমানকে শহীদ করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের দেশছাড়া করছে। নাউযুবিল্লাহ!
চীন: এ দেশটি সরকারিভাবে মুসলমানদের উপর যুলুম নির্যাতন করে। উইঘুরের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর এ দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার করে যাচ্ছে। এমনকি মুসলিম দমনে চীন তার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় বোমা পর্যন্ত ফুটিয়েছে। মুসলমানদের শরীয়ত পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। নাউযুবিল্লাহ!
রাশিয়া: এ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রটি এখনও তার চেচনিয়া, দাগিস্তান, ইঙ্গোশেটিয়া, কার্বডিন বলগারিয়া, আদিগিয়া, উত্তর ওশেটিয়া, কারাচাই-সার্কিজিয়া বাশকুরুতুস্তান (বাশকেরিয়া), তাতারিস্তান, শোভাচিয়া, মর্ডোভিয়া, ওডমোর্টিয়া, মারিয়েল, ওরাম্বার্গ-উপলাস্ট এলাকার মুসলমানদের উপর চরম যুলুম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
ব্রিটেন: কুখ্যাত এ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকার অন্যতম বুদ্ধিদাতা ও সহযোগী হিসেবে কাজ করে। একদিকে এই সন্ত্রাসীরা মুসলমানদেরকে যেমন- যুলুম করে যাচ্ছে। অপরদিকে বিশ্বজুড়ে ইসলাম ও মুসলিমদের সম্পর্কে বিদ্বেষ ও সন্ত্রাসীমূলক কার্যক্রম ছড়াতে এ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রটি শীর্ষে।
থাইল্যান্ড: বৌদ্ধ নিয়ন্ত্রিত এ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রটি সরকারিভাবে পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত অঞ্চলের মুসলমানদের উপর যুলুম নির্যাতন করে যাচ্ছে।
ফ্রান্স: সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ফ্রান্স সরকারিভাবে মুসলমানদের উপর তার দমন-নিপীড়ন চালায়। মুসলিম মহিলাদেরকে বোরকা পরতে বাধা দেয়, মুসলমানদের হালাল খেতে বাধা দেয়, মুসলমানদেরকে মসজিদ নির্মাণ করতে বাধা দেয়। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মানহানী করে ব্যঙ্গকার্টুন ছাপায়। নাউযুবিল্লাহ!
ফিলিপাইন: মিন্দানাও প্রদেশের মুসলমানদের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতে সর্বদা সিদ্ধহস্ত ফিলিপাইনের সরকার। প্রতিদিন খবরের পাতা খুললেই চোখে পড়ে ফিলিপাইনে মুসলিমদের শহীদ করার খবর। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অতএব, সারাবিশ্বের সকল মুসলমান সরকার ও জনগণের জন্য ফরয হচ্ছে¬- ঐক্যবদ্ধভাবে কুখ্যাত সন্ত্রাসী কাফির-মুশরিকদের সন্ত্রাসী কর্মকা-গুলো প্রতিহতকরণে এগিয়ে আসা। পাশাপাশি মুসলমানদের প্রতি যুলুম বন্ধ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সাথে সর্বপ্রকার রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং তাদের পণ্যসমূহ বর্জন করা। অর্থাৎ তাদেরকে কোনোভাবেই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই দুআ মু’মিনের তরবারী বা অস্ত্র স্বরূপ। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে মুসলমানদের জন্য নেক দুআ এবং ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে শক্ত বদ দুআ করা।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রবীউছ ছানী শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১২ই খমীস ১৩৯৪ শামসী, ১১ই অক্টোবর ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দিবাগত সন্ধ্যায়। প্রতি আরবী মাসের বিশেষ বিশেষ দিনসমূহ সম্পর্কে জানার জন্য বর্ষপঞ্জিকার ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৩শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উক্ত দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার মুবারক গোলামীতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল বুলন্দী শান মুবারকে বেয়াদবী ও মানহানীকারী প্রত্যেকেই কাট্টা মুরতাদের অন্তর্ভুক্ত। এদের প্রত্যেকের জন্য শরয়ী শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সরকারের জন্য আদিবাসী শব্দের অপব্যবহারে নিরব ভূমিকা পালন করা মোটেই কাম্য নয়। তাই অবিলম্বে সরকারকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। যে সমস্ত উপজাতিগুলো নিজেদেরকে ‘আদিবাসী’ বলে দাবি করছে এবং যারা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে আদিবাসী বলে সম্বোধন করছে বা সমর্থন করছে, তারা অবশ্যই দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এবং তারা দেশদ্রোহী হিসেবেও সাব্যস্ত হয়েছে। পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কোনভাবেই ‘আদিবাসী’ বলে সম্বোধন করা যাবে না।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোনো ব্যক্তি আমার প্রতি মুহব্বতের সাথে পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করলে তা আমি সরাসরি শুনি এবং আমি পাঠকারীদেরকে চিনি।’ সুবহানাল্লাহ!
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, আত্বওয়ালু ইয়াদান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ১৮ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং অষ্টম হিজরী শতাব্দির মুজাদ্দিদ, হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা ও অনুসরণ করা।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য হালাল কামাই করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। সুবহানাল্লাহ! গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা হযরত সাইয়্যিদ আবূ ছালেহ মূসা জঙ্গী দোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হালাল রিযিককে গুরুত্ব দেয়া ও হালাল খাদ্য খাওয়ার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ঘরে গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহ উনাকে পাঠিয়েছেন।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য হালাল কামাই করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। সুবহানাল্লাহ! গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা হযরত সাইয়্যিদ আবূ ছালেহ মূসা জঙ্গী দোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হালাল রিযিককে গুরুত্ব দেয়া ও হালাল খাদ্য খাওয়ার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ঘরে গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহ উনাকে পাঠিয়েছেন। যার থেকে সকলকেই ইবরত-নছীহত হাছিল করতে হবে। অর্থাৎ সকলকেই হালাল কামাই করতে হবে এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খেতে হবে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ইবনু খলীফাতিল উমাম আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক উনার দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












