জন্মান্ধ ও মাজুর ছেলের আরোগ্য লাভ:
একটি লম্বা দস্তরখানা বিছানো হলো, যার উপর বিভিন্ন খাবার রাখা হলো। ঢাকনা দেয়া একটি বড় পাত্রও দস্তরখানার এক কিনারে রাখা হলো। অতঃপর দাওয়াতকারী আবু গালেব ফজলুল্লাহ বিন ইসমাইল বললেন, ‘খাওয়া শুরু করতে পারেন। সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার মাথা মুবারক অবনত করে রাখলেন। তিনি নিজেও খেলেন না এবং অন্যদেরকেও খেতে বললেন না। সবাই একেবারে নিশ্চুপ বসে রইলেন।
কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে ও আলী হায়তী উনাকে সেই ঢাকনা দেয়া বড় পাত্রটি উনার সামনে নিয়ে আসার জন্য বললেন। আমরা গিয়ে পাত বাকি অংশ পড়ুন...
কারামত বা অলৌকিক ঘটনা:
পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
من عاد لى وليا فقد اذنته بالحرب
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার ওলী উনার সাথে বিদ্বেষভাবাপন্ন হয়, তার সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করি। ” (বুখারী শরীফ)
কেননা সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, গাউছুল আ’যম, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কারামতকে অস্বীকার করার কারণে কত লোক যে গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট হয়েছে তার বর্ণনা দিলে স্বতন্ত্র একটি গ্রন্থ রচিত হবে। সঙ্গতকারণে এখানে তার বর্ণনা দেয়া যাচ্ছে না।
ওলীআল্লাহ হওয়ার জন্য কারামত প্রকাশ পাওয়া শর্ত নয়। ত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযা শরীফ সম্পর্কে বিভিন্ন কিতাবে উল্লে¬খ আছে। উনার কতিপয় সম্মানিত মু’জিযা শরীফ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
(১) বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার জন্য একদিন তৎকালীন যালিম শাসক উনাকে স্বীয় দরবারে তাশরীফ নেয়ার জন্য আরজী পেশ করে। তিনি উনার সময় মতো যালিম শাসকের দরবারে তাশরীফ মুবারক রাখেন। উনার উপস্থিতি দেখে যালিম শাসক স্বীয় আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে উনাকে সম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
সরকারের হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। দাবী করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে নাকি সমাজে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। মিডিয়াতেও হিজড়াদের নিয়ে অনেক ধরনের প্রচারণা আছে, যার মূল উদ্দেশ্য তাদের প্রতি মানুষের সহানুভূতি তৈরী করা। কিন্তু আসলেই কি তৃতীয় লিঙ্গ ঘোষণা করে তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন হয়েছে, নাকি তাদেরকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে?
প্রকৃত অর্থে কেউ যদি হিজড়াদের জন্য কিছু করতেই চায়, তবে তাকে আগে জানতে হবে, হিজড়াদের সমস্যাটা আসলে কী? পৃথিবীতে জন্মের সময় সকল শিশুই সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে জন্ম নেয় না। কিছু শিশু জন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযা শরীফ সম্পর্কে বিভিন্ন কিতাবে উল্লে¬খ আছে। উনার কতিপয় সম্মানিত মু’জিযা শরীফ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
(১) বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার জন্য একদিন তৎকালীন যালিম শাসক উনাকে স্বীয় দরবারে তাশরীফ নেয়ার জন্য আরজী পেশ করে। তিনি উনার সময় মতো যালিম শাসকের দরবারে তাশরীফ মুবারক রাখেন। উনার উপস্থিতি দেখে যালিম শাসক স্বীয় আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে উনাকে সম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশের পর)
মেষটা আবার যিন্দা হয়ে গেলো। তিনি মেষপালককে মেষটা ফেরত দিয়ে বললেন, ‘তোমার থেকে আমি যে মেষ নিয়েছিলাম, তা শোধ করে দিলাম। ’ সুবহানাল্লাহ! তারপর হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম সেই লোকটিকে বললেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কসম, যে মহান আল্লাহ পাক এই মুর্দা মেষটাকে যিন্দা করে দিলেন! তোমার সাথে তো দ্বিতীয় আরেকটা রুটি ছিল। সেটা কোথায় গেলো বলো দেখি?’ লোকটি বললো, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কসম, আমার সাথে কোনো দ্বিতীয় রুটি নেই। ’ হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম আর কিছু না বলে চলতে থাকলেন।
হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে একটা আ বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ আবুল হাসান আলী কবশী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- ৫৪৭ হিজরীতে আমি ও শায়েখ আলী বিন হায়তী সাইয়্যিদুল আওলিয়া হযরত শায়েখ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ বসা ছিলাম। তখন হযরত আবু গালেব ফজলুল্লাহ বিন ইসমাইল রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে এক ব্যবসায়ী উনার নিকট এসে বললেন, হুযূর! বেয়াদবি ক্ষমা চাই! আপনার নানাজান নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন- ‘যদি কেউ দাওয়াত দেয়, তা কবুল করা উচিত।’ আমি আপনাকে আমার গরিবালয়ে দাওয়াত দিচ্ছি। তিনি বললেন- যদি অনুমতি বাকি অংশ পড়ুন...
.“অবশ্যই এই ঘটনাসমূহের মধ্যে রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য নছীহত।” (সূরা ইউসুফ শরীফ: ১১১)
“পূর্ববর্তীদের ঘটনাসমূহ পরবর্তীদের জন্য নছীহত স্বরূপ”
ঘটনা-৪২: একটি রুটি ও তিনটি স্বর্ণের ইট
মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম, উনার প্রতি নাযিলকৃত কিতাব ইনজিল শরীফ অনুসারে তিনি মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত দিতেন। এই উদ্দেশ্যে সারা এলাকা তিনি সফর করে বেড়াতেন। একদিন সফর করতে করতে তিনি এক স্থানে গিয়ে পৌঁছালেন। সেখানে একজন ইহুদী লোক ছিল। সে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনাকে বললো, ‘হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম! আম বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ আবুল হাসান আলী কবশী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- ৫৪৭ হিজরীতে আমি ও শায়েখ আলী বিন হায়তী সাইয়্যিদুল আওলিয়া হযরত শায়েখ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ বসা ছিলাম। তখন হযরত আবু গালেব ফজলুল্লাহ বিন ইসমাইল রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে এক ব্যবসায়ী উনার নিকট এসে বলে লন, হুযূর! বেয়াদবি ক্ষমা চাই! আপনার নানাজান নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন- ‘যদি কেউ দাওয়াত দেয়, তা কবুল করা উচিত।’ আমি আপনাকে আমার গরিবালয়ে দাওয়াত দিচ্ছি। তিনি বললেন- যদি অনুমতি বাকি অংশ পড়ুন...












