SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জনৈক%' OR titleBn LIKE '%জনৈক%' OR descriptionEn LIKE '%জনৈক%' OR descriptionBn LIKE '%জনৈক%' OR slug LIKE '%জনৈক%' OR metaTag LIKE '%জনৈক%' OR metaDescription LIKE '%জনৈক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে ফল গ্রহণ (আহার মুবারক) করেছেন এবং তিনি অত্যন্ত পছন্দ মুবারক করতেন। এমনকি তিনি হযরত ছাহবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকেও ফল খাওয়ার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ ফল খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক।
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনিও ফল খাওয়ার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
كُلُوْا مِنْ ثَمَرِهٖ اِذَا اَثْمَرَ وَاٰتُوْا حَقَّهٗ يَوْمَ حَصَادِهٖ وَلَا تُسْرِفُوْا اِنَّهٗ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِيْنَ ﴿١٤١﴾
অর্থ: “য বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা মূলত অন্যান্য মাযহাবের দলীল। অর্থাৎ অন্যান্য মাযহাবের ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। আর আমাদের হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদী শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা শরীফই নয়, মূলত কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
একাটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে যখন প্রকাশ্য দিবালোকে জাতীয় নিরাপত্তা ও দ্বীনি অনুভূতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়, তখন সচেতন মহলের নীরবতা কেবল বিস্ময়করই নয় বরং উদ্বেগজনক। সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কথিত পৃথিবীর বৃহত্তমা। রাম মূর্তি স্থাপনের আজলে জনৈক হরিদাস চন্দ্র (সাবেক তাওহীদ- যাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব সংকটের অভিযোগ উঠেছে তার কর্মকা- যে কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতারণা ও ছদ্মবেশের ইতিহাস:
হরিদাস কেবল এক লুটেরা ব্যক্তি নয়, বরং তার অতীত অপরা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ ইয়ামুল জুমুয়াহ পবিত্র আছর নামায উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক হাজার সৈন্যসহ পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা হন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ঘোড়া মুবারকের উপর ছাওয়ার হন। হযরত সা’দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত সা’দ ইবনে উবাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বর্ম পরিহিত অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কারশী মজ্জুব ছিলেন এক মহান বুযুর্গ। তিনি সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও যিকির-ফিকিরে নিমগ্ন থাকতেন এবং সংসারের প্রতি উনার কিছুমাত্র আগ্রহ ছিল না। বিবাহের প্রচ- আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেবল এই কারণে তিনি বিবাহ করেননি যে, “আমার দ্বারা হয়ত অপরের কষ্ট হবে।” কিন্তু জীবনের শেষভাগে এসে তিনি সকলের অনুরোধে বিবাহ করতে সম্মত হন। অতঃপর নিজের মুরীদগণকে বললেন, তোমরা আমার জন্য পাত্রী দেখ। তবে পাত্রীকে পূর্বাহ্নেই আমার বিস্তারিত অবস্থা জ্ঞাত করানোর পর উনার মতামত চাইবে। আমার জীবনের অবস্থা জানার পর যদি কেউ আমার নেকাহে আসতে সম্মত হয়, তবে তো ভাল; অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দু’খানা বিশুদ্ধ এবং দলীলসমৃদ্ধ। যেমন প্রথম হাদীছ শরীফখানা উনার মূল বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট খাদিম। তিনি সুদীর্ঘ দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল ছিলেন সাইয়্যিদুনা হযরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম। উনার সময়ের একটি ঘটনা। জনৈক এক ব্যক্তির বাড়ির পাশে ছিল একটি গাছ। সেই গাছে ছিল একটি পাখির বাসা। সেই বাসায় পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে অভিযোগ করল। সাইয়্যিদুনা হযরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম তিনি লোকটিকে ডেকে নিষেধ করে বললেন, আর কোনো দিন যেন ঐ পাখির ডিম সে না খায়। সাইয়্যিদুনা হযরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
তাদের অর্থ উপার্জনের দ্বিতীয় সূত্র ছিলো, রাজস্ব আদায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ। কিন্তু উপরে বর্ণিত হয়েছে কিভাবে নিম্নপদস্থ হিন্দু রাজস্ব আদায়কারীগণ কোম্পানীর অনুগ্রহে এক লাফে মুসলমানদের জমিদারীর মালিক হয়ে বসে।
লর্ড মেটকাফ ১৮২০ সালে মন্তব্য করে, দেশের জমি-জমা প্রকৃত মালিকের নিকট থেকে কেড়ে নিয়ে একশ্রেণীর বাবুদের নিকটে হস্তান্তরিত করা হয়- যারা উৎকোচ ও চরম দুর্নীতির মাধ্যমে ধনশীল হয়ে পড়েছিলো। এ এমন এক ভয়াবহ নির্যাতনমূলক নীতির ভিত্তিতে করা হয় যার দৃষ্টান্ত জগতে বিরল। -(E. Thompson The life of Charls Lord Metcalfe; A.R. Mallick : British Policy and the Muslims of Bengal).
ঊনবিংশ শতাব বাকি অংশ পড়ুন...












