আল ইহসান ডেস্ক:
কলকাতার রাজপথে এক ভয়াবহ ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী হলো হিন্দুত্ববাদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শাগুফতা পারভীন নামে এক মুসলিম নারীকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে সিদ্ধার্থ চারিওয়াল নামে এক উগ্রতাবাদী হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে।
গত ৬ এপ্রিল এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই নারী। তবে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো এড়িয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
ঘটনাটি শুরু হয় গত ৪ এপ্রিল। কলকাতার প বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রোববার রাতে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “গত ইয়াওমুল জুমু‘আহ্ শরীফ। জুম বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন খিলজী সালতানাতের। সে সময় দিল্লীর ক্ষমতায় সুলতান জালালুদ্দিন খিলজী। যিনি ইতিহাসবিখ্যাত সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর শশুর। তিনি সে সময় কোড়া অঞ্চলের প্রশাসক ছিলেন। এ সময় তিনি দেবগিরি আক্রমন করেন এবং প্রচুর সম্পদ অর্জন করেন।
সম্পদগুলো অর্জন করার পর তিনি দরবার ডাকেন এবং দরবারে আমন্ত্রন জানান তৎকালীন বিশিষ্ট আলিম এবং কাজী মুহম্মদ মুগিসউদ্দিনকে। আলাউদ্দিন খিলজী কাজী মুগিসউদ্দিনকে প্রশ্ন করেন, আমি দেবগিরি বিজয় করে যেসব সম্পদ পেয়েছি তা আমি আমার নিজের কাছেই রেখেছি। এটা কি সালতানাতের কোষাগারে দেয়ার প্রয়োজন আছে কি?
উত্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ইবলিস ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু ইবলিস সবচাইতে বেশী খুশি হয় কিসে জানা আছে? ইবলিসের মজলিশ বসে প্রতিদিন। যেমন- আলিম-ওলামাদের মজলিশ বসে থাকে। ঠিক তদ্রুপ ইবলিসের মজলিশ বসে থাকে পানির উপরে। প্রতিদিন দিনের শেষে বসে ইবলিসের মজলিশ। সে বসে তাদের সকলকে নিয়ে, যারা তার খাছ শারগেদ রয়েছে, অর্থাৎ বিশিষ্ট শয়তান যারা রয়েছে, তারা তার মজলিশে হাজিরা দেয়, উপস্থিত হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরে ইবলিস সবাইকে জিজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি কষ্ট দিয়েছিলো কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ইহুদী নাছারারা। কিন্তু ইহুদী-নাছারা, কাফির, মুশরিকদের থেকেও বেশি কষ্ট দিয়েছিলো মুনাফিকরা। কারণ কাফির-মুশরিকরা যে মুসলমানদের শত্রু এটা স্পষ্ট; কিন্তু মুনাফিকরা মুসলমানদের মধ্যে অবস্থান করে চু-চেরা করা, ওয়াসওয়াসা দেয়া ও চুপেচুপে ষড়যন্ত্র করা ইত্যাদি আরো বেশি কষ্টদায়ক। এজন্য এদেরকে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলা হয়েছে এবং এদের শাস্তি জাহান্নামে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের ফযীলত মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “যে ব্যক্তি জানাযার নামাযে শরীক হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে উহুদ পাহাড়ের সমান ছাওয়াব দান করবেন। যে ব্যক্তি জানাযার পর দাফন কার্যে শরীক হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে দুই পাহাড় পরিমাণ ছওয়াব দান করবেন।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শরীক করেনি এমন চল্লিশজন মুসলমান কোন মৃতের জানাযায় শরীক হলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের বরকতে উক্ত মৃতকে ক বাকি অংশ পড়ুন...
যখন এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলেন তখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে বিষয়টা বললেন যে, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। কি পবিত্র আয়াত শরীফ? এই বিষয়টার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য, উম্মাতকে বুঝানোর জন্য। উম্মত যে আসলে মূর্খ এদেরকে ইলিম দেয়ার জন্য তিনি প্রথমে বললেন, হে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম! আমি আপনাকে বলব একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ? তিনি বললেন, কথা আছে এখানে, কি কথা? ইয়া রসূলাল বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “ইদানিংকালে দেখা গেছে অতীতের অনেক আওলিয়ায়ে কিরাম, চিনা-অচিনা, জানা-অজানা উনারা অনেকে আসেন, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
কয়েকদিন আগে হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...












