রমাদ্বান শরীফ মাসে দিনে রোযা রেখে ইফতারের সময় সঠিক খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ ও সচল থাকার জন্য ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, রোযায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কম খাবার খাওয়া উচিত। তাই ইফতারের খাবার নির্বাচনে সচেতন হওয়া দরকার।
পর্যাপ্ত পানি ও স্বাস্থ্যকর পানীয়:
ইফতারের সময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া খেজুর ভেজানো পানি দ্রুত শক্তি যোগায় ও হজমে সহায়ক। ডাব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) বর্তমানে সারা দেশে ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর-এই পাঁচটি পণ্যের একটি প্যাকেজ ৫৯০ টাকায় বিক্রি করছে।
সংস্থাটির ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি, এক কেজি ছোলা ও আধা কেজি খেজুর কিনতে পারছেন। প্রতি লিটার তেলের দাম রাখা হচ্ছে ১১৫ টাকা। এ ছাড়া প্রতিকেজি চিনি ৮০, মসুর ডাল ৭০, ছোলা ৬০ ও আধা কেজি খেজুরের দাম ৮০ টাকা। সব মিলিয়ে এক প্যাকেজ পণ্য কিনতে খরচ হয় ৫৯০ টাকা।
বাজার দরে সমপরিমাণ বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পৃষ্ঠার পর)
আনুগত্যতার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা ইউনূস শরীফের ৬৪ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا لِيُطَاعَ بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ
রসূলগণ উনাদেরকে প্রেরণ করাই হয় আনুগত্য করার জন্য। অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
তোমরা যদি মু’মিন হয়ে থাকো তাহলে তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উনাদের আনুগত্য করা। এখান থেকে সুস্পষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ কুয়েত। এই দেশে রোজাদারেরা ইফতারে বসে যে খাবার খান তাতে খাবারের ভিন্ন স্বাদ, ইতিহাস ও রেওয়াজের সমাহার লক্ষ করা যায়।
কুয়েতি পরিবারের ইফতারে ঐতিহ্যবাহী ও পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে মচবুস অন্যতম। এটি কুয়েতের জাতীয় থালার অন্যতম। মচবুস মূলত সুগন্ধি ভাত ও গোশতের মিশ্রণ। সাধারণত মুরগি বা দুম্বার মিশ্রণে তৈরি করে। এতে বিভিন্ন মসলা দারুচিনি, এলাচ, শুকনো লেবু স্বাদ মিশে থাকে। এটি ইফতারের মূল খাবারের মতো পরিমাণে পরিবেশিত হয়।
থাকে হারিস, যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। হারিস হলো গম ও গোশত ধীরে ধীরে রান্না করে তৈরি একটি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন।
তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা এ উদ্যোগের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে, সে বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে ইদানীং বাচ্চাদের হাঁপানি অনেক বেড়ে গেছে। বাচ্চাদের কোমল পানীয়ে ব্যবহৃত আরেকটি অনুমোদিত হলুদ রং ইয়েলো-৭-জি’সহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়ে ব্যবহৃত রংগুলো এজন্য প্রধানত দায়ী। বিজ্ঞানীরা বাচ্চাদের হার্টের অসুখের সাথেও এখন এসব রং এর সম্ভাব্য সম্পর্ক খতিয়ে দেখছে। অথচ দুঃখের কথা হচ্ছে যে, আমাদের দেশে বাচ্চাদের খাদ্য ও পানীয়গুলোতেই রং বেশি বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলো খেয়ে কত বাচ্চা যে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকার তার কোনো নজরদারী করছে না, দায়ভার নিচ্ছে না।
আমাদের বাজারে ভারতীয় অজস্র কোম্পানির পাশাপাশি আইসিআই, বায়ার, বাকি অংশ পড়ুন...
আগে থানকুনি পাতার খুব কদর ছিলো। শরীর সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি নেই। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে এর উপকার বলে শেষ করা যাবে না। দেখে নিন থানকুনি পাতার উপকারিতা-
১. ঠান্ডা কাশি কমাতে: থানকুনি পাতার রস খুবই উপকার। তবে মধুর সঙ্গে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য অসুখ সারাতে সাহায্য করে। তুলসি ও গোল মরিচ দিয়ে থানকুনি পাতা খেলে তা ঠান্ডা এবং জ্বরও নিরাময় করে। গলা ব্যথা এবং কাশি নিরাময়ের জন্য, থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করুন।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রমজান মাস শুরু হতে না হতেই রাজধানীর অন্যতম প্রধান পাইকারি ও খুচরা বাজার- কারওয়ান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বিশেষত ইফতারের উচ্চচাহিদাসম্পন্ন পণ্য-ছোলা, চিনি, খেজুর, শসা, লেবু ও ডালের দাম ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোলা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগের তুলনায় কিছুটা বেশি। প্যাকেটজাত চিনি ১০০-১০৫ টাকা এবং খোলা চিনি ১১০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে ডালের দাম ১২০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি।
এক হালি করে লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২ বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুর সংবাদদাতা:
পবিত্র রমজান মাস এলেই যখন বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ ওঠে, তখন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আবারও সামনে এলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহআলম। টানা চতুর্থ বছরের মতো এবারও তিনি রমজানে পণ্য বিক্রি করছেন কেনা দামে-কোনো লাভ ছাড়াই।
ফরিদগঞ্জ পৌরসভার চরকুমিরা গ্রামের চালতাতলা সুপার মার্কেটে তার ছোট মুদির দোকানে রমজানের শুরুতেই ভিড় জমাচ্ছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের ক্রেতারা। শাহআলম জানান, পণ্য কেনা ও পরিবহন খরচ যোগ করে তিনি ক্রয়মূল্যেই বিক্রি করছেন ছোলা, চিনি, তেল, চিড়া, মুড়ি, খেজুরসহ রমজানের নিত্য বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
পবিত্র রমজান উপলক্ষে খোলা ট্রাকে করে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল ও খেজুর বিক্রি করবে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রমের আওতায় সারাদেশে বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে পাওয়া যাবে এই ৫ পণ্য। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) টিসিবি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
টিসিবি জানিয়েছে, রোজার দুটি বাড়তি পণ্য ছোলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা ও খেজুর ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হবে। এছাড়া ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা ও মসুর ডাল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বছর ঘুরে আবারও সন্নিকটে চলে এসেছে রমজান মাস। নির্বাচনের পরপরই শুরু হতে যাচ্ছে রোজা। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী ট্রাকে পণ্য বিক্রি (ট্রাক সেল) করবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় টিসিবি।
এতে বলা হয়, ভর্তুকি মূল্যে সারা দেশে স্মার্ট কার্ডধারী পরিবারের কাছে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি রমজান মাসে ট্রাকসেলের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি করা হবে।
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাস শু বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।
এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পায়। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছে, ধূমকেতু বাকি অংশ পড়ুন...












