(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার নফল রোযা আদায় হওয়া তো দূরের কথা, এমনকি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে যদি মান্নতের রোযার নিয়ত করা হয়, সেক্ষেত্রেও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযাই আদায় হবে। মান্নতের রোযা আদায় হবে না।
যেমন, ‘ফতওয়ায়ে আলমগীরী’ কিতাবের ১ম খন্ডের ১৯৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, “যদি কেউ একই রোযার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা এবং মান্নতের রোযার নিয়ত করে তবে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা আদায় হবে।”
এমনিভাবে যদ বাকি অংশ পড়ুন...
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান জেনজি প্রজন্মের ঘুমানোর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলস দেখার প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে- রিলস যেন হয়ে উঠেছে সহজ বিনোদনের মাধ্যম। ব্যস্ত দিনের শেষে বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নেয়া এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। কিন্তু অজান্তেই এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় রিলস দেখা শুধু ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যাও তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকি বাকি অংশ পড়ুন...
বেশিরভাগ বিড়াল এক পাশ হয়ে ঘুমায়। বিড়ালের এই স্বভাব নিয়ে একদল গবেষক গবেষণা করেছে। কারেন্ট বায়োজলিতে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়, বেশিরভাগ বিড়াল বাম পাশে কাত হয়ে ঘুমাতে বেশি পছন্দ করে। এই স্বভাবের পেছনে একটি কারণ হলো বিড়াল অনেক ঘুমায়।
শরীরের এক পাশ ব্যবহারের প্রবণতা:
গবেষকরা বলছেন, অনেক প্রাণীর শরীরের এক পাশ ব্যবহারে বিশেষ আগ্রহ থাকে। একে বলা হয় বিহ্যাভেরিওয়াল ল্যাটেরাইলিজেশন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, বেশিরভাগ মানুষ ডানহাতি, আর বেশিরভাগ ক্যাঙ্গারু বাঁহাতি। এশিয়ান হাতিদের ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা যায়, ত বাকি অংশ পড়ুন...
স্মার্টফোন আসক্তি কি? সহজ কথায়, যখন মোবাইল ফোনের ব্যবহার আপনার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এটি আপনার কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কে ব্যাঘাত ঘটায়, তখন তাকে ফোন আসক্তি বলা যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনকে পকেটে রাখা সøট মেশিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা আমাদের বারবার টানে। জেনে নিন ফোন আসক্তির প্রধান কারণসমূহ।
অ্যাপের ডিজাইন:
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের মতো অ্যাপগুলো এমনভাবে তৈরি যেন আপনি অবিরাম স্ক্রল করতে থাকেন।
মস্তিষ্কের রসায়ন:
নোটিফিকেশন বা লাইক-কমেন্ট পেলে আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক এক ধরনের ভালো লাগার হরমোন নিঃসৃত হয়, বাকি অংশ পড়ুন...
রাতে অন্ধকার ঘরে শুয়ে ফোনের আলোয় সময় কাটানো- এখন অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের আসক্তি বা মনোযোগ হারানো নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনের ক্ষতিকর একটি দিক।
কখন ফোন ব্যবহার করছি, কতক্ষণ ব্যবহার করছি, স্ক্রিন থেকে কি ধরনের আলো নির্গত হচ্ছে এবং সেই কনটেন্টের সঙ্গে আমরা মানসিকভাবে কতটা জড়িয়ে পড়ছি- সব কিছুই আমাদের ঘুম ও স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই, জেনে নিন ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার কেন বন্ধ করবেন?
(১) মস্তিষ্কের ‘নাইট শিফট’ ব্যাহত হয়:
স্মার্টফোনের নীল আলো দিনের আলোর মতো আচরণ করে এবং মেলাটোনিন হরমোনের ন বাকি অংশ পড়ুন...
দাঁত মাজার সঙ্গে ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্য অনেকেরই অজানা। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছে, যারা দিনে অন্তত তিনবার দাঁত পরিষ্কার করে, তাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ডায়াবেটোলজিয়া জার্নালে ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় আরও দেখা যায়, যাদের মুখে ১৫টি বা তার বেশি দাঁত নেই, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি ২১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁত ও মাড়ির রোগ কেবল মুখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পিরিওডোন্টাইটিস বা মাড়ির গুরুতর রোগ হল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একদিকে যুদ্ধের ভয়াবহতার কারণে ধ্বংসস্তূপ অপরদিকে বৈরী আবহাওয়া গাজার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। গত শনিবার গাজা উপত্যকাজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত এবং তীব্র বাতাস বয়ে গেছে। ২০২৩ সালের শেষের দিক থেকেই অনেক পরিবার তাঁবুতে বসবাস করছে।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই উপত্যকায় তাপমাত্রা কমে যাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং তীব্র বাতাসের কারণে লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
গাজা সিটিতে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ মাসলাহ তাঁবু থেকে আল জাজিরাকে বলেন, সেখানে থাকা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।
দেইর আল-বালাহতে, উত্তর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একদিকে যুদ্ধের ভয়াবহতার কারণে ধ্বংসস্তূপ অপরদিকে বৈরী আবহাওয়া গাজার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। গত শনিবার গাজা উপত্যকাজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত এবং তীব্র বাতাস বয়ে গেছে। ২০২৩ সালের শেষের দিক থেকেই অনেক পরিবার তাঁবুতে বসবাস করছে।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই উপত্যকায় তাপমাত্রা কমে যাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং তীব্র বাতাসের কারণে লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
গাজা সিটিতে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ মাসলাহ তাঁবু থেকে আল জাজিরাকে বলেন, সেখানে থাকা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।
দেইর আল-বালাহতে, উত্তর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهٗ قَبْلَ أَنْ يَنَامَ وَضَعَ يَدَهٗ تَحْتَ خَدِّهٖ وَقَالَ رَبِّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ.
অর্থ: হযরত বারা’আ ইবনে আযিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঘুমানোর উদ্দেশ্যে যখন মহাসম্মানিত বিছানা মুবারকে মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক আনতেন তখন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক হলো, মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রে সম্মানিত সুন্নত মুবারক সূক্ষাতিসূক্ষ্ম-পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ-অনুকরণ করা।
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাক্বাম সর্বোচ্চ। মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার নেয়ামত মুবারক হাছিল করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত মুবারক ও উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
অনেক মায়েরাই বলেন শিশুর হাতে স্মার্টফোন না দিলে তারা খেতে চায় না। আবার দেখা যায়, অনেকে শিশুদের শান্ত রাখতে হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দেন। তবে বিজ্ঞান বলে যে খুব তাড়াতাড়ি সন্তানকে স্মার্টন দিলে অনেক সমস্যা হতে পারে।
পেডিয়াট্রিক্সে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১২ বছর বয়সে স্মার্টফোনের মালিকানা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, ওজন এবং ঘুমের ধরনকে কীভাবে প্রভাবিত করে। গবেষণার অংশ হিসেবে, ১২ বছর বয়সে প্রথম স্মার্টফোন পাওয়া শিশুরা তাদের ফোন-বিহীন সমবয়সীদের তুলনায় ৩০% বেশি হারে বিষণ্ণতা, ৪০% বেশি হারে স্থূলতা এবং ৬০% বেশি হ বাকি অংশ পড়ুন...












