SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR titleBn LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR descriptionEn LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR descriptionBn LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR slug LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR metaTag LIKE '%গ্যালাক্সি%' OR metaDescription LIKE '%গ্যালাক্সি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাবিশ্বের অন্যতম বড় রহস্য ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য পদার্থের গঠন ও বিস্তার বোঝার ক্ষেত্রে নতুন সূত্র পেয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। টেলিস্কোপের পুরোনো পর্যবেক্ষণ-তথ্যে একটি দূরবর্তী গ্যালাক্সির ভেতর অত্যন্ত ক্ষীণ তারার দীর্ঘ সরু রেখা শনাক্ত করেছে তারা। এটি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বাইরে পাওয়া প্রথম ‘গ্লোবুলার ক্লাস্টার স্টেলার স্ট্রিম’ বা গোলাকার তারাগুচ্ছ থেকে ছড়িয়ে পড়া তারার স্রোত।
পৃথিবী থেকে প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ আলোকবর্ষ দূরের ইউজিসি ৯০৫০-ডিডব্লিউ১ নামের একটি গ্যালাক্সিতে এ তারার স্রোতটির সন্ধান পাওয়া গেছে। গ্যালা বাকি অংশ পড়ুন...
এক দশক আগেও ঘড়ি পরা হতো কেবল সময় দেখার জন্য। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তন সেই চেনা ঘড়িকে রূপান্তর করেছে এক মিনি-মেডিক্যাল ল্যাবে, যা এখন সার্বক্ষণিক জড়িয়ে থাকে আমাদের কবজিতে। বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে যখন হৃদরোগের (কারডিওভাসকুলার ডিজিজ) ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, তখন ‘স্মার্টওয়াচ’ বা পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি অনেকের জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘লাইফ সেভার’ বা জীবনরক্ষাকারী অন্যতম সরঞ্জাম হিসেবে বাজারে আসছে।
কবজিতেই যখন ২৪ ঘণ্টার ডাক্তার:
হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ঘটনাগুলো সাধারণত হুট করে ঘটে না; শরীর আগে থেকেই কি বাকি অংশ পড়ুন...
দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করে আসছে, আমাদের ছায়াপথ আকাশের ঠিক মাঝখানে আছে একটি বিশাল ব্ল্যাকহোল। কিন্তু নতুন এক গবেষণা এই পুরোনো ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, আকাশের কেন্দ্রে ব্ল্যাকহোলের বদলে ঘন ডার্ক ম্যাটারের একটি কোর থাকতে পারে।
গবেষকদের মতে, এই ডার্ক ম্যাটারের ঘন অংশই গ্যালাক্সির কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা নক্ষত্রগুলোর অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে ঘোরার কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, পুরো আকাশ যেভাবে ঘোরে, সেটাও এই ডার্ক ম্যাটার কোর দিয়েই ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ম বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজগত কিভাবে চলে-এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধারণা দিয়েছে। তারা বলছে, পরিচিত চারটি মৌলিক বলের বাইরে আরও একটি রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’ থাকতে পারে, যার প্রমাণ মিলতে পারে আমাদের নিজের সৌরজগতেই।
এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা চারটি মৌলিক বলের কথা জানে-মহাকর্ষ (আকর্ষণ শক্তি), তড়িৎচুম্বকত্ব, শক্তিশালী পারমাণবিক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বল। এসব বলই মহাবিশ্বের সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। কিন্তু গবেষকদের মতে, এগুলো দিয়েও সবকিছু পুরোপুরি বোঝা যায় না।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী তুরিশেভ এক গবেষণায় বলেছে, সৌরজগতের ভেত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাবিশ্বে এক বিরল দৃশ্য শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। একটি বিশাল ডার্ক ম্যাটার (অন্ধকার বস্তু)-এর সুতো বা ফিলামেন্টের ভেতরে থাকা ১৪টি গ্যালাক্সি একই দিক দিয়ে ঘুরছে। এই সুতোটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। গবেষকদের মতে, এভাবে একসঙ্গে ঘুরতে দেখা-এখন পর্যন্ত মহাবিশ্বে অন্যতম বৃহৎ ঘূর্ণায়মান কাঠামো।
এই ডার্ক ম্যাটার-সুতো আসলে মহাবিশ্বের কসমিক ওয়েব-এর অংশ। এর মাঝখানে প্রায় সোজা সারিতে সাজানো রয়েছে ১৪টি গ্যালাক্সি। লম্বায় প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ আর প্রস্থে ১১৭ হাজার আলোকবর্ষ। এদের ভেতর প্রচুর হাইড্রোজেন গ্যাস আছ বাকি অংশ পড়ুন...
মনে করুন, সৌরজগতের বাইরে থেকে ছুটে আসা রহস্যময় কোনো বস্তু হঠাৎই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলো। ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে? এটা জানতে নতুন এক গবেষণায় উচ্চঝুঁকির অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের (ইকুয়েটর এলাকা) প্রতি আন্তর্মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে উত্তর গোলার্ধ যেখানে পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাস করে, সেখানে আঘাত লাগার সম্ভাবনাও সামান্য বেশি।
গবেষকরা কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে এসব বস্তু পৃথিবীর দিকে এলে তাদের গ বাকি অংশ পড়ুন...
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের একেবারে প্রাচীন সময়ের গ্যালাক্সিগুলোর জন্মযাত্রা সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছে, বিগ ব্যাংয়ের (মহাবিস্ফোরণ) প্রায় দেড়শ কোটি বছরের মধ্যেই যে গ্যালাক্সিগুলো তৈরি হয়েছিলো, সেগুলো ছিলো অত্যন্ত অস্থির ও বিশৃঙ্খল।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রায় ২৫০টি নবীন গ্যালাক্সি বিশ্লেষণ করে দেখেছে, প্রায় সবগুলোতেই গ্যাসের তীব্র ঘূর্ণন, বিশৃঙ্খল প্রবাহ এবং একের পর এক নক্ষত্র জন্ম (স্টারবার্স্ট নামে পরিচিত) ঘটছিলো। এসব কারণেই তারা স্থিতিশীল ঘূর্ণনধারী গ্যালাক্সিতে পরিণত হতে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে শক্তিশালী ও দূরবর্তী এক ‘অদ্ভুত রেডিও বলয়’ আবিষ্কার করেছে। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং আকারে প্রায় ৯ লাখ ৭৮ হাজার আলোকবর্ষ বিস্তৃত।
এ আবিষ্কারটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের বিবর্তন ও ব্ল্যাকহোল (অন্ধকার নক্ষত্রগহ্বর) সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে।
এই রেডিও বলয়টির নাম জঅউ ঔ১৩১৩৪৬.৯+৫০০৩২০। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় দ্বি-বলয়যুক্ত ঙজঈ। গবেষকদের মতে, এটি একটি বিশালাকৃতির রেডিও তরঙ্গ বলয়, যা কোনো গ্যালাক্সিকে ঘিরে থাকে। এমন বলয় প্রথম দেখা গি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাবিশ্বের সবকিছুই বিস্ময়কর। সেই বিস্ময়কর মহাবিশ্বের কোনো কেন্দ্র আছে কি না, তা নিয়ে অনেক বছর ধরে ভাবছে বিজ্ঞানীরা। বর্তমান প্রচলিত বিশ্বতত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের কোনো নির্দিষ্ট স্থানিক কেন্দ্র বা প্রান্ত নেই। বিগ ব্যাং কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ঘটে যাওয়া কোনো বিস্ফোরণ ছিলো না। এটি ছিলো মহাবিশ্বের সব স্থানকে নিয়ে একযোগে প্রসারণ। গ্যালাক্সি কোনো কেন্দ্রীয় বিন্দু থেকে সরে যাচ্ছে না। গ্যালাক্সির মধ্যবর্তী স্থান নিজেই প্রসারিত হচ্ছে।
অনেকেই অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, যদি মহাবিশ্ব প্রসারিত হয়, তাহলে এর কেন্দ্র হিসেবে কোন বাকি অংশ পড়ুন...












