SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গেলো%' OR titleBn LIKE '%গেলো%' OR descriptionEn LIKE '%গেলো%' OR descriptionBn LIKE '%গেলো%' OR slug LIKE '%গেলো%' OR metaTag LIKE '%গেলো%' OR metaDescription LIKE '%গেলো%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বালাকোটের জিহাদ ও মুজাহিদে মিল্লাত, আমিরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাহাদাত মুবারক:
আলামুল হুদা, মুজাহিদে আ’যম, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাহাদাত লাভ ও বালাকোটের জিহাদের আলোচনা করার আগে উনার আরো একটি আশ্চর্য ও বিস্ময়কর বড় কারামতের আলোচনা করা প্রয়োজন। আর তা হচ্ছে-
একবার উনার কিছু খাছ খলীফা ও মুরীদান উনাকে অত্যন্ত আদবের সহিত জিজ্ঞাসা করলো, হুযূর! এই ভারত বর্ষের লোকেরা হচ্ছে, পীর ও মাযার ভক্ত। এদেশে এমন বহু অশিক্ষিত, আনপড়, বিদ্য়াতী, ভন্ড, ফকীর আছে যারা পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
قَالَ فَخَرَجْتُ مَعَهُمْ حَتَّى قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا رَآنِي قَالَ آنْتَ حَضْرَتْ وَحْشِيٌّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ أَنْتَ قَتَلْتَ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ قُلْتُ قَدْ كَانَ مِنَ الأَمْرِ مَا بَلَغَكَ، قَالَ فَهَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تُغَيِّبَ وَجْهَكَ عَنِّي قَالَ فَخَرَجْتُ فَلَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَرَجَ مُسَيْلِمَةُ الْكَذَّابُ قُلْتُ لأَخْرُجَنَّ إِلَى مُسَيْلِمَةَ لَعَلِّي أَقْتُلُهُ فَأُكَافِئَ بِهِ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ قَالَ فَخَرَجْتُ مَعَ النَّاسِ فَكَانَ مِنْ أَمْرِهِ مَا كَانَ قَالَ فَإِذَا رَجُلٌ قَائِمٌ فِي ثَلْمَةِ جِدَارٍ كَأَنَّهُ جَمَلٌ أَوْرَقُ ثَائِرُ الرَّأْسِ قَالَ فَرَمَيْتُ বাকি অংশ পড়ুন...
উছুলে তাফসীরে, তাফসীর করার কয়েকটা প্রকারের কথা উল্লেখ করা আছে। প্রথমত, আয়াত শরীফ দিয়ে আয়াত শরীফের তাফসীর। দ্বিতীয়ত, হাদীছ শরীফ দ্বারা আয়াত শরীফের তাফসীর। তৃতীয়ত, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ব্যাখ্যা দ্বারা আয়াত শরীফ এর তাফসীর। চর্তুথত, ইমাম মুজতাহিদ উনাদের ব্যাখ্যা দ্বারা আয়াত শরীফ এর তাফসীর। এবার আমরা পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফের ৫৮ নম্বর আয়াত শরীফ উনার তাফসীর এই চার প্রক্রিয়ায় দেখবো।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ.
অর্থ: ‘ বাকি অংশ পড়ুন...
জীবনচরিত ও ইতিহাস গ্রন্থ যারা অধ্যয়ন করেছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার কার্যাবলী অত্যন্ত চমৎকারভাবে আঞ্জাম দিয়েছেন। হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার ঘোষককে এ ঘোষণা করতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের দৈনিক ভাতা সকালে এসে নিয়ে যাও। লোকেরা দলে দলে এসে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ নিয়ে যেত। খোদার ক্বসম! আমি নিজ কানে শুনেছি, ঘোষক কখনো ডেকে বলতো, তোমাদের কাপড়-চোপড় নিতে আসো। তারা গিয়ে দামী পোশাক-পরিচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
মাহবুবে ইলাহী, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন, “সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মুর্শিদ কিবলা উনার দরবার শরীফে এলাম কিন্তু ‘অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি দেখেছি’ এই উক্তি আমাকে আজ এই অবস্থায় পৌঁছে দিলো। আমার সবকিছুই ধুলিসাৎ হয়ে গেলো। আমি অবশ্য বলতে পারতাম, “হুযূর! এখানে আমার এমন কি জঘন্য অপরাধ হয়েছে যে, তা ক্ষমার অযোগ্য?” আমি তো শুধু এতটুকুই প্রকাশ করেছি যে, “অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি আছে, তা দেখেছি মাত্র।” কিন্তু আমি তা বলতে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আফরা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার এবং উনার দুই কিশোর আওলাদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনাদের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আফরা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি ছিলেন বিশিষ্ট আনছার মহিলা ছাহাবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা। উনার ৭ জন ছেলে সন্তান ছিলেন। বদরের সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার সময় তিনি জানতে পারলেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যেই নিকৃষ্ট লোকটি সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে, সেই কাট্টা কাফির আবূ জাহিল মুশরিকদেরকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে আসতেছে। তখন তিনি উনার দু’জ বাকি অংশ পড়ুন...
১১ হিজরী, ৩০শে ছফর শরীফ, ইয়াওমুল আরবিয়া উনার ঘটনা মুবারক:
সেই বরকতপূর্ণ দিনটি ছিলো পবিত্র ছফর শরীফ মাসের ৩০ তারিখ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)। সকাল বেলা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার নিকট কে আছেন?” একথা শুনা মাত্রই উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম তিনি দ্রুত এসে বললেন- “আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোন। ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি উপস্থিত আছি।”
নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
হযরত কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরো বলেন, একদিন আমি মদীনা শরীফের বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। এমন সময় একজন বণিক লোকজনকে জিজ্ঞেস করলো, কা’ব ইবনে মালিক কে? সকলেই আমার দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়ে দিলেন যে, আমিই তার কাঙ্খিত ব্যক্তি। সে ব্যক্তি কাছে এসে আমাকে গাস্সানের বাদশাহর পত্র দিলো। তাতে লিখা ছিলো, “আমি জানতে পেরেছি, আপনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপনার প্রতি কঠোর ব্যবহার করেছেন। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি তো আপনাকে কম মর্যাদা বাকি অংশ পড়ুন...












