পুরনো বইয়ের দোকানে গেলে অনেক হলদেটে বা লালচে পাতার বই দেখা যায়। ওসবের আদতে অনেক বয়স। পুরনো বই বা পত্রিকার কাগজ অনেক দিন রেখে দিলে সাদা রঙ ধীরে ধীরে লালচে বা হলদেটে হয়ে যায়।
কাগজের হলদেটে হওয়ার রহস্য খুঁজতে গেলে প্রথমে জানতে হবে, কাগজ আসে কোথা থেকে। কাগজ কি দিয়ে তৈরি। কাগজ বানানো হয় কাঠ থেকে। কাঠ একদম গুঁড়া করে পানি মিশিয়ে নরম ম- তৈরি করা হয় প্রথমে। তারপর সেই ম-কে চাপ দিয়ে পাতলা করে শুকিয়ে নিলেই তৈরি হয় কাগজ।
কাঠের মধ্যে থাকে লিগনিন নামের এক ধরনের পদার্থ। এই পদার্থ কাগজকে মজবুত করে। গাছের ভেতরে এটা আঠার মতো কাজ করে। কিন্তু এর একটা বাকি অংশ পড়ুন...
তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারী গুণ রয়েছে। তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়। আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে। তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী তুলে ধরা হলো-
তুলসী পানি:
উপকরণ: দুই কাপ পানি ও কয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
মরিচ এক ধরনের মসলা যা রান্নায় ঝাল স্বাদের জন্য ব্যবহার করা হয়। মাছ, গোশত রান্না, সস তৈরি বা ফুচকার মতো মুখরোচক খাবার তৈরিতে লাল মরিচ অপরিহার্য। গুঁড়া মসলা হিসেবে রান্নায় লাল মরিচ বেশি ব্যবহার করা হয়। লাল মরিচ তার সুন্দর রং, ঝাল স্বাদের জন্যই কদর।
ক্যারোটিনয়েড নামের রঞ্জক পদার্থ মরিচের লাল রংয়ের জন্য দায়ী। আবার ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তা ক্যাপসিন নামে পরিচিত। পলিমোডাল স্নায়ু রয়েছে মানুষের মুখে, যার কাজ ব্যথা, তাপমাত্রা ও ঝাল শনাক্ত করা।
মরিচ খেলে মরিচের ভেতরে থাকা ক্যাপসিন মুখের পলিমোডাল স্নায়ুকে উত্তেজিত করে এবং মস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
বাজারে আগাম জাতের নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে। তবে এসব আলু বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। প্রতি কেজি নতুন আলু খুচরা বাজারে মিলছে ২০০ টাকা দরে। যা দুইদিন আগেও ছিল ১৫০-১৬০ টাকা।
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আগাম জাতের নতুন আলু তোলা শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই পাইকাররা ক্ষেত থেকে প্রকারভেদে কেজিপ্রতি ৪৯ থেকে ৫২ টাকা দরে আলু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। চাহিদা ভালো হলেও কৃষকদের দাবি গতবারের তুলনায় এবার দাম কম, ফলে লাভের পরিমাণও খুব বেশি হবে না।
কৃষকরা জানান, গত বছর একই সময় পাইকারি বাজারে নতুন আলুর দাম ছিল ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা কেজি।
নতুন আলু বাজারে, পুরোনো আলু নিয় বাকি অংশ পড়ুন...
নভেম্বরেও কমেছে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম
অভিজ্ঞমহল মনে করছেন, বাজারে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা আগের মতোই থাকায়
এবং ‘সরকার যথাযথ পদক্ষেপ’ না নেওয়ায়ই মূল্যস্ফীতি কমছে না। বরং বাড়ছে।
সমালোচক মহল মনে করছেন, তারা আগের জালিমের পর এখন মবজালিম তথা মহাজালিমের কাছে পড়েছেন। যেখানে শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতির চাকা বন্ধ হচ্ছে। আর উন্মুক্ত হচ্ছে কেবলি দুর্ভিক্ষ আর গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা। (নাউযুবিল্লাহ)
সবজির ভরা মৌসুমে সাধারণত খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি কমে। অথচ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে চলতি বছরের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বাকি অংশ পড়ুন...
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে গোখাদ্য উৎপাদনে নতুন এক সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে ফেলে দেওয়া কলাগাছের কা-। বহুদিন ধরে যেসব কা- কৃষকের বাড়ির পাশে পচে নষ্ট হতো, এখন সেই অব্যবহৃত অংশ থেকেই তৈরি হচ্ছে গরুর জন্য উন্নতমানের খাদ্য। খরচ কম, পুষ্টিগুণ বেশি হওয়ায় এটি ইতোমধ্যে খামারিদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলেছে।
চর চরিতাবাড়ি গ্রামের আইয়ুব খান এ উদ্যোগের পথিকৃৎ। কৃষি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির ব্যবহার করে তিনি বাড়ির উঠোনেই কলাগাছের কা- প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করছেন সাইলেজ ও হেলেজ-যা বড় খামারগুলোতে অনেক আগে ব্যবহৃত হলেও গ্রামে এই পদ্ধতিটি নতুন। বাকি অংশ পড়ুন...
দাম না পেয়ে আলুচাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষক
সামনের বছর আবার আলুর দাম বাড়লে তখন আমদানীও করবে সরকার
কিন্তু এখন কৃষকের কাছ থেকে আলু কিনতে নির্বিকার
আলু রফতানীর সব বাধা দূর করা দরকার
চলতি বছর উৎপাদিত আলুর ন্যায্যমূল্য না পেয়ে আলু চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন দেশের কৃষকরা। একসময় লাভজনক ‘সোনার ফসল’ হিসেবে পরিচিত আলু এখন কৃষকের বোঝায় পরিণত হয়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়েছে, অথচ বাজারে দাম নেই। ফলে অনেক কৃষক উৎপাদন ব্যয়ও তুলতে পারছেন না। হিমাগারে সংরক্ষণ ব্যয়, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য আর ন্যায্যমূল্যের অভাবে লোকসানে পড়েছেন তারা। অনেক বাকি অংশ পড়ুন...
অনেক ধরনের খাবার ও পানীয় আছে যেগুলো লিভারের যতœ নিতে সাহায্য করে। যেমন- ওটমিল, গ্রিন টি, বেরি ফল, জয়তুনের তেল এবং রসুন।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত, লবণাক্ত এবং মিষ্টি খাবারগুলো লিভারের জন্য হজম করা কঠিন হয়। লিভারের স্বাস্থ্য আমাদের সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি লিভার অসুস্থ হয়ে যায়, তাহলে তা লিভারের রোগ বা বিপাকজনিত (সবঃধনড়ষরপ) সমস্যার কারণ হতে পারে।
যদিও সব ঝুঁকির কারণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও পানীয় গ্রহণ করলে লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আজকের এই লেখায় এমন কিছু খ বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ عَابِسٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَأَلْتُ حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةَ الصَّدِّيقَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَنْ لُحُوْمِ الْأَضَاحِيِّ؟ قَالَتْ كُنَّا نَـخْبَأُ الْكُرَاعَ لِرَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَهْرًا ثُـمَّ يَأْكُلُهٗ.
অর্থ: “হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবিস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। উনার পিতা বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে কুরবানীর গোশত সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। সাইয়্যিদাতুনা বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিসে উপকারী, বাড়ায় ইনসুলিনের কার্যকারিতা:
ডায়াবেটিসে ভুগছেন এমন সবার জন্য খেজুরের বীজ হতে পারে মহার্ঘ্য। কারণ, অগ্ন্যাশয়ের বিটা সেল কর্তৃক ইনসুলিন উৎপাদনকে সুরক্ষিত রাখতে এর ভূমিকা রয়েছে। ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতেও এটি সহায়ক।
ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা, কখনো বেড়ে গেলে তা কমায়। টাইপ ওয়ান এবং বিশেষত টাইপ টু ডায়াবেটিসে খেজুরের বীজ সেবনের উপকারিতা রয়েছে বলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি সূচক হলো রক্তের এইচবিএওয়ানসি, নিয়মিত খেজুরের বী বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুরের বীজ কিন্তু ফেলে দেওয়া হয়। অথচ এ এক মস্ত পুষ্টিখনি! ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেল- সব আছে। আপাত নগণ্য এই বীজ বিধিমতো গুঁড়া করে খেয়ে নিশ্চিত করতে পারেন নিজের এবং পরিবারের সুস্বাস্থ্য। মুক্তি পেতে পারেন বিচিত্র স্বাস্থ্য জটিলতা থেকে। শুধু তাই নয়, এই বীজ রোস্ট করে বানানো ডেট সিড কফি ক্যাফেইনমুক্ত এবং অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে পান করা যেতে পারে। বর্তমান সময়ে কফির বিকল্প হিসেবে ও ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের নিরিখে বহুল আলোচিত এই উষ্ণ পানীয়।
আঁশের সমৃদ্ধ উৎস, কোষ্ঠবদ্ধতার বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চিনি একটি অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্যে চিনির প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের বাজারে প্রধানত দুই ধরণের চিনির দেখা মেলে। সাদা চিনি ও লাল চিনি। লাল চিনি মূলত দেশীয় আখ থেকে তৈরী করা।
দেশে আখের চিনি সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত ১৬টি চিনিকল। আর বিটনির্ভর আমদানিকৃত ও পরিশোধিত চিনি সরবরাহ দিচ্ছে গুটিকয়েক বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনির চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়লেও এখনও সার বাকি অংশ পড়ুন...












