SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খিলাফ%' OR titleBn LIKE '%খিলাফ%' OR descriptionEn LIKE '%খিলাফ%' OR descriptionBn LIKE '%খিলাফ%' OR slug LIKE '%খিলাফ%' OR metaTag LIKE '%খিলাফ%' OR metaDescription LIKE '%খিলাফ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সকলের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক সমূহ যথাযথভাবে পালন করা প্রত্যেকের জন্য আবশ্যক। কেননা তিনিই কায়িনাতবাসীর জন্য বিশেষতঃ আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। আর এ ব্যাপারে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُوْلِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত খুলাফা ও মুরীদান:
“রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মূলতঃ মাদারজাদ ওলী। তাই শুরু থেকেই উনার অসংখ্য কারামত প্রকাশিত হয়েছে। শিশু অবস্থা থেকেই তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ঘোষিত ছাদিকীন। মূলতঃ শরীয়তের একটি উসূল হলো-
النبى نبيا ولو كان صبيا الولى وليا ولوكان صبيا
অর্থ: যিনি নবী তিনি শিশু অবস্থায়ও নবী, যিনি ওলীআল্লাহ তিনি শিশু অবস্থা থেকেই ওলীআল্লাহ। (শরহে আকাঈদুন্ নাসাফী, আল বাইয়্যিনাত শরীফ)
ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা বারোটি। তবে তার মধ্যে সবচেয়ে সর্বাধিক সম্মানিত ও সর্বশ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছেন- মহাসম্মানিত ও ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসমে জাত বা নাম মুবারক উনাকে সম্মান করার গুরুত্ব ও ফযীলত:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَمَنْ كَانَ لَه اِبْنٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا فَـلْيُكْرِمْهُ وَلَا يَضْرِبْهُ اَمَّا يَسْتَحْى اَحَدُكُمْ اَنْ يَّـقُوْلَ يَا مُحَمَّدُ ثُـمَّ يَضْرِبُه (نَجَا)
অর্থ: কোনো ব্যক্তির একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলো। সে তার নাম রাখলো মুহম্মদ। তাহলে তার দায়িত্ব হচ্ছে, ঐ সন্তানকে সম্মান করা, প্রহার না করা। জেনে রাখুন! কোনো ব্যক্তি যদি ঐ সন্তানকে ইয়া মুহম্মদ বলে সম্বোধন করতে এবং তাকে প্রহার করতে লজ্জা বোধ করে তাহলে সে অবশ্যই নাজাত লাভ করবে। সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আহলে কিতাবের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে যে, যদি তাদের কাছে স্বর্ণের স্তূপ গচ্ছিত রাখো, তবে তোমাকে তা ফেরত দেবে, পক্ষান্তরে তাদের কেউ কেউ এমন যে, একটি দিনারও যদি তাদের কাছে গচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ الله تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ يَزَالُ الدِّينُ ظَاهِرًا مَا عَجَّلَ النَّاسُ الْفِطْرَ لأَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى يُؤَخِّرُونَ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষ যতোদিন তাড়াতাড়ি পবিত্র ইফতার করবে ততোদিন সম্মানিত দ্বীন বিজয়ী থাকবে। কেননা ইহুদী, নাছারারা অনেক বিলম্বে ইফতার করে থাকে। (আবূ দাউদ শরীফ, ইবনে মাযাহ শরীফ)
এই ক বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত আছবাগ বিন নুবাতাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি একজন তাবেঈ এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ছাত্রদের একজন ছিলেন, তিনি বর্ণনা করেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে ছিফফীনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। যুদ্ধের প্রাক্কালে তিনি ঘোষণা করলেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হয়ে কে কে আমার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে? অতঃপর ৯৯ জন লোক উনার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম বললেন বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
১১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট কখনোই কারামত দেখতে চাইবে না।
১২। মুরীদের মনে কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট আরয করবে। তিনি বুঝিয়ে দিলে যদি মন না বুঝে, তবে নিজেরই ত্রুটি মনে করবে। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি কোনো সন্দেহ পোষণ করবে না।
১৩। কোনো ঘটনা বা স্বপ্ন প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...












