SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খিলাফ%' OR titleBn LIKE '%খিলাফ%' OR descriptionEn LIKE '%খিলাফ%' OR descriptionBn LIKE '%খিলাফ%' OR slug LIKE '%খিলাফ%' OR metaTag LIKE '%খিলাফ%' OR metaDescription LIKE '%খিলাফ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
চলো ভাই চলো! সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদে মীলাদি মাহফিলে,
জান্নাতি মায়ায় মিলবে তোমায় শান্তিটা শৃংখলে।
দলীলসমৃদ্ধ, কিতাব পত্রের, অসংখ্য সমাহার,
রয় তৈজসপত্র, সুন্নাহ সামগ্রী রকমারি উপহার ॥
বাজারি বয়ান, দিয়ে সুরখান, বহুদা দলীলহীন,
শুনবে এখানে সঠিক ওয়াজ, ঠকবে না কস্মিন।
নেইকো হেথায় হাসি-কান্নার কৌতুকি সমাচার,
ছাহাবী যুগের শুনতে তালিম চলো হে সমঝদার ॥
নেই কল্পিত সব গুজবি গপ্পের তর্জন গর্জন,
মার্জিত ভাষায় হচ্ছে বয়ান সালিনে অনুক্ষণ।
পাবে জান্নাতি, মানুষের সেথা, মধুময় ব্যবহার,
দেখতেই চলো রাজারবাগ শরীফ সুন্নতি দরবার ॥
ভাই ভাই সব মুসলমানেরা এক বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি (মহান আল্লাহ পাক) আপনার আলোচনা মুবারক তথা মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” অর্থাৎ খালিঠবাকি অংশ পড়ুন...
একদিন হযরত আবূ সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, “আমি এসেছিলাম আপনার নিকট বাইয়াত হওয়ার জন্য। আপনার মত মহান ব্যক্তিত্বের ছোহবত ইখতিয়ার করা (সংসর্গে থাকা) একান্ত জরুরী মনে করছি।”
ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আবেদন মঞ্জুর করলেন। উনাকে স্বীয় ছোহবত দানের জন্য বাইয়াত করালেন।
পরের দিন ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি খানকা শরীফ উনার দায়িত্বে নিয়োজিত খাদিমকে বলে দিলেন, আজ থেকে আবূ সাঈদ উনার থাকার সà বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্à বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
যারা হাকীকী মুরীদ তারা কখনো স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কারামত দেখতে চায় না। আর শায়েখ উনার পক্ষ থেকে কারামত মুবারক প্রকাশিত হওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করে না। কারণ তাদের উদ্দেশ্য কারামত বা অলৌকিক ঘটনা নয় বরং তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহঠবাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
রুকূ-সিজদায় যাওয়ার ও উঠার সময়
হাত উত্তোলন বা রফা’ ইয়াদাইন না করা
নামাযের মধ্যে দুই হাত উঠানোকে রফা’ ইয়াদাইন বলা হয়। সম্মানিত ইসলামের প্রাথমিক যুগে কয়েক স্থানে রফা’ ইয়াদাইন করার নিয়ম ছিল। অতঃপর প্রথম তাকবীরকালীন রফা’ ইয়াদাইন ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত স্থানের রফা’ ইয়াদাইন মানসূখ (রহিত) হয়ে গেছে। কাজেই সাধারণভাবে তাকবীরে তাহরীমা কালীন ব্যতীত নামাযের মধ্যে আর কোন স্থলে রফা’ ইয়াদাইন বা দুই হাত উত্তোলন করা যাবে না। তবে বিতির নামাযে দোয়ায়ে কুনুত পাঠের পূর্বে দুই হাত উত্তোলন করা জায়িয।
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী
ইমামের পিছনে à বাকি অংশ পড়ুন...












