নিজস্ব সংবাদদাতা:
অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) জাতীয় শিল্প কলা চিত্রশালা মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় এত গভীরে যে একটা গাছ বা বটগাছের যে শেকড় যতদূরে যায়, তার চাইতেও অনেক গভীরের শেকড়। এই শেকড়কে অপপ্রচার দিয়ে এবং মিথ্যার করে ঝলকানি দিয়ে এটিকে ঢেকে রাখা যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদ- নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির আজকের লড়াই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল কুৎসা রটিয়ে রাজনীতি করতে চায়, কিন্তু জনগণ তাদের ভোট দেবে না।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ একটি দল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা জনগণের আস্থা হারিয়েছে। এরা স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী শক্তি, আর আজকের লড়াই তাদের বিরুদ্ধেই।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে গ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
(৩)
আবূ আফাক নামক অভিশপ্ত ইহুদীকে হত্যা:
দ্বিতীয় হিজরী শরীফ উনার শাওওয়াল শরীফ মাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত সালিম ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে আবূ আফাক নামক অভিশপ্ত ইহুদীকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়ার জন্য প্রেরণ করেন। সে ছিলো এক বৃদ্ধ ব্যক্তি, যার বয়স ছিলো প্রায় ১২০ (একশ বিশ) বছর।
وَكَانَ يُحَرِّضُ عَلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَقُوْلُ فِيْهِ الشِّعْرَ
‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আফাক:
তাদের এই কথার জবাবে হযরত নাহদিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি নিম্নোক্ত কবিতা পাঠ করেন-
تُكَذّب دِينَ اللّهِ وَالْمَرْءَ أَحْمَدَا ... لَعَمْرُ الّذِي أَمْنَاكَ إذْ بِئْسَ مَا يُمْنَى
حَبَاك حَنِيفٌ آخِرَ اللّيْلِ طَعْنَةً ... أَبَا عَفَكٍ خُذْهَا عَلَى كِبَرِ السّنّ
فَإِنّي وَإِنْ أَعْلَمْ بِقَاتِلِك الّذِي ... أَبَاتَك حِلْسَ اللّيْلِ مِنْ إنْسٍ اوْ جِنّي
‘তুমি মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বীনকে মিথ্যা বলো এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দম্ভভরে অস্বীকার করো। সেই মহান সত্তা উনার ক্বসম, যিনি তোমাকে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, কি নিকৃষ্ট সেই নিরাপত্তা।
রাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
আব্দুল্লাহ ইবনে ক্বামীয়াহর চরম পরিণতি:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- পবিত্র উহুদ যুদ্ধ থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে কামিয়াহ পবিত্র মক্কা শরীফে ফিরে আসে। এরপর সে তার মেষপালের খোঁজে পাহাড়ের দিকে যায়। কারণ, তার মেষপাল পাহাড়ে চড়তো। সে দেখতে পায়, মেষপাল পাহাড়ের চূড়ায় চড়ছে। সে পাহাড়ের চূড়া বেয়ে উঠে মেষের পাল তাড়িয়ে আনতে গেলে হঠাৎ করে শক্তিশালী একটা ছাগল তাকে শিং দিয়ে প্রচ- জোরে গুঁতা মারে। গুঁতার ধাক্কা সামলাতে না পেরে সে মাটিতে পড়ে যায়। সে আর মাটি থেকে উঠতে সক্ষম হয়নি। ছাগলটি তাকে একের পর এক গুঁতা মারতে থাকে, আর সে গড়াতে গড়াতে নিচে পড়তে থাকে। ত বাকি অংশ পড়ুন...
সীরাতগ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে যে-
وَتُـعْرَفُ بِالْفَاضِحَةِ لِاِفْـتِضَاحِ الْمُنَافِقِـيْـنَ فِـيْـهَا
অর্থ: “তাবুকের সম্মানিত জিহাদে মুনাফিকদের নিফাক্বীর মুখোশ উন্মোচিত হয়েছিলো বিধায়, এই সম্মানিত জিহাদ اَلْفَاضِحَةُ (আল ফাদ্বিহাহ্) নামে প্রসিদ্ধ।” (আল মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়্যাহ্ ১/৪১৮, শারহুয যারক্বানী ২/৪০৪, ইমতা‘উল আসমা ৮/৩৯১, তারীখুল খমীস ২/১২২)
যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ওহী মুবারক প্রাপ্ত হয়ে সম্মানিত তাবুক জিহাদ মুবারকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি বাকি অংশ পড়ুন...
মালউনটাকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা:
মুহম্মদ কা’ব শরীফ লিখেন, গাজী মুরীদ হুসাইন উনাকে শাহাদাতের সিংহাসনে হাজির করার পর তিনি পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়ছিলেন। উনাকে বলা হলো, যবান বন্ধ করুন। তিনি উত্তর দিলেন, আমার কাজ আমি করছি। তোমাদের কাজ তোমরা করো। কয়েক মুহূর্ত পরেই তিনি ফাঁসির কাষ্ঠে চড়লেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক হিফাযতের জন্য নিজের জীবন কুরবান করে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে ইউরোপজুড়ে মুসলমানবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইউরোপের অমুসলিম দেশগুলোতে মুসলমানদের উপর চলছে অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন। অথচ এই ইউরোপকেই সমৃদ্ধ করেছেন মুসলমানরা। বিশেষ করে আফ্রিকান মুর মুসলমানরা।
শুধু আধুনিক কালেই আফ্রিকার মুসলমানরা ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করেনি, বরং প্রাচীনকালেও ইউরোপে সভ্যতার আলো দান করেছিলেন তারা।
পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাস পড়ানোর সময় মধ্যযুগকে সাধারণভাবে অন্ধকার যুগ বলা হয়। অথচ, এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র ও বিদ্বেষ। কারণ এই মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখর স্পর্শ করেছিল বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতীয় হাইকোর্টের মাধ্যমে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর ও চরম উস্কানিমূলক সিনেমা আটকে দিলেও আবার সুপ্রীম কোর্টের রায়ে অতিশীঘ্র তা রিলিজ হওয়ার আশঙ্কা।
যা শুধু ভারতীয় মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতিতেই আঘাত নয়
বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের দ্বীনি অনুভূতিতে চূড়ান্ত আঘাত
গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিত- এর বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা ইনশাআল্লাহ (১ম পর্ব)
(১)
ভারতীয় সিনেমায় সিনেমা বা গান রিলিজের পর মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ধারাবাহিক। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ইসলাম বাকি অংশ পড়ুন...
মুবারক শানে গোস্তাখী করার পরিণতি:
পবিত্র বদরের জিহাদে আব্দুল উজ্জা নামক এক মুনাফিক ধরা পড়লো। এই মুনাফিকের কাজ ছিলো সার্বক্ষণিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কুৎসা রটনা করা এবং সেগুলো দিয়ে গান-বাজনা বানিয়ে প্রচার করা। নাউযুবিল্লাহ! মুনাফিক আব্দুল উজ্জাকে যখন গ্রেফতার করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে নিয়ে আসা হলো, তখন সে ক্ষমা চেয়ে খুব কাকুতি-মিনতি করে পায়ে পড়ে কান্নাকাটি শুরু করলো এবং বলতে লাগলো, সে জীবনে আর ক বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
বাগমারা উপজেলায় আলুর উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি ২৩ টাকা হলেও পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৪ টাকায়। ফলে কৃষকরা প্রতিকেজি প্রায় ১০ টাকা লোকসান করছেন।
উদপাড়া এলাকার চাষি জলিল সরদার বলেন, ছোট্ট মেয়েটির জন্য ইলিশ কিনতে হাটে আলু বিক্রি করেছেন তিনি। জুমুয়াবার তাহেরপুর হাটে পাঁচ মণ আলু বিক্রি করে ২৭৫০ টাকা অর্জন করলেও, অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার পর পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্তে¦ও ইলিশ কেনা সম্ভব হয়নি। জলিল অভিযোগ করেন, সামনের বছর আর আলু চাষ করব না। এর চেয়ে মানুষের বাড়িতে কামলা দেওয়া ভাল।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে রাজনৈতিক লড়াই এখন আর শুধু মাঠে বা রাজপথেই সীমাবদ্ধ নেই। এই লড়াই হচ্ছে বাস্তবিক জগতের বাইরে ভার্চুয়াল জগতেও। গত কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (সোশ্যাল মিডিয়া) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় এবং জনমত গঠনে রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত সবার চোখ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফলে রাজনীতির প্রচার-প্রসারে এ মাধ্যম যথেষ্ট ভুমিকা রাখছে। গত বছর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হয়েছে সেখানেও বড় প্রভাব ছিল সোশ্যাল মিডিয়ার। এছাড়াও সা বাকি অংশ পড়ুন...












