মন্তব্য কলাম
শুধু অব্যাহতভাবেই নয় জঘণ্য থেকে জঘণ্যতরভাবে দিন দিন বেড়েই চলছে ভারতীয় গান, টিভি সিরিয়াল, ইন্টারনেট কনটেন্ট তথা সিনেমায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি মহা অপবাদ, ঘৃণা এবং বিদ্বেষ ছড়ানোর নিকৃষ্ট তৎপরতা।
, ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
ভারতীয় হাইকোর্টের মাধ্যমে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর ও চরম উস্কানিমূলক সিনেমা আটকে দিলেও আবার সুপ্রীম কোর্টের রায়ে অতিশীঘ্র তা রিলিজ হওয়ার আশঙ্কা।
যা শুধু ভারতীয় মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতিতেই আঘাত নয়
বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের দ্বীনি অনুভূতিতে চূড়ান্ত আঘাত
গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিত- এর বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা ইনশাআল্লাহ (১ম পর্ব)
(১)
ভারতীয় সিনেমায় সিনেমা বা গান রিলিজের পর মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ধারাবাহিক। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ইসলাম ধর্মের পবিত্র বিষয়গুলির অবমাননা বা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো ইত্যাদি।
অতীতের বিভিন্ন অভিযোগসহ সম্প্রতি দক্ষিণ ভারতীয় গানের টিজারে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ, বিবিসি বাংলা-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কিছু ক্ষেত্রে, সিনেমার মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতীক বা উৎসবকে অবমাননা করার অভিযোগও উঠেছে। যেমন, একটি কার্টুনে ঈদের মত একটি পবিত্র উৎসবকে অবমাননা করার অভিযোগ এনে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল বাংলা নিউজ ২৪-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী।
কিছু চলচ্চিত্র বা ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। যেমন, '৭২ হুর' নামের একটি চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যেখানে মুসলিম নেতাদের একাংশ এর বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল দৈনিক ইত্তেফাক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী।
(২)
ভারতে ইসলামকে অবমাননা করে ‘জি বাংলা’ চ্যানেলে নতুন ধারাবাহিক
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ঢাকা প্রকাশ
ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলায় সম্প্রচারিতব্য নতুন ধারাবাহিক ‘ইশক সুবহান আল্লাহ’ প্রকাশ্যে আসার পরই তা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সিরিয়ালটির প্রোমো প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্মাবলম্বী দর্শকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। মুসলমানরা ধারাবাহিকটিকে ইসলাম ধর্ম অবমাননাকর বলে দাবি করছেন।
গণমাধ্যমের সংবাদ অনুযায়ী সিনেমাতে দেখানো হয়েছে- অশান্ত পরিবেশে নায়িকা ও তার হিন্দু বন্ধুদের মসজিদে আশ্রয় নিতে দেখা যায়। পরে মুসলিম নায়ক জানতে পারে তারা মুসলিম নয়। এরপর যে কথোপকথন ও দৃশ্য উপস্থাপিত হয়, তা দ্বীন ইসলাম ও এর পবিত্র স্থান নিয়ে ঘৃণাবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে হয়েছে।
একজন দর্শক মন্তব্য করে, এই সিরিয়ালে দ্বীন ইসলাম নিয়ে অনেক বাজে ধারণা দেখানো হয়েছে, তাই এটি কেউ দেখা উচিত না। ’ আরেকজন লেখেন, ‘সুবহান আল্লাহ মানে কি তারা জানে? আল্লাহর নাম নিয়ে নাটক বানাচ্ছে, এটা কি মেনে নেওয়া যায়?’ একের পর এক এমন মন্তব্যে ভরে গেছে ধারাবাহিকের কমেন্ট বক্স।
এই বিতর্ক আরও তীব্রতর হয় যখন মুম্বাইভিত্তিক ইসলামিক সংগঠন রেজা অ্যাকাডেমি ধারাবাহিকটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। অ্যাকাডেমির পক্ষে আইনজীবী হিতেশ সি সোনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে জানায়, ‘এই সিরিয়াল শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে না, বরং সাধারণ মানুষের মনোজগতে প্রভাব ফেলছে, বিশেষত শিশুদের ওপর। ’
মামলায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিকটিতে দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা ও বিকৃতি ঘটানো হয়েছে। সংলাপ, চিত্রনাট্য ও চরিত্রায়ণে অন্তত ২০টি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে সংস্থাটি।
(৩)
ওরু আদর লাভ: ভারতে মুসলিমদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগ মালয়ালম গানের বিরুদ্ধে
বিবিসি নিউজ
'মাণিক্কিয়া মালারায়্যা পূভি' নামের ওই গানটির একটি টিজার কয়েকদিন আগে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হওয়ার পরে তা ভাইরাল হয়ে গেছে।
এই গানের সিকোয়েন্স নিয়ে আপত্তি তুলেছে মুসলমান সমাজ।
তাদের মধ্যে একজন হায়দরাবাদ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে, যে গানটির চিত্রায়নের ফলে মুসলমান হিসাবে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।
যে ফালাকনামা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই হায়দ্রাবাদ সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বিবিসি বাংলাকে বলেছিলো, "মুকিথ খান নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন যে ওই মালয়ালম ছবির একটি গানে এমন কিছু শব্দ আছে, যা তার দ¦ীনি ভাবাবেগে চরম আঘাত দিয়েছে। "
উল্লেখ্য যে, সেই ছবিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল উলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগ এসেছে। হক্কানী রব্বানী আলেম সমাজ বলেছেন- দ্বীন ইসলামের দৃষ্টিতে এ অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
(৪)
‘৭২ হুর’ সিনেমা নিষিদ্ধের দাবি ভারতীয় মুসলিম নেতাদের
ইত্তেফাক
মুক্তির অপেক্ষায় আরেক বিতর্কিত সিনেমা ‘৭২ হুর’। এই ছবি নিয়ে কাশ্মিরের বিশিষ্ট ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতারা নিন্দা করেছেন। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, এই সিনেমা তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে।
সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জম্মু ও কাশ্মিরের গ্র্যান্ড মুফতি নাসির উল ইসলাম বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বিতর্কিত, বিশেষ করে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করে। আমরা এই শিরোনামটি মেনে নেব না। এই চলচ্চিত্রটিকে নিষিদ্ধ করা দরকার।
নিজের বক্তব্যে আরও যোগ করেন, ‘এই সিনেমার প্রযোজকদের কাছে আমার বার্তা হলো যে, তাদের বোঝা উচিত মুসলমানরা ভারতে বসবাসকারী বৃহত্তম সম্প্রদায় এবং তাদের মর্যাদা, সম্মান এবং শান্তির সঙ্গে বাঁচার অধিকার রয়েছে। তাদের সেই মনোভাব নিয়ে বাঁচতে দেওয়া অত্যাবশ্যক। ’
(৫)
ভারতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকে দেয়া হচ্ছে
১৮ মার্চ ২০২৫, সময় নিউজ
সম্প্রতি ভারতের নাগপুরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকে দেয়ার লক্ষ্যে ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে।
বিবৃতিতে ভারতীয় মুসলমানরা বলেন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের উগ্র সাম্প্রদায়িক কর্মীরা সম্রাট আওরঙ্গজেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) উনার সমাধি সরানোর দাবিতে বিক্ষোভের নামে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তারা ইসলামি শাসকের সমাধি সরানোর দাবি তুলে রাজপথে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ইতিহাস ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
বিবৃতিতে বিশ্ব মুসলিম উলামা নেতৃত্ব বলেন, আমরা এই জঘন্য কর্মকা-ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বাদশাহ আওরঙ্গজেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক, যিনি ইসলামের সেবায় জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার শাসনামল ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে তার নামের ওপর কুৎসা রটিয়ে ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও বলেন, ভারত সরকারকে অবিলম্বে এই সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মুসলিমদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ইতিহাস রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববাসীকে এ ধরনের ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাই। একইসাথে স্পষ্ট জানাচ্ছি যে, আমরা ভারতীয় মুসলিম উম্মাহর পাশে আছি এবং তাদের ধৈর্য, ঐক্য ও সুন্নাহর পথে অবিচল থাকার আহ্বান জানাই।
(৬)
১১ জুলাই, ২০২৫ হাইকোর্টের মাধ্যমে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর ও চরম উস্কানিমূলক সিনেমা আটকে দিলেও আবার সুপ্রীম কোর্টের রায়ে অতিশীঘ্র তা রিলিজ হওয়ার আশঙ্কা
১১ জুলাই, ২০২৫ ভারতে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক সিনেমা রিলিজ হওয়ার কথা ছিল। এর ট্রেলার প্রকাশিত হওয়ার পরই আঁচ করা যায় যে, এতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের মুসলিমরা। অবশেষে দীর্ঘ শুনানি শেষে দিল্লি হাইকোর্ট সেই সিনেমার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ২০২৫ দিল্লি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সিনেমাটি স্থগিতের রায় দেয়। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।
আদালত নির্দেশ দেয় যে, আবেদনকারীরা যেন সিনেমাটোগ্রাফ আইন, ১৯৫২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জমা দেওয়া রিভিশন আবেদনের বিষয়ে দুই দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে জানায়। আর সরকারকে এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। ততদিন পর্যন্ত সিনেমার মুক্তি স্থগিত থাকবে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় মাওলানারা বলেন, এটি সংবিধানের আধিপত্যের দৃঢ় প্রমাণ। তিনি বলেন, শিল্প ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে এই নয় যে, কেউ সংবিধান বা নৈতিক সীমা লঙ্ঘন করবে। যদিও সিনেমায় কিছু কাটছাঁট করা হয়েছে, তবু এটি মুসলমানদের ঘৃণা ছড়ানোর বিপজ্জনক উপাদানে ভরপুর।
এর আগে গত সোমবার (৭ জুলাই) ২০২৫ আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদনটি করেন ভারতীয় মাওলানা। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আবেদনে মাওলানারা দাবি করেছেন, ২৬ জুন, ২০২৫-এ মুক্তি পাওয়া সিনেমার ট্রেলারটি এমন সংলাপ ও দৃশ্যসমূহে পরিপূর্ণ যা ২০২২ সালে সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল এবং যার ফলে আবারও সেই একই সাম্প্রদায়িক অনুভূতিগুলো উসকে ওঠার পূর্ণ আশঙ্কা রয়েছে।
আবেদনে ভারতীয় মাওলানা বলেন, সিনেমাটি প্রকৃতপক্ষে নির্লজ্জভাবে আদালতের দৃশ্য দেখায়, মামলার এক পক্ষকে সমর্থন করে এমন এক বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে এবং সেইসাথে একটি বিতর্কিত বক্তব্যও সরাসরি তুলে ধরা হয়েছে - যা রাজনীতিবিদ নুপুর শর্মা দিয়েছিলো - যার ফলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়ায় এবং পরিণামে কানহাইয়া লালের নৃশংস হত্যাকা- ঘটে।
আবেদনে আরও বলা হয়, ট্রেলারটিই যথেষ্ট এটা দেখানোর জন্য যে, এটি অত্যন্ত উসকানিমূলক, যা সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে সক্ষম এবং এর ফলে দেশজুড়ে জনশৃঙ্খলার গুরুতর ব্যাঘাত ঘটতে পারে। যেমনটি পূর্বেও একই বক্তব্যের ফলে ঘটেছিল, যা এখন সিনেমায় পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে।
ফ্রন্টলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান উত্তর ভারতে বলিউড চলচ্চিত্রগুলো মুসলিম চরিত্রগুলোকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। তারা বলছেন, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির ওপর হিন্দু ডানপন্থীদের ক্রমবর্ধমান প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এসব সিনেমায় মুসলিমদেরকে দানব ও নৃশংসভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
তারা বলেন, ১৯৯০-এর দশক থেকে হিন্দি চলচ্চিত্রগুলোতে মুসলিমদের যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে তাকে চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে : ১. জাতির শত্রু হিসেবে ‘মুসলিম আদার’। ২. কল্পিত হিন্দু জাতিতে মুসলিমদের নিম্নতর মর্যাদায় রাখা। ৩. দেশের মধ্যে মুসলিমদেরকে সন্ত্রাসের উৎস হিসেবে দেখানো। এবং ৪. মুসলিম, সন্ত্রাসী ও পাকিস্তানকে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে।
হিন্দুত্ববাদের নিয়ন্ত্রণ:
নিউ ইয়র্ক টাইমসে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রীতিশ বিজেপির হিন্দুত্বাদী নীতির ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রচারের কথা বলেছে। সে বলেছে, বলিউডের অনেক অভিনেতা ও নির্মাতা হিন্দু জাতীয়তাবাদী এস্টাবলিশমেন্টের সাথে অবস্থান করে স্বস্তি পেয়ে থাকে।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












