এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে বলা হচ্ছে-
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ
আপনারা একক, অনন্যা। আপনারা কোন জিন-ইনসান, পুরুষ-মহিলা কোন সৃষ্টির মতো নন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ তিরষ্কারের কিতাব, নানান কল্প-গল্প কাহিনীর কিতাব বা নানান রকম চূ-চেরা, কীল-কাল, বিদ্বেষ বর্ণনা করার, মারামারি কাটাকাটি ইত্যাদি ইত্যাদি সেই বর্ণনা করার সুযোগটা কোথায়। নাউযুবিল্লাহ! আর সেটাই এক কথায় বলা হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
বাকি অংশ পড়ুন...
সেজন্য যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এক কথায় বলে দিয়েছেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِيُّ أَوْلٰى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنفُسِهِمْ وَأَزْوَاجُهٗ أُمَّهَاتُهُمْ
সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার সহজ সরল অর্থ হচ্ছেন: নিশ্চয়ই যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের জান থেকে, প্রাণ থেকেও প্রিয়। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
কামাল আহদাব:
৭০৪ হিজরীর ঘটনা। শাম দেশের দামেশক শহরে কামাল আহদাব নামে একজন লোক ছিলো। কারও সাথে তুমুল বাকবিত-ার মাঝখানে সে এমন একটি কথা বললো, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে চরম মানহানিকর।
বিষয়টা আইনিভাবে এমন অবস্থায় রূপ নিলো যে, লোকটা তা কল্পনাও করতে পারেনি। তখন দামেশকের বিচারক ছিলেন প্রসিদ্ধ ফক্বীহ আল্লামা জামালুদ্দীন আল-মালিকী। তিনি ত্রিশ বছর ধরে দামেশকে বিচারকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক আল্লামা ইবনুল ইমাদ হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ঘটনাট বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
মুসলিম শাসনামলে আইন ছিলো যে, জমিদারগণ সমাজবিরোধী, দুষ্কৃতিকারী ও দস্যু-তস্করের প্রতি কড়া নজর রাখবে। ধরা পড়লে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদিসহ তাদেরকে সরকারের নিকটে সমর্পণ করবে। ১৭৭২ সালে কোম্পানী এ আইন রহিত করে। ফলে, নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করকে ধরিয়ে দেয়ার পরিবর্তে তাদের প্রতিপালন করে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদির অংশীদার হতে থাকে। এটা অনুমান করতে কষ্ট হবার কথা নয় যে, এসব দস্যু-তষ্কর কারা ছিলো, এবং কারা ছিলো গ্রামবাংলার লুণ্ঠিত হতভাগ্যের দল। ১৯৪৪ সালে Calcutta Review-প্রকাশিত তথ্যে বলা হয় যে, এসব নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করদেরকে প্রতিপালন করতো ধ বাকি অংশ পড়ুন...
সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সব সৃষ্টি করেছেন। সেটাই বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا حَبِيْبُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ،
পবিত্র হাদীসে কুদসী শরীফে যিনি খ¦লিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি আর কেউ না। আমি এবং আপনি এছাড়া সব আপনার জন্য সৃষ্টি করেছি।
هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا
সমস্ত কিছুই উনার মহাস বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খিজির আলাইহিস সালাম তিনি যখন তোমাকে ওয়াজের পরে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি জাওয়াব দিয়ে দিও। বুঝতে পেরেছ? ঠিক আছে।
ওয়াজ হয়ে গেল, এখনতো উনার সিনাতে একটু সাহস হলো। তিনি ওয়াজ করলেন, ঠিক ওয়াজের সময় ঐ ব্যক্তি আবার আসলেন। হে ইবনে জাওযী! আমার যে প্রশ্নটা, মাসয়ালাটা। হ্যাঁ, কি মাসয়ালা? যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? তিনি বললেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন, ক্বদীম। তিনি হাদিছ না। তিনি শুরুতে যা ছিলেন এখনও তা, অনন্তকাল ধরে তা করবেন। তিনি নতুন কোন কাজ করেন না। শুরুতে যা করেছে বাকি অংশ পড়ুন...
যখন তিনি বললেন-
فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهٖ
তিনি কিছু বললেন আর কিছু বললেন না। বাতিল ফিরক্বা যারা তাদের অন্তরে গালিজ, তারা বলে থাকে তিনি কিছু প্রকাশ করলেন, কিছু চুপিয়ে রাখলেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তিনিতো ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যতটুকু বলার জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন ঠিক ততটুকুই তিনি বলেছেন। এছাড়া আর যা বলেছেন, এখন আর তা বলার প্রয়োজন নেই, তাই তিনি সেটা বলেননি। এ কথাটা আমি আগেও বলেছি, সবসময় আমরা বলে থাকি। সৃষ্টির শুরু থেকে সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন বাকি অংশ পড়ুন...
এখন উনাকে পেলে আপনারা উনার প্রতি ঈমান আনবেন, উনার খিদমত মুবারক করবেন। এটা কি মেনে নিলেন?
قَالُوا أَقْرَرْنَا
উনারা বলেছেন, অবশ্যই বারে ইলাহী একশ’বার মেনে নিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
قَالَ فَاشْهَدُوا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনারা সাক্ষী থাকুন।
وَأَنَاْ مَعَكُمْ مِّنَ الشَّاهِدِينَ.
তাহলে আমিও আপনাদের মধ্যে একজন সাক্ষী রইলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা সোজা কথা নয়। এটা বলে দিচ্ছেন, এরপর যদি ফিরে যায়
فَمَن تَوَلّٰى بَعْدَ ذٰلِكَ فَأُولٰئِكَ هُمُ الْفَاس বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কেন যমীনে পাঠিয়েছিলেন। সেটা তিনি বলে দিচ্ছেন-
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهٗ بِالْهُدٰى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهٗ عَلَى الدِّينِ كُلِّهٖ وَكَفٰى بِاللهِ شَهِيدًا. مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ، (صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهٗ
সেই মহান যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষ করে আমরা বলি, পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার বিষয়টা। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফটা যে কি, সেটাই মানুষ বুঝতে পারে নাই। যারজন্য তারা অপব্যাখ্যা করেছে। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ কি?
كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ لِتُخْرِجَ النَّاسَ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِ رَبِّهِمْ إِلٰى صِرَاطِ الْعَزِيزِ الْحَمِيدِ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, পবিত্র কুরআন শরীফটা কি?
كِتَابٌ
এমন একটি কিতাব,
أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ
আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি। কেন নাযিল করেছেন?
لِتُخْرِجَ النَّاسَ مِنَ ال বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
“বাণিজ্যের নামে শোষণ ও রক্তপাত; উন্নয়নের নামে দখল”:
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রহসনগুলোর একটি হলো-‘উন্নয়ন’ ও ‘বিনিয়োগ’-এর নামে ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা। বিশ শতকের শেষভাগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক পর্যন্ত, পৃথিবীজুড়ে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যবসায়ীরা অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপ থেকে মুক্তি চান।
ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা বলেছে-
‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না।’
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকু বাকি অংশ পড়ুন...












