SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ওলী%' OR titleBn LIKE '%ওলী%' OR descriptionEn LIKE '%ওলী%' OR descriptionBn LIKE '%ওলী%' OR slug LIKE '%ওলী%' OR metaTag LIKE '%ওলী%' OR metaDescription LIKE '%ওলী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
(এ কথার অর্থ এটা নয় যে, মুর্শিদ কিবলা জাহিরীভাবে শরীয়তের খিলাফ কাজ করবেন। আর বাতিনীভাবে ওলীআল্লাহ থাকবেন। বরং যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হবেন তিনি জাহিরী ও বাতিনী উভয় অবস্থায়ই শরীয়তের পূর্ণ পাবন্দ হবেন। যে ব্যক্তি জাহিরী ও বাতিনী উভয় দিক থেকে শরীয়তের পাবন্দ নয় সে কখনো ওলীআল্লাহ নয়, বরং তার বিপরীত হবে। মূলতঃ একথার দ্বারা ঐ কথার প্রতি ইশারা করা হয়েছে যে, কাফিররা মহান আল্লাহ পাক উনার à বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘পূজা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কাফির-মুশরিকদের অনুষ্ঠান। যা পালন করলে, খুশি প্রকাশ করলে ও সমর্থন করলে কুফরী শিরকী হয়ে থাকে। আর শিরক সম্পর্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পবিত্র মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের ইবাদত তথা নেকী নষ্ট হয়ে যায়।” “পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক ও পবিত্র বিছালী শান মুবারক উনাদের মাধ্যমে বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশ থাকে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী মুবারক ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩, ৪)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত মিক্বদাম ইবনে মা’দী কারিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, জেনে রাখো, আমাকে পবিত্র কুরআন শরীফ দেয়া হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
কেউ কেউ বলেন যে, আলোচ্য হাদীছ শরীফের হুকুম আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খাছ। অর্থাৎ তিনি কোন বিষয়ে আহবান করলে নামায ভঙ্গ করে উনার ডাকে সাড়া দেয়া ফরজে আইন।
তবে বিশুদ্ধ মতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ডাকে সাড়া দেয়া তো অবশ্যই ফরজ; সাথে সাথে উনার নায়েব, হক্কানী-রব্বানী আলিম তথা হক্কানী শায়েখ উনাদের ডাকেও সাড়া দেয়া আবশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
ইতিহাস বিখ্যাত মুসলিম সিপাহসালার সুলতান মাহমুদ গজনভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তৎকালীন বিখ্যাত বুজুর্গ এবং ওলীআল্লাহ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একজন মুরীদ ছিলেন। হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি উনি এমনই একজন ওলীআল্লাহ ছিলেন যে, উনার বিলাদত শরীফের ৫০ বছর পূর্বে হযরত বাইজিদ বোস্তামি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলেছিলেন, এই গ্রামে এক মহান বুজুর্গ ওলীআল্লাহ তিনি তাশরীফ নিবেন।
সেই মহান বুজুর্গ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে ঘন ঘন ছোহবতে যেতেন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম যুবাইর ইবনে বাক্কার ইবনে আব্দুল্লাহ কুরাইশী আসাদী মাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পবিত্র বিছাল শরীফ: ২৫৬ হিজরী শরীফ) তিনি হারীসাহ সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَأَوْلَمَ عَلَيْهَا جَزُورًا فَكَثُرَ الْمَسَاكِينُ فَتَرَكَهُمُ النَّاس وَالطَّعَام ثُمَّ غَدَا النَّاسُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ خَلا لَهُمْ وَجْهُهُ فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَأْتِي بِالْهَرِيسَةِ فَلَمْ يَجْتَمِعْ لَهُمْ إِلا الْهَرَائِسُ فَدَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُبَارِكَ لَهُمْ فِيهَا
অর্থ : (“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছঠবাকি অংশ পড়ুন...












