সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পাঁচটি স্তম্ভের তৃতীয় স্তম্ভ হচ্ছে পবিত্র যাকাত। পবিত্র যাকাত আর্থিক ইবাদত সমূহের মধ্যে অন্যতম ইবাদত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
بُنِيَ الإِسْلامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامِ الصَّلاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ.
অর্থ: সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তি পাঁচটি যথা- (১) সাক্ষ্য দেয়া যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের অর্থাৎ ধনীদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতা দান করুন এবং (বাতিনী) ইছলাহ বা পরিশুদ্ধ করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এ বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাত উছুলকারীর (সংগ্রহকারী) ফযীলত :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْعَامِلُ عَلٰى الصَّدَقَةِ بِالْـحَقِّ كَالْغَازِى فِى سَبِيلِ اللهِ حتّٰى يَرْجِعَ اِلٰى بَيْتِه.
অর্থ : হযরত রাফে’ ইবনে খাদীজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ন্যায়নিষ্ঠার সাথে যাকাত উছুলকারীর (সংগ্রহকারী) কর্মী বাড়িতে ফিরে আসা পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদকারী গা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতাপ্রাপ্ত এবং (বাতিনী) ইসলাহীপ্রাপ্ত করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কামিয়াবী। মহান বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতাপ্রাপ্ত এবং (বাতিনী) ইসলাহীপ্রাপ্ত করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কামিয়াবী। মহান বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে ফল গ্রহণ (আহার মুবারক) করেছেন এবং তিনি অত্যন্ত পছন্দ মুবারক করতেন। এমনকি তিনি হযরত ছাহবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকেও ফল খাওয়ার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ ফল খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক।
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনিও ফল খাওয়ার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
كُلُوْا مِنْ ثَمَرِهٖ اِذَا اَثْمَرَ وَاٰتُوْا حَقَّهٗ يَوْمَ حَصَادِهٖ وَلَا تُسْرِفُوْا اِنَّهٗ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِيْنَ ﴿١٤١﴾
অর্থ: “যখন বৃক্ষ ফল বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘উশর’ শব্দখানা আরবী, যা ‘আশারাতুন’ (দশ) শব্দ হতে এসেছে। উনার আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ হচ্ছে- ‘এক দশমাংশ’। আর সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনা বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাত কাকে দিবেন :
মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকাত পাওয়ার হক্বদারদের ব্যাপারে অর্থাৎ যে খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা ফরয সে খাতগুলো সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِيْنِ وَالْعَامِلِيْنَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوْبُـهُمْ وَفِي الرّقَابِ وَالْغَارِمِيْنَ وَفِي سَبِيْلِ اللهِ وَابْنِ السَّبِيْلِ ط فَرِيْضَةً مّنَ اللهِ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ.
অর্থ : নিশ্চয়ই যাকাত কেবল ফক্বীর, মিসকীন ও যাকাত আদায়কারী কর্মচারীদের জন্যে, যাদের মন আকর্ষণ করা প্রয়োজন তাদের জন্যে অর্থাৎ নও মুসলিমের জন্য, গোলাম বা বাঁদীদের মুক্তির জন্য, ঋণ বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাতের হিসাব কখন থেকে করতে হবে?
যাকাত বছরান্তে ফরয হয় এবং বছরান্তে যাকাতের হিসাব করা ওয়াজিব। চন্দ্র বছরের তথা আরবী বছরের যে কোন একটি মাস ও তারিখকে যাকাত হিসাবের জন্যে নির্ধারণ করতে হবে। বাংলা বা ইংরেজী বছর হিসাব করলে তা শুদ্ধ হবে না।
যাকাত পবিত্র রমাদ্বান মাসের মধ্যে দেয়াই উত্তম :
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রমাদ্বান মাসের মধ্যে ১টি ফরয আদায়ে ৭০টি ফরয আদায়ের ছাওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র রমাদ্বান মাসের মধ্যেই যাকাত আদায় করতেন।
যেমন পবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাত কখন আদায় করবেন :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, কোন মালিকে নিছাব বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই অগ্রীম যাকাত আদায় করতে পারবেন।
কোন মালিকে নিছাব অগ্রীম যাকাত আদায়ের কারণে যদি কোন অভাবী লোক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সম্পদশালী হয়ে যায় তাহলেও এই অগ্রীম যাকাত আদায় জায়িয এবং যাকাতদাতার যাকাত আদায় হয়ে যাবে। তবে অগ্রীম যাকাত আদায় করা জরুরী নয়। পূর্ণ এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে মালিকে নিছাবের ইন্তিকাল হলে উক্ত মালিকে নিছাবের যাকাত মওকুফ হয়ে যায়। উশর ও খনিজ সম্পদের অগ্রীম যাকাত আদায় করা সম্ভ বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাত হিসেবে কতটুকু আদায় করবেন :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে,
عَنْ حَضَرَتْ عَلِىّ عَلَيْهِ السَّلَامَ عَنِ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَعْضِ اَوَّلِ هٰذَا الْـحَدِيثِ قَالَ فَاِذَا كَانَتْ لَكَ مِائَتَا دِرْهَمٍ وَحَالَ عَلَيْهَا الْـحَوْلُ فَفِيْهَا خَـمْسَةُ دَرَاهِمَ وَلَيْسَ عَلَيْكَ شَىْءٌ يَعْنِى فِى الذَّهَبِ حَتّٰى يَكُوْنَ لَكَ عِشْرُوْنَ دِيْنَارًا فَاِذَا كَانَ لَكَ عِشْرُوْنَ دِيْنَارًا وَحَالَ عَلَيْهَا الْـحَوْلُ فَفِيْهَا نِصْفُ دِيْنَارٍ فَمَا زَادَ فَبِحِسَابِ ذٰلِكَ.
অর্থ : হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবয়াদ্ব ইবনে হাম্মাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ইয়ামান দেশের অধিবাসী। বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফের সন-তারিখ পাওয়া যায়নি। তিনি পবিত্র মদীনা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাক দরবারে আগমন করেন এবং মাআরিবের একটি লবণের খনি জায়গীর হিসাবে চান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে উহা প্রদানে স্বীকৃত হন। কিন্তু এক ব্যক্তির আপত্তিতে উক্ত মজলিসেই আবার উহা প্রত্যাহার করে নেন। উহার পরিবর্তে উনাকে অন্য জায়গায় খেজুর বাগান প্রদান করে বাকি অংশ পড়ুন...












