মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ১৪১নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ফসল কাটার সময় তার হক (উশর) আদায় করো।”
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া মুতাবিক- উৎপাদিত শস্য ও ফলমূল অল্প হোক বা বেশি হোক সব ফসলের উশর তথা ফসলের যাকাত আদায় করা ফরয।
তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী যথাযথভাবে উশর বা ফসলের যাকাত আদায় করা।
, ২১ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘উশর’ শব্দখানা আরবী, যা ‘আশারাতুন’ (দশ) শব্দ হতে এসেছে। উনার আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ হচ্ছে- ‘এক দশমাংশ’। আর সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায়, যমীন থেকে উৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য তথা ফল ও ফসলের যাকাতকে উশর বলে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উশর সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ বর্ণিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২৭৬নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের উপার্জিত হালাল সম্পদ হতে এবং যা আমি তোমাদের জন্যে যমীন হতে উৎপন্ন করেছি তা হতে দান করো।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনআম শরীফ ১৪১নং পবিত্র আয়াত শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “ফসল কাটার সময় তার হক (উশর) আদায় করো।” অর্থাৎ যমীন থেকে উৎপাদিত ফল ও ফসলের যাকাতকে উশর বলে। ফল ও ফসলের ১০ ভাগের ১ ভাগ সম্মানিত যাকাত হিসেবে আদায় করাকে উশর বলে। আর ফল ও ফসলের ২০ ভাগের ১ ভাগ সম্মানিত যাকাত হিসেবে আদায় করাকে নিছফু উশর বলে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, “হযরত সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বৃষ্টির পানি, প্রবাহিত ঝর্ণার পানি বা মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা থেকে (কোন সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) আপসে আপ যে ফল বা ফসলাদি উৎপাদিত হয়, সে ফল ও ফসলের এক দশমাংশ (১০ ভাগের এক ভাগ বা ১০%) সম্মানিত যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে (আরবীতে যাকে উশর বলে)। আর সেচের মাধ্যমে যে ফল বা ফসল উৎপন্ন হয় তা থেকে এক-দশমাংশের অর্ধেক (২০ ভাগের এক ভাগ বা ৫%) সম্মানিত যাকাত আদায় করতে হবে (আরবীতে যাকে নিছফু উশর বলে)।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অপর এক বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছে, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বৃষ্টির পানি অথবা ঝর্ণার পানি দ্বারা সিক্ত যমীনের উৎপন্ন ফসলের এক-দশমাংশ এবং সেচের পানি দ্বারা সিক্ত যমীনের উৎপন্ন ফসলের এক-বিংশ অংশ যাকাত দিতে হবে।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশ অনুযায়ী সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া মুতাবিক ধান, গম, যব, খেজুর ও আঙ্গুর প্রভৃতি শস্য ও ফলমূল বিনা সেচে বৃষ্টির পানিতে উৎপন্ন হলে- অল্প হোক বা বেশি হোক সেই ফসলের ১০ ভাগের ১ ভাগ যাকাত হিসেবে দিতে হয়। ইহাকে সাধারণতঃ ‘উশর’ বলে। এই সকল ফসল সেচ বা পরিশ্রম দ্বারা উৎপন্ন হলে উহার نصف العشر বা ২০ ভাগের ১ ভাগ সম্মানিত যাকাত হিসেবে দিতে হয়। উদাহরণস্বরূপ কারো যমীনে পরিশ্রমের মাধ্যমে ৫০ মণ ধান উৎপন্ন হলো তাকে নিছফু উশর অর্থাৎ বিশ ভাগের ১ ভাগ উশর প্রদান করতে হবে, অর্থাৎ ২.৫ মণ ধান উশর হিসেবে দিতে হবে। আর যদি বিনা পরিশ্রমে উৎপন্ন হয় তাহলে উশর তথা দশ ভাগের একভাগ ধান দিতে হবে, অর্থাৎ ৫ মণ ধান উশর হিসেবে দিতে হবে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া মুতাবিক- উৎপাদিত শস্য ও ফলমূল অল্প হোক বা বেশি হোক সব ফসলের উশর তথা ফসলের যাকাত আদায় করা ফরয। তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী যথাযথভাবে উশর বা ফসলের যাকাত আদায় করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস কায়িনাতবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান পবিত্রতম বরকতময় ২রা শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ১লা শা’বান শরীফ! দ্বিতীয় হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ইমাম, ইমামে আ’যম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা।
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১, ২, ৪, ৫, ৭, ১২, ১৩, ১৫, ১৭ এবং ২৯ তারিখ পবিত্র আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করার মাস এবং উনাদের মুবারক উছীলায় এ মাসে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ দেয়া হয়েছে।
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে ছাদিকের সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র দোয়া-মুনাজাত করা।
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি রবীবাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ দিবাগত রাতটিই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! এ বরকতময় রাতে সমস্ত দুয়া সুনিশ্চিতভাবে কবুল হবে। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- আজ রাতে ইবাদত-বন্দেগী, তওবা-ইস্তিগফার, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও দুয়া-মুনাজাত করা এবং আগামীকাল রোযা রাখা।
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা।
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতের পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ শুনেন এবং পাঠকারীদেরকে সরাসরি দেখেন এবং চিনেন। সুবহানাল্লাহ! যা উনার মহাসম্মানিত হাজির ও নাযির হওয়ারও একখানা সুস্পষ্ট ও অকাট্য দলীল।
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রজবুল হারাম শরীফ ১৪৪৭ হিজরী, ২১শে ছামিন ১৩৯৩ শামসী, ১৯শে জানুয়ারি ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফসহ বরকতময় আরো অনেক রাত ও দিন রয়েছে। সে জন্য সকলকেই সতর্কতার সাথে চাঁদ তালাশ করতে হবে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! হযরত খাজা আবূ তালিব উনার ও খলীফায়ে সাদিস, কাতিবে ওহী, সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার প্রতি নিয়ামতসমূহের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিশেষ এক নিয়ামত। সর্বাধিক ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুল ইলম বা সিনা মুবারক চারবার চাক করা হয়েছিলো।
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












