সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সমাজ জীবনে সাধারণ মুসলমান তো বটেই, কার্যক্ষেত্রে আলিম দাবিদারদের মাঝেও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকিরের প্রবণতা তথা এর হাক্বীক্বত উপলব্ধির চেতনা খুবই কম পরিলক্ষিত হয়। এই উদাসীনতার দিকে নির্দেশ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ফিকি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা কাওছার ২নং আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা কাযী ছানাউল্লাহ পানিপথী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
فَعَلـٰى هٰذَا يُثْبَتُ بِهٖ وُجُوْبُ صَلـٰوةِ الْعِيْدِ وَالْاُضْحِيَّةِ
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র ঈদের নামায এবং কুরবানী করা উভয়ই ওয়াজিব। সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে মাযহারী ১০/৩৫৩)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা সাইয়্যিদ মাহমূদ আলূসী বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার স্বীয় তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীর বাকি অংশ পড়ুন...
নিতাক্ব বা ইযার পরিধান করা সম্মানিত সুন্নত মুবারক :
মহিলাদের জন্য সেলোয়ার পরিধান করাই উত্তম এবং পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহিলাদের জন্য সেলোয়ার পরিধান করাই পছন্দ মুবারক করতেন। এবং সেলোয়ার পরিধানকারিণীগণ উনাদের জন্য খাছভাবে তিনি পবিত্র দোয়া মুবারকও করেছেন। তবে, কারো প্রয়োজন হলে সুন্নত পালনের খেয়ালে নিতাক্ব বা ইযার বা দোপাট্টা ব্যবহার করতে পারে।
নিহায়া কিতাবের মধ্যে রয়েছে, মিনত্বাক্ক নিতাক্বকে বলা হয়। মিনত্বাক্ব এ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র তাহাজ্জুদ নামাযের ওয়াক্ত :
{يٰاَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ} ... قَالَ الْعُلَمَاءُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ: كَانَ هٰذَا الْـخِطَابُ لِلنَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ اَوَّلِ الْوَحْىِ قَبْلَ تَبْلِيْغِ الرِّسَالَةِ {قُمِ اللَّيْلَ} اَىْ لِلصَّلٰوةِ {اِلَّا قَلِيْلًا} وَكَانَ قِيَامُ اللَّيْلِ فَرِيْضَةٌ فِى الْاِبْتِدَاءِ وَبيَّنَ قَدْرَهٗ فَقَالَ: {نِصْفَهٗ اَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا} اِلَى الثُّلُثِ {اَوْ زِدْ عَلَيْهِ} عَلَى النِّصْفِ اِلَى الثُّلُثَيْنِ خَيَّرَهٗ بَيْنَ هٰذِهِ الْـمَنَازِلِ.
অর্থ: (হে কম্বলাবৃত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ... হযরত উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন: রিসালত প্রচার কর বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৬১)
{وَلْتَكُن مِّنْكُمْ} لا تزل منكم {أُمَّةٌ} جماعة {يَدْعُونَ إِلَى الخير} إلى الصلح والإحسان {وَيَأْمُرُونَ بالمعروف} بالتوحيد واتباع محمد صلى الله عليه وسلم {وَيَنْهَوْنَ عَنِ المنكر} عن الكفر والشرك وترك اتباع الرسول صلى الله عليه وسلم {وأولئك هُمُ المفلحون} الناجون من السخطة والعذاب.
অর্থ: (তোমাদের মধ্যে থাকা উচিত) তোমাদের মধ্যে সর্বদাই থাকা উচিত (এমন একটি উম্মাহ বা মাযহাব) জামায়াত বা দল (যাঁরা আহবান করবেন নেক কাজের প্রতি,) ইছলাহ ও কল্যাণের প্রতি (ভালো কাজের নির্দেশ দিবেন) তাওহীদ ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
কারাগারের সেই স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ হাজার হাজার বনী আদম বন্দি হয়ে আছে, যাদের রূহ আজ এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ। অপরাধী হোক কিংবা নির্দোষ- প্রতিটি মানুষের ভেতরেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া এক নূরী সত্তা, যা উপযুক্ত তালিম ও তালক্বীন পেলে পুনরায় হিদায়াতের পথে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আধুনিক কারাগারগুলো আজ কেবল শাস্তির গুদামে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের আত্মিক সংশোধনের চেয়ে শারীরিক লাঞ্ছনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজাতীয় ইহুদীবাদি দ-বিধির প্রভাবে আমরা ভুলে গেছি যে, কারাগার হওয়া উচিত ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৫৪)
قوله تعالى: {يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ} قال السدي: هي النبوة، وقال ابن عباس رضي الله عنهما وقتادة: علم القرآن ناسخه ومنسوخه ومحكمه ومتشابهه ومقدمه ومؤخره وحلاله وحرامه وأمثاله، وقال الضحاك: القرآن والفهم فيه، وقال: في القرآن مائة وتسع آيات ناسخة ومنسوخة وألف آية حلال وحرام، وقال مجاهد: هي القرآن والعلم والفقه، وروى ابن أبي نجيح عنه: الإصابة في القول والفعل، وقال إبراهيم النخعي: معرفة معاني الأشياء وفهمها.{وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ} قال: الورع في دين الله {فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ} يتعظ {إِلا أُولُو الألْبَابِ} ذو العقول.
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা উনার কালাম: (মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যাঁকে ইচ্ছা হিকমত বা বিশেষ জ্ঞান দান করেন।) হযরত সুদ্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ব বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আফদ্বালুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিনতু মিন বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতু বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক হাছিল করতে হলে আমাদেরকে অনিবার্যভাবে নিবিষ্ট ও নিবেদিত হতে তথা ফানা ও বাক্বা হতে হবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়িন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “জলীলুল্ ক্বদর রসূল হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনাকে কিয়ামতের ময়দানে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করা হবে, আপনি কি আপনার দায়িত্ব যথাযথ পৌঁছিয়েছেন? তিনি উত্তরে বলবেন, আয় আমার রব তায়ালা! হ্যাঁ আমি পৌঁছিয়েছি। অতঃপর উনার উম্মতগণকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, তিনি কি তোমাদের কাছে দাওয়াত পৌঁছিয়েছেন? তখন তারা বলবে আমাদের কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনারوَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ اُمَّةً وَّسَطًا ‘অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি’ অংশ দ্বারা পবিত্র ইজমাউল্ উম্মাহ শরীফ ও ছহীহ কিয়াস শরীফ যে ইসলামী শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল তা প্রমাণ করা হয়েছে। পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ কিয়াস শরীফ হযরত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের গবেষণার ফল-ফসল। তাই এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে তাকলীদ বা অনুসরণ করতে নির্দেশ করা হয়েছে।
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৪২)
واستدل الشيخ ابو منصور বাকি অংশ পড়ুন...












