SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আহাল%' OR titleBn LIKE '%আহাল%' OR descriptionEn LIKE '%আহাল%' OR descriptionBn LIKE '%আহাল%' OR slug LIKE '%আহাল%' OR metaTag LIKE '%আহাল%' OR metaDescription LIKE '%আহাল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আবুল কালাম আযাদ একজন কৃষক। আম লোক। একদিন তার একটি বিষয় নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব হয়। সে দ্বন্দ নিরসনের জন্য উনার আহলিয়া (স্ত্রী) বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে লোকদেরকে বিচার দেয়। রাস্তার এক লোক তার কথা শুনে আবুল কালাম আযাদকে অপমানজনক অনেক কথা-বার্তা বলে। সে সহ্য করতে না পেরে সবার সামনেই তার আহলিয়াকে (স্ত্রী) একসাথে তিন ত্বালাক্ব¡ দেয়। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান পর্যন্ত গিয়ে পৌছে । চেয়ারম্যান ছাহেব বলেন, এটা সরকারী আইন মুতাবিক ত্বালাক্ব হয়নি। চেয়ারম্যান সাহেব সালিশের মাধ্যমে আবার সংসার করতে বলে। তারা সংসার করতে থাকে। এভাবে প্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনারা বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
২. শর্তবিহীন হীলাহ্। যা জায়েয, শরীয়তসম্মত ও ফযীলতের কারণ। শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার তালাক প্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করতঃ ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর তালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَه مِنْ بَعْدُ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ
অর্থ: অতঃপর যদি সে তার আহলিয়াকে (স্ত্রী) তিন তালাক্ব দেয়, তবে সে আহলিয়া (স্ত্রী) যে পর্যন্ত না তাকে ছাড়া অপর কোন আহাল বা স্বামীর সাথে বিবাহ বসবে, সে পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না। (পব বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الْإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি ওই ক্বওমকে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فرأت أنّ القمر وقع في حجرها وقيل رأت الشمس وقعت على صدرها وقصّتها علي أبيها أو زوجها فلطمها وقال أتريدين ملك يثرب وفي رواية ما تمنين إلا هذا الملك الذى نزل
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরহ্ আলাইহাস সালাম তিনি একবার স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলেন যে আকাশের চাঁদখানা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল আযহার মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোল মুবারক-এ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অন্য বর্ণনা রয়েছেন- তিনি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখেছেন আসমানের সূর্যখানা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূু বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহের প্রকারভেদ (২য় অংশ):
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حضرت الزُّبَيْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الزَّبِيرِ رضي الله عنه أَنَّ حضرت رِفَاعَةَ بْنَ سِمْوَالٍ رضي الله عنه طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَمِيمَةَ بِنْتَ وَهْبٍ رضي الله عنها فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثًا فَنَكَحَتْ حضرت عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزَّبِير رضي الله عنه فَاعْتَرَضَ عَنْهَا فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَمَسَّهَا فَفَارَقَهَا فَأَرَادَ حضرت رِفَاعَةُ رضي الله عنه أَنْ يَنْكِحَهَا وَهُوَ زَوْجُهَا الْأَوَّلُ الَّذِي كَانَ طَلَّقَهَا فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَهَاهُ عَنْ تَزْوِيجِهَا وَقَالَ لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ.
অর্থ: সাইয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদেরকে সম্মানিত রহমত, বরকত, সাকীনাহ্ এবং বিশেষ দীদার মুবারক দান:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ اِسْـمَاعِيْلَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ كَانَ رَجَلٌ بِـمِصْرَ يَصْنَعُ مَوْلِدَ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اِلـٰى جَانِبِهٖ رَجُلٌ يَهُوْدِىٌّ فَقَالَتْ زَوْجَةُ الْيَهُوْدِىِّ مَا بَالُ جَارِنَا الْـمُسْلِمِ يُنْفِقُ مَالًا كَثِـيْـرًا فِـىْ مِثْلِ هٰذَا الشَّهْرِ فَقَالَ اِبْنُ عَمِّهَا اِنَّ نَبِيَّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وُلِدَ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন বাকি অংশ পড়ুন...
فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَ حضرت أَبُو بَكْرٍ عليه السلام حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
তখন আমি বললাম, তাহলে চলুন আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট যাই; বলে আমি ও হযরত সিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম।
فَقُلْتُ: نَافَقَ حضرت حَنْظَلَةُ رضى الله تعالى عنه يَا رَسُولَ اللَّهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:
হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












