SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR titleBn LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR descriptionEn LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR descriptionBn LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR slug LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR metaTag LIKE '%আলোকবর্ষ%' OR metaDescription LIKE '%আলোকবর্ষ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রায় ছয় দশক আগে আবিষ্কৃত এক মহাজাগতিক রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করছে। প্রথম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া ব্ল্যাক হোল সিগনাস এক্স-১ এখনো মহাকাশে বিশাল শক্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি এমন শক্তিশালী কণার ধারা (জেট) ছুড়ছে, যার শক্তি প্রায় ১০ হাজার সূর্যের সমান।
১৯৬৪ সালে প্রথম এই ব্ল্যাক হোল শনাক্ত হয়। বিজ্ঞানীরা তখনো ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান ছিলেন। সম্প্রতি কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে এক গবেষণা ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এই জেটগুলোর শক্তি নির্ণয় করা হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টায় বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় তারা ৪৫টি সম্ভাবনাময় পৃথিবীসদৃশ গ্রহ শনাক্ত করেছে, যেগুলোতে জীবন ধারণের অনুকূল পরিবেশ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
হালনাগাদ নাক্ষত্রিক তথ্য ও গ্রহ-সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে এমন সব শিলাময় বহির্গ্রহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো তাদের নক্ষত্রের ‘বাসযোগ্য অঞ্চল’-এ অবস্থান করছে। অর্থাৎ যেখানে তরল পানি থাকার মতো তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকতে পারে। বর্তমানে আবিষ্কৃত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশে প্রতিনিয়ত মিলছে বিচিত্র সব গ্রহের খোঁজ। এবার বিজ্ঞানীরা এমন এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যার আকার প্রচলিত সব ধারণা পাল্টে দিয়েছে। বৃহস্পতি গ্রহের সমান এই গ্রহটি গোল নয়, বরং দেখতে অনেকটা লেবুর মতো।
নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়া এই অদ্ভুত গ্রহটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, সেখানে এমন একধরনের বায়ুম-ল রয়েছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। সাধারণত কার্বন অক্সিজেন বা নাইট্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত থাকে। কিন্তু এই গ্রহে কার্বন পাওয়া গেছে একেবারে বিশুদ্ধ আকারে, যা বিজ্ঞানীদের কাছে প্রায় অসম্ভব বাকি অংশ পড়ুন...
মহাবিশ্বে এক বিরল দৃশ্য শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। একটি বিশাল ডার্ক ম্যাটার (অন্ধকার বস্তু)-এর সুতো বা ফিলামেন্টের ভেতরে থাকা ১৪টি গ্যালাক্সি একই দিক দিয়ে ঘুরছে। এই সুতোটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। গবেষকদের মতে, এভাবে একসঙ্গে ঘুরতে দেখা-এখন পর্যন্ত মহাবিশ্বে অন্যতম বৃহৎ ঘূর্ণায়মান কাঠামো।
এই ডার্ক ম্যাটার-সুতো আসলে মহাবিশ্বের কসমিক ওয়েব-এর অংশ। এর মাঝখানে প্রায় সোজা সারিতে সাজানো রয়েছে ১৪টি গ্যালাক্সি। লম্বায় প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ আর প্রস্থে ১১৭ হাজার আলোকবর্ষ। এদের ভেতর প্রচুর হাইড্রোজেন গ্যাস আছ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় আড়াই কোটি আলোকবর্ষ দূরে একটি তারার মৃত্যু! এমন আলোর ঝলকানি স্মরণাতীত কালে দেখেছেন বলে মনে করতে পারছে না বিজ্ঞানীরা।
কোনও তারা বা নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় যে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ হয়, তাকে বলে সুপারনোভা। সুপারনোভার সময় তীব্র আলোর ছটা দেখা যায় মহাকাশে। কিন্তু সেই ছটার ঔজ্জ্বল্য বেশি দিন থাকে না। অল্প সময়েই তা ফিকে হতে শুরু করে। তারপর তা হারিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার এদিক-ওদিক হলেই বড় সুযোগ হাতছাড়া দহয়ে যেতো চীনা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের।
২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এই সুপারনোভা দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। এটির নাম রাখা হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবী থেকে মাত্র ১৮ আলোকবর্ষ দূরের একটি গ্রহের খোঁজ মিলেছে। পৃথিবীর মতো কিন্তু আকারে বড় বলে এ ধরনের গ্রহ সুপার-আর্থ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া (ইউসি), আরভিনের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই রোমাঞ্চকর সুপার-আর্থ আবিষ্কার করেছে।
নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চল থেকে প্রদক্ষিণ করছে। এই অঞ্চলের তাপমাত্রার কারণে তরল পানি থাকার সম্ভাবনা বেশ। গ্রহটিতে জীবনধারণের উপযোগী পরিবেশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করে থাকে। এই নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি মিল্কিওয়ে ছায়াপথের একটি নিকটবর বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজগতের এক দূরবর্তী প্রান্তে বিজ্ঞানীরা এমন এক রহস্যময় অদৃশ্য বস্তুর সন্ধান পেয়েছে, যার ভর সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০ লাখ গুণ বেশি। তবে এখনো এর প্রকৃতি বা গঠন ঠিক কি, তা বিজ্ঞানীরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, বস্তুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১০ বিলিয়ন (একশ কোটিদ্ধ১০) আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এটি কোনো আলো বিকিরণ করে না, তাই সরাসরি দেখা যায় না। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি হয়তো ডার্ক মেটার এর ছোট একটি অংশ, অথবা এটি হতে পারে একটি ক্ষুদ্র, নিষ্ক্রিয় ছোট আকারের ছায়াপথ।
গবেষণার ফলাফল দুটি আন্তর্জাতিক বিজ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে শক্তিশালী ও দূরবর্তী এক ‘অদ্ভুত রেডিও বলয়’ আবিষ্কার করেছে। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং আকারে প্রায় ৯ লাখ ৭৮ হাজার আলোকবর্ষ বিস্তৃত।
এ আবিষ্কারটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের বিবর্তন ও ব্ল্যাকহোল (অন্ধকার নক্ষত্রগহ্বর) সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে।
এই রেডিও বলয়টির নাম জঅউ ঔ১৩১৩৪৬.৯+৫০০৩২০। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় দ্বি-বলয়যুক্ত ঙজঈ। গবেষকদের মতে, এটি একটি বিশালাকৃতির রেডিও তরঙ্গ বলয়, যা কোনো গ্যালাক্সিকে ঘিরে থাকে। এমন বলয় প্রথম দেখা গি বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বে দুইটি ব্ল্যাক হোলের (অতল মহাজাগতিক বস্তু) সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ শনাক্ত করেছে। এটি শনাক্ত করা হয় গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ (মহাশূন্যে সৃষ্ট তরঙ্গ) ডিটেক্টরের মাধ্যমে।
এই সংঘর্ষ ঘটে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ও লুইজিয়ানায় স্থাপিত লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরি (লিগো) নামের দুটি যন্ত্র একসঙ্গে এটি শনাক্ত করে। এ সময় মাত্র ০.১ সেকেন্ড স্থায়ী তরঙ্গ শনাক্ত হয়, যার নাম দেওয়া হয়েছে এড২৩১১২৩।
সংঘর্ষে যুক্ত দুটি ব্ল্যাক হোলের ভর ছিলো যথাক্রমে সূর্যের ভরের ১০০ ও ১৪০ গুণ। সংঘর বাকি অংশ পড়ুন...












