যখন পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেলেন তখন আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি আসলেন, তিনি তখন লজ্জিত হচ্ছিলেন বার বার। উনার সম্মানিত আওলাদ উনার জন্য এই ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে, একটা হারের জন্য এটা কেমন কথা। তিনি এসে শোকরগুযারী করলেন। তিনি এসে এতো খুশি হলেন, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলের পর তিনি খুশিতে কেঁদে ফেললেন এবং সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অত্যন্ত সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করলেন। এটা অনেক বড় নিয়ামত উম্মতকে দেয়া হলো। তিনি বললেন, আপনি যে এতো বড় বরকতময় এতো সম বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের সমাজে একটি ফিতনা প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, কিছু সংখ্যক অজ্ঞ এবং চরম বেয়াদব শ্রেনীর মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত ‘উম্মী’ শব্দকে কেন্দ্র করে বলে থাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে ও পড়তে জানতেন না। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
লুগাত বা অভিধান অনুযায়ী উম্মী শব্দের অনেক অর্থ আছে যা সাধারনভাবে আলোচিত হয়। কিন্তু উম্মী শব্দের আরেকটি অর্থ আছে যা পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে প্রমাণিত যা কিনা সাধারনত কেউ উল্লেখ করে না। বরং একশ্রেনীর মিথ্যাবাদী বাতিল ফিরকার অনুসারী বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) হযরত ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
أهل الحجاز يطلقون كذب في موضع أخطا
অর্থ: হেজাযের লোকেরা خطاء এর স্থলে কখনো কখনো كذب শব্দ ব্যবহার করে। (মুকাদ্দিমা ফতহুল বারী ৪২৬)
এখন রাবীদের ব্যাপারে ‘কিযব’ বা মিথ্যাবাদী শব্দ দেখে পবিত্র হাদীছ শরীফ বাদ দিয়ে দেয়ার আগে বিভিন্ন স্থান ভেদে ইমামদের প্রচলিত ভাষা সম্পর্কেও যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে।
রিজাল শাস্ত্রের ইমাম উনাদের এধরনের আরো অনেক ব্যাখ্যামূলক ভাষা রয়েছে। যার সম্পর্কে পূর্ণ ইলিম না থাকলে ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে। এ কারণে হযরত আব্দুল হাই লখনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-
ول বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যা। বোঝা নয় বরং নেয়ামত। বদলে যাচ্ছে দেশের মানচিত্র। এভাবে বাড়তে বাড়তে একদিন অনেক বড় হবে বাংলাদেশ। খাদ্য রপ্তানী হবে। কারণ জমি বাড়ছে, খাদ্য উৎপাদনও বাড়বে বহুগুণ। সততার ভিত্তিতে চললে দেশ হবে সোনায় সোহাগা। বাংলাদেশে কাজের জন্য বিদেশ থেকে লোক আনতে হবে ইনশাআল্লাহ।
বিজ্ঞানীদের মতে, বঙ্গোপসাগরের নীল পানিরাশির তলদেশ হবে ‘প্রমিজড ট্রেজার অব দ্য ফিউচার’ বা ‘প্রতিশ্রুত ভবিষ্যৎ সম্পদভা-ার’। বিজ্ঞানীদের এ ধারণার সত্যতা মিলছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন নদীর মোহনা বাকি অংশ পড়ুন...
তবে ছহীহ বর্ণনা যে, যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যারা বাঁদী, খাদিমা এরা হালাল হওয়ার পরেও তিনি কোন বাঁদী কোন খাদিমার সাথে কখনও কোন নিসবত মুবারক স্থাপন করেননি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাই বলে দিচ্ছেন, আপনার যারা অধিনস্থ তাদেরকে আপনার জন্য হালাল করে দেয়া হলো। তবে
مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْكَ
মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে ‘ফাই’ দিয়েছেন। অর্থাৎ গণিমতের মাল হিসাবে অথবা যুদ্ধ জিহাদ করে যাদেরকে লাভ করতে পেরেছেন। এখানে একটি কুফরী আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথা মুবারক বলেননি, কোনো কাজ মুবারক করেনন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে ছলেহ বা নেক কাজ করেছে তাদের জন্যই জান্নাতে মেহমানদারীর ব্য বাকি অংশ পড়ুন...












