পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ مُرْسَلًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوْا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ رَسُوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ:- হযরত ইমাম মালেক বিন আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি মুরসাল সূত্রে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি জিনিস রেখে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’ট বাকি অংশ পড়ুন...
শিক্ষা জাতির মেরুদ-। কোন জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা মানে তার মেরুদ- ধ্বংস করা। কোন ব্যক্তির মেরুদ- ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেমন সে আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি কোন জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হলে সে জাতি আর মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে না। নুয়ে থাকে।
ব্রিটিশরা এ অঞ্চলে আসার আগে এ অঞ্চলে মুসলমান প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত উঁচু স্তরের ছিলো। সেই সময় মুসলমান প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ছিলো আরবী ও ফারসী ভাষার উপর নির্ভর। মুসলমানরা তো অবশ্যই হিন্দুরাও সেই ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতো। কিন্তু উঁচু স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা থাকলে তো বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদ সিতারা!
শাহ মুজিরা!
আরাবী সাহারা!
সেরা সেরা বুশরা!
মদীনাওয়ালী জান্নাতি লালি
নাযিল করেন নাজাতি ডালি
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
গোলামকে বানান শক্তিশালী
রাখেন না কারও হাত খালি
ছানী কুবরা
প্রাণের পেয়ারা
সাজান শাহী হুজরা
সেরা সেরা বুশরা
নূরানী আক্বা নও মালিকা
কদমে ফিদা সব সালিকা
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
দিদারে আসে নূর জীবিকা
দিলে মিলে যায় ধামাকা
খুশির ধারা
খুশির নারা
খুশি সীমা ছাড়া
সেরা সেরা বুশরা
তাশরীফে জাহান হয় ভাগ্যবান
বুলন্দ স্বরে আহলান সাহলান
দিল খুলে স্বাগতম আম্মাজান
হামেশা আনন্দে আশ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক উনার অনুসরণ করবে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত লাভ করবে এবং ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে। এছাড়া আরো অসংখ্য নিয়ামত লাভে ধন্য হবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিন বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মে শাহযাদা সেরা মুর্শিদা
শাহী সাইয়্যিদা শাহী সাইয়্যিদা
ইসমে সর্বদা ইশকি শাহাদা
শাহী সাইয়্যিদা শাহী সাইয়্যিদা
নূরুন আলা নূর
নূর আম্মা হুজুর
মুবারক রোবে
করেন আধার দূর
দয়ার সমুদ্দুর
মমতায় মশহুর
দু’হাতে বিলান
নিয়ামত ভরপুর
শুকরিয়ায় সদা
পড়ছি কাছীদা
শাহী সাইয়্যিদা
শাহী সাইয়্যিদা
কুবরায়ী শানে
দোনো জাহানে
প্রশান্তি বাটেন
প্রতিটি প্রাণে
ফায়িজের বানে
জান্নাতের পানে
হাকিয়ে নিচ্ছেন
কুল আশিকানে
দিলের আক্বীদা
দিলেন মর্যাদা
শাহী সাইয়্যিদা
শাহী সাইয়্যিদা
বেমেছাল শান্দার
শাফিয়া নামদার
মামদুহ আহালী
হৃদয় মণিহার
অসীম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।” সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার অসংখ্য পবিত্র ই’জায শরীফ রয়েছেন, যা উনার সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার সত্যতা ও মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম কুদরত মুবারকের প্রমাণ। এই পবিত্র ই’জায শরীফ গুলো শুধু অতীতের ইতিহাস নয়; বরং আজকের জীবনেও পবিত্র ঈমান উনার শক্তি বৃদ্ধির উৎস। বিশেষ করে পানি সংকটের মধ্যে একটি বিস্ময়কর অলৌকিকতা ঘটেছিলো, যা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কাছে প্রত্যক্ষ হয়ে আজও আমাদের হৃদয়ে গভীর শিক্ষা প্রদান করে। এই পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার পূর্বে (১৪৩৩ হিজরী শরীফ-এ)। আমাকে দেখানো হচ্ছিলো, দেখলাম সরাসরি সাক্ষাৎ হলো যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে। তিনি আমাকে অনেক বড় বড় লেখকদের কতগুলো আরবী বড় বড় কিতাব দেখালেন। এর মধ্যে অনেক ইবারত, অনেক ভুল। এখন যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ত বাকি অংশ পড়ুন...
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা। কেননা সিনা মুবারক চাক করা সম্পর্কে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে না পারলে ঈমানদার থাকা কারো জন্যই সম্ভব নয়।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
পারস্য শাসক কিসরা উনাকে এগিয়ে আসতে দেখেই দরবারের একজনকে ইঙ্গিত করলো চিঠি মুবারক উনার থেকে নেওয়ার জন্য।
তিনি অন্য কারো হাতে চিঠি মুবারক দিতে অস্বীকার করে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা সরাসরি পারস্যের শাসকের হাতে দিতেই আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন। কিসরা বললো, ‘তাহলে উনাকে আসতে দাও।’ তিনি কিসরার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সরাসরি তার হাতে চিঠি মুবারক হস্তান্তর করলেন।
এরপর কিসরা ইরাকের হীরা-অঞ্চলের একজন আরবী জানা লোককে ডেকে চিঠির বক্তব্য পারস্যভাষায় তাকে বাকি অংশ পড়ুন...












