মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি।”
শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার প্রতি নিয়ামতসমূহের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিশেষ এক নিয়ামত। সর্বাধিক ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুল ইলম বা সিনা মুবারক চারবার চাক করা হয়েছিলো।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চারবার সিনা মুবারক চাকের লক্ষ-কোটি কারণ রয়েছে। তার মধ্যে একটি কারণ হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অসীম-অফুরন্ত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন সেটার প্রকাশ ঘটানো বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা।
, ২০ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা। কেননা সিনা মুবারক চাক করা সম্পর্কে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে না পারলে ঈমানদার থাকা কারো জন্যই সম্ভব নয়।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি। মহান আল্লাহ পাক ‘পবিত্র সূরা ইনশিরাহ শরীফ’ উনার প্রথম পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরহে ছুদূর সম্পর্কে বলেন। যা মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার প্রতি নিয়ামতসমূহের বিশেষ এক নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
শরহে ছুদূর বা সিনা মুবারক চাক করা সম্পর্কে আলোচনাকালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ ব্যক্ত করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে, নূরে মুজাস্সাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সিনা মুবারক চাক করা হয়েছিলো চারবার। প্রথমবার যখন তিনি স্বীয় দুধ মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত হালীমা সা’দিয়া আলাইহাস সালাম তিনি উনার লালন-পালনে, তখন উনার বয়স মুবারক তিন থেকে পাঁচ বছর ছিলো। দ্বিতীয়বার দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়স মুবারকে। তৃতীয়বার আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক ঘোষণার সময় হেরা গুহায় এবং চতুর্থবার আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাতে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার মধ্যে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে থাকে যে, “প্রথমবার সিনা মুবারক চাকের সময়, উনার ভিতর থেকে ক্বল্ব বের করে তা ফেঁড়ে শয়তানের অংশ বের করে ফেলে দিয়ে ক্বলবকে পবিত্র করা হয়েছিলো এবং শিশু সূলভ আচরণ দূরীভূত করা হয়েছিলো।” নাঊযুবিল্লাহ! “দ্বিতীয়বার সিনা মুবারক চাকের সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতর থেকে মুহলিকাত দূর করা বা মুনজিয়াত পয়দা করা হয়েছিলো।” নাঊযুবিল্লাহ! তাদের এ বক্তব্য কুফরীমূলক এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ইনকার ও ইহানতের শামিল। কারণ উম্মতদেরকে শয়তানের ওয়াস্ওয়াসা এবং হিংসা-বিদ্বেষ ও কামভাব দূর করার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে প্রেরণ করলেন উনার মধ্যে সেগুলো থাকে কিভাবে? আর হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা তো নবী ও রসূল যদিও উনারা শিশু হোন না কেন। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা মতে, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনারা সমস্ত প্রকার খারাপ বিষয় এবং অপবিত্রতা থেকে সম্পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র এমনকি পবিত্র থেকে পবিত্রতম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো মহান আল্লাহ পাক উনার রঙে রঙীন, গুণে গুণান্বিত। পবিত্র হাদীছ কুদসী শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি আপনাকে খলীল ও হাবীব হিসেবে গ্রহণ করেছি।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে থাকে যে, “নুবুওওয়াতের ভার বহন ও ধারণ করার জন্য তৃতীয়বার সিনা মুবারক চাক করা হয়েছিলো।” নাঊযুবিল্লাহ! তাদের এ বক্তব্য পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার খিলাফ ও কুফরী। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ব্যতীত এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা বিনা সিনা মুবারক চাকে নুবুওওয়াত ও রিসালতের ভার ধারণ ও বহন করলেন, তাহলে যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, যিনি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে সিনা মুবারক চাক ব্যতীত নুবুওওয়াত ও রিসালতের ভার বহন ও ধারণ করতে অক্ষম ছিলেন- এ ধারণা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা ও শান মুবারক উনার পরিপন্থী। যা কাট্টা কুফরী। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিসহ সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মনোনীত করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম ও মানুষের মধ্য হতে রসূল মনোনীত করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে থাকে যে, “নুবুওওয়াত প্রাপ্তির পরও খারাবী হাল বা ভাব দমিত না হওয়ায় আবার পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাতে সিনা মুবারক চাক করে পবিত্র করা হয়েছিলো।” নাঊযুবিল্লাহ! তাদের এ বক্তব্যও পবিত্র হাদীছ শরীফ ও সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ হওয়ায় কুফরীমূলক হয়েছে। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিটি বিষয় পবিত্র ওহী মুবারক উনার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সুতরাং উনার খারাপ হাল বা অবস্থা থাকার ধারণা করা পবিত্র ওহী মুবারক উনার প্রতি দোষারোপের শামিল। যা ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত সঠিক বক্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চারবার সিনা মুবারক চাকের লক্ষ-কোটি কারণ রয়েছে। তার মধ্যে একটি কারণ হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অসীম-অফুরন্ত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন সেটার প্রকাশ ঘটানো বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। পবিত্র করা, মা’ছূম করা, মুহলিকাত দূর করা বা মুনজিয়াত পয়দা করা কোনোটাই উদ্দেশ্য নয়। কারণ তিনি তো পরিপূর্ণভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার গুণে গুণান্বিত হয়েই পয়দা হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শরহে ছুদূর বা সিনা মুবারক চাক উনার যে ওয়াকেয়া তা হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদত্ত নিয়ামতসমূহের একটি নিয়ামত প্রদানের আনুষ্ঠানিক ওয়াকেয়া। কারণ মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত নিয়ামত দিয়েই সৃষ্টি করেছেন। নতুন করে দেয়ার মতো কোনো নিয়ামত বাকি ছিলো না। এর মেছাল হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরও নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে পয়দা করেছেন। তারপরে দুনিয়াবী জিন্দিগীর চল্লিশ বৎসর বয়স মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত ও রিসালত প্রদান করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শরহে ছুদূর বা সিনা প্রসারিত হওয়া ব্যতীত আল্লাহ পাক উনার ও হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের হাক্বীক্বী মুহব্বত, মা’রিফত, তায়াল্লুক, নিসবত ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা সম্ভব নয়। কাজেই সমস্ত উম্মতের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- শরহে ছুদূরের ফয়েয হাছিল করা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা। কেননা সিনা মুবারক চাক করা সম্পর্কে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে না পারলে ঈমানদার থাকা কারো জন্যই সম্ভব নয়।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আসন্ন মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন- শাহরুন আ’যীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহান মাস। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার হক্ব যথাযথ আদায় করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা। আর খাছ করে সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য ফরয হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত মাস উনার পবিত্রতা রক্ষার্থে এখন থেকেই গান-বাজনা, খেলাধুলা, বেপর্দা-বেহায়াপনাসহ সর্বপ্রকার হারাম-নাজায়িযসহ শরীয়ত বিরোধী যাবতীয় কার্যক্রম কঠোরভাবে বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া।
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র সাহরী, পবিত্র ইফতার ও পবিত্র নামায উনাদের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা। কেননা, সামান্য অসাবধানতা ও গাফলতির কারণে কোটি কোটি মুসলমানের ফরয রোযা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ!
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে শা’বান শরীফ ১৪৪৭ হিজরী, ২০ তাসি’ ১৩৯৩ শামসী, ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ১, ২, ৩, ৬, ৭, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২৩, ২৫, ২৬, ২৭ এবং ২৯ তারিখ পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা এবং কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমান উনাদের জন্য- কোনো অবস্থাতেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ বেদ্বীনী-বদদ্বীনী, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা, আইন-কানুন, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি তালাশ করা, গ্রহণ করা, আমল করা, অনুসরণ করা জায়িয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে মানবপ্রণীত গণতন্ত্র ও ভোট-নির্বাচন করা ও প্রার্থী হওয়া সম্পূর্ণরূপে হারাম, নাজায়িয ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ! অতএব, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- কাফিরদের প্রণীত গণতন্ত্র ও ভোট-নির্বাচনসহ সর্বপ্রকার মতবাদ বাদ দিয়ে হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক সম্পর্কে ইলম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমল করা।
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহিলাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী। এ ব্যাপারে ইজমায়ে আযীমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা অস্বীকার ও অমান্য করা কাট্টা কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। অতএব মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মসজিদ ও ঈদগাহসমূহে মহিলাদের জামায়াত বন্ধ করে দেয়া।
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সরকার ও ব্যবসায়ীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযাদার উনাদের প্রতি সহানুভূতির লক্ষ্যে প্রতিটি পণ্যের মূল্য সহনশীল ও নাগালের মধ্যে রাখা । কেননা, অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে মওজুদ করে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িজ। নাউযুবিল্লাহ!
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা।
০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ বেমেছাল বরকতময় পবিত্র ১৭ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করে উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! যা মুসলমানদের জন্য দোয়া, ক্ষমা বা মাগফিরাত, তওবা কবুলের খাছ রাত, বিপদ-আপদ, আযাব-গযব থেকে নাজাত এবং এক বছরের হায়াত-মউত ও রিযিকের ফায়ছালার রাত। সুবহানাল্লাহ!
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












