এক খ্রিষ্টান পাদরি:
অন্তর প্রশান্তকারী এই ঘটনার খবর গিয়ে পৌঁছলো খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট। শুনে তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে, কখনও এতটা আনন্দিত হননি কোনো অভিযানে বিজয় বা গনিমত অর্জনের পর! তিনি আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে বললেন, ‘এখন ইসলাম সম্মানিত হলো।’ ইসলামের স্বকীয়তা বজায় রইলো! কতগুলো ছোট্ট শিশু তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কথা শুনলো, অতঃপর রেগে উঠলো এবং বিজয় লাভ করলো। এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার যে ষড়যন্ত্র করেছিলো, সেটা বাস্তবায়ন করার কোনো সুযোগ না পেয়ে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ওরে মহান আল্লাহ পাক উনার দুশমনরা! তোদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অভিশাপ বর্ষিত হোক।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান শরীফ, কিন্তু গাজার ফিলিস্তিনিরা এখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। দীর্ঘ যুদ্ধ, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে রমজান শরীফ মাসের পবিত্র আমলসমূহের স্বাভাবিক আনন্দ প্রতিটা ফিলিস্তিনির কাছেই হারিয়ে গেছে।
রমজান শরীফে ইবাদত, আত্মসমালোচনা, দান-সদকা, একসঙ্গে ইফতার করা, একসাথে তারাবীহ আদায় ইত্যাদি পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে উদযাপিত হলেও গাজার পরিস্থিতি ভিন্ন; বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২২)
اهدنا الصراط المستقيم، صراط الذين أنعمت عليهم ممن تقدم وصفهم ونعتهم، وهم أهل الهداية والاستقامة والطاعة لله ورسله، وامتثال أوامره وترك نواهيه وزواجره.
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ ত্রয়ের তাৎপর্য এই যে, “আয় মহান আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ দান করুন। এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন” এখানে নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ তালাশ করতে বলা হয়েছে। পূর্বে উনাদের গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। উনারাই হলেন হিদায়েতপ্রাপ্ত ও হিদায়েত উনার উপর ইস্তিক্বামত তথা দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত। মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যে প্রতি বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
আমির বিন তুফাইল, আরবাদ বিন ক্বাইস। তারা ছিলো বনূ আমীরের গোত্র প্রধান। আরবের অধিকাংশ লোক যখন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে প্রবেশ করেছেন তখনও এই দুই অভিশপ্ত ঈমানতো আনেইনি বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। গোত্রের সবাই ঈমান গ্রহণ করেছেন, এই কথা বলে আমির বিন তুফাইলকে বলা হলো সেও যেন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সে বললো, ‘আমি শপথ নিয়েছি, সমগ্র আরব জাতি আমার নেতৃত্ব মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমি থামবো না। আজ কিনা কুরাইশ গোত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوْا فَقَدِ احْتَمَلُوْا بُهْتَانًا وَاِثْـمًا مُّبِينًا ◌
অর্থ : যারা বিনা অপরাধে ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার মহিলাদের কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্যে পাপের বোঝা বহন করে। (পবিত্র সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ৫৮)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন ব্যক্তি অপর কাউকে ফাসিক বলবে না এবং কুফরীর অপবাদও দিবেনা। কেননা সেই ব্যক্তি সেরূপ না হলে তবে তার অপবাদ নিজের উপরই বর্তাবে। (বুখারী শরীফ)
তিনি আরো বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تُـحْشَرُ ابْنَتِـىْ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَمَعَهَا ثِـيَابٌ مَّصْبُوغَةٌ ۢبِدَمٍ فَتَتَعَلَّقُ بِقَائِمَةٍ مِّنْ قَوَائِمِ الْعَرْشِ فَتَقُوْلُ يَا عَدْلُ احْكُمْ بَـيْـنِـىْ وَبَيْنَ قَاتِلِ وَلَدِىْ فَيُحْكَمُ لِابْـنَـتِـىْ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক কর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
(৩)
আবূ আফাক নামক অভিশপ্ত ইহুদীকে হত্যা:
দ্বিতীয় হিজরী শরীফ উনার শাওওয়াল শরীফ মাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত সালিম ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে আবূ আফাক নামক অভিশপ্ত ইহুদীকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়ার জন্য প্রেরণ করেন। সে ছিলো এক বৃদ্ধ ব্যক্তি, যার বয়স ছিলো প্রায় ১২০ (একশ বিশ) বছর।
وَكَانَ يُحَرِّضُ عَلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَقُوْلُ فِيْهِ الشِّعْرَ
‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
‘আত-তাক্বলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ’ এর আলোচনা ও হুকুম:
التقليد غير الشرعى আত-তাকলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা সম্মানিত শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ: পবিত্র কুরআন মাজীদ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস উনাদের দলীল-আদিল্লাহ উনাদের বিপরীতে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো শয়তান ও তাগুতী যাবতীয় বাতিল মত-পথ মেনে চলাকে ‘আত-তাকলীদু গাইরুশ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ’ বলে। একে ‘তাকলীদুন নফ্স’ ও ‘তাকলীদুল হাওয়া’ তথা প্রবৃত্তির অনুসরণও বলা হয়ে থাকে।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছেন, আছমা বিনতে মারওয়ান ছিলো এক অভিশপ্ত, কুখ্যাত, ঔদ্ধত্যপরায়ণা ও বিদ্বেষপরায়ণা কাফির মহিলা।
وَكَانَتْ تَعِيْبُ الْاِسْلَامَ وَتُؤْذِىْ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘এই অভিশপ্ত মহিলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে কটাক্ষ করত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিত, উনার মানহানি করতো।’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
হযরত উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু নামে একজন অন্ধ ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উক্ত কাফির মহিলাক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত তাবুক প্রান্তর এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি উপত্যকার নাম ‘আক্বাবা’। এই উপত্যকার উচ্চভূমির পথ ছিলো কঠিন ও দুর্গম, যা ‘আক্বাবা’ নামে পরিচিত। অপরদিকে, তার নিম্নভূমি ছিলো সমতল, সহজ ও সুগম- যেটি ‘বাতনুল ওয়াদী’ নামে পরিচিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত তাবুক জিহাদ মুবারক থেকে ফেরার পথে কিছু অভিশপ্ত মুনাফিক্ব উনার বিরুদ্ধে এক জঘন্য ষড়যন্ত্র করে। এক বর্ণনা মতে-
اَجْـمَعُوْا اَنْ يَّـقْتُـلُوْهُ
‘তারা সম্মলিতভাবে একমত হয় যে, নূর বাকি অংশ পড়ুন...












