‘সৌদি বিনিয়োগ বাংলাদেশের মূলধন বাজারে ভূমিকা রাখতে পারে’
, ১৬ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সৌদি আরবের বিশাল বিনিয়োগ তহবিল বাংলাদেশের মূলধন বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি শুধু বাংলাদেশের অর্থনীতি নয়, দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককেও আরও দৃঢ় করবে।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসএবিসিসিআই) আয়োজিত বিজনেস সামিট-২০২৫ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এখন ‘ফ্রন্টিয়ার ইকোনমি’ থেকে ‘ইমার্জিং ইকোনমি’তে উত্তরণের পথে। ভবিষ্যতে যখন আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সক্রিয়ভাবে প্রবেশ করবো, তখন সৌদি বিনিয়োগ বাংলাদেশের মূলধন বাজারে বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মূলধন বাজারে এখনও নতুন বিনিয়োগের সুযোগ আছে। সৌদি বিনিয়োগ শুধু মূলধন বাজারেই নয়, জ্বালানি খাত, বস্ত্র খাত এবং আরও অনেক খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দুই দেশের বেসরকারি খাত একত্রে কাজ করলে এর সুফল দ্বিগুণ হবে।
বিএনপির এ নেতা বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের সূচনা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় থেকেই। এই সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের শ্রমিকরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সরকারি অনুমোদনের মাধ্যমে কাজ করতে পারে।
আমীর খসরু বলেন, এই প্রক্রিয়াটি একটি বিশাল রূপ নিয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শ্রমিক কাজ করছেন। তাদের জন্য আতিথেয়তা প্রদর্শনের জন্য সৌদি আরবকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
তবে তিনি শ্রমিক দক্ষতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমাদের অনেক শ্রমিক এখনও অদক্ষ বা কম দক্ষ। তাই দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন, কীভাবে তাদের দক্ষ করে তোলা যায়, পুনঃদক্ষতা বা দক্ষতা উন্নয়ন করা যায়।
তিনি বলেন, আমি প্রস্তাব করছি, বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স যেন সৌদি আরবে গমনরত শ্রমিকদের জন্য যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক হলে রেমিট্যান্স আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৩)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৫)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ যারা পালন করেন উনাদেরকে অনেক ফযীলত দেয়ার সাথে সাথে তিনটি বিশেষ ফযীলত হাদিয়া করা হয়-
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ওলীআল্লাহ উনাদের সম্পর্কে বদ আক্বীদা পোষণ এবং উনাদের বিরুদ্ধাচরণের কারণে কঠিন পরিণতি
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৫)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মসজিদের মধ্যে উচ্চস্বরে কথা বলা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












