মন্তব্য কলাম
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
, ২৪ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বরUnited Nations International Children's Emergency Fund বা ‘জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শিশু জরুরি তহবিল’ বা ইউনিসেফ তৈরী প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এবং চীনের ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জরুরি খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং পোশাক সরবরাহের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও পরবর্তীতে শিশুদের অধিকারের নামে বিভিন্ন দেশে পশ্চিমা অনৈতিকতা, অপসংস্কৃতি চালুর প্রকল্প বাস্তবায়নের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
এটি শিশুদের মধ্যে দ্বীনি মূল্যবোধ-রীতিনীতি মেনে না চলা, সামাজিক কাঠামো ও পারিবারিক শৃঙ্খলা উপেক্ষা করা, দেশীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ না মানা বরং পশ্চিমা অপসংস্কৃতি যেমন, সমকামীতা, সমঅধিকার, ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদি চর্চার শিক্ষা দিচ্ছে। এজন্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ, সিলেবাস পরিবর্তন, বিতর্কিত বিষয়বস্তু অন্তর্ভূক্তকরণ, অনৈতিক চাপ প্রয়োগ, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে ব্যাপক অর্থায়ন ও নীতি সহযোগীতা দিয়ে থাকে।
একই লক্ষ্যে পূর্ব পাকিস্থান আমল থেকেই ইউনিসেফ বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ও বেপরোয়াভাবে ‘ইউনিসেফ’ বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে এলজিবিটিকিউ বা সমকামীতা সহ পশ্চিমা অপসংস্কৃতি চালুর লক্ষ্যে শিক্ষানীতি পরিবর্তন, সিলেবাসে বিবর্তনবাদ, কথিত লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা, মুসলিম পারিবারিক কাঠামো ভেঙ্গে দেওয়ার মতো গুরুতর অনৈতিক কাজে অর্থায়ন ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
পারিবারিক কাঠামো পরিবর্তন:
শিশুদের 'ব্যক্তিগত অধিকার' বা 'গোপনীয়তার' অধিকারের কথা বলে শিশুদের অনৈতিক কাজে উৎসাহ প্রদান করে ইউনিসেফ। এসব কথিত অধিকারের নামে পরিবারের অভিভাবকত্ব এবং মা-বাবার পারিবারিক শাসন উঠিয়ে দিতে কাজ করছে। পশ্চিমা দেশগুলোর মতো ১৮ বছর বয়স মানে প্রাপ্ত বয়স্ক। এই ফর্মূলা প্রয়োগ করে শিশু-কিশোরদের মুসলিম পারিবারিক ঐতিহ্যের বাহিরে নিয়ে পশ্চিমা বেহায়াপনা সংস্কৃতিতে অভ্যস্থ করে তুলছে।
প্রজনন শিক্ষার নামে অশ্লীল শিক্ষা:
বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য ও প্রজনন শিক্ষার নামে শিশুদের শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীদের নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এনজিওদের মাধ্যমে বৈধ বাল্যবিবাহ বন্ধে শিক্ষা দিচ্ছে অথচ অবৈধ বাল্য প্রেমকে উৎসাহ দিচ্ছে ইউনিসেফ। অনৈতিক কাজকে বৈধতা দিচ্ছে। শিশুদের নৈতিক অবক্ষয়ে অর্থায়ন করছে।
শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষানীতি ও পাঠ্যপুস্তকে অনৈতিকতা ঢুকাতে অর্থায়নও চাপ প্রয়োগ:
ইউনিসেফ এর অর্থায়নে ও চাপে পাঠ্যপুস্তকে, শিক্ষা ব্যবস্থায় বিবর্তনবাদ, লিঙ্গীয় সমতা (Gender Identity), সমকামীতা, আদিবাসী ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের নামে নতুন শিক্ষাক্রমের বিতর্কিত বিষয়বস্তু তৈরি, পাঠ্যপুস্তকে যাতে জেন্ডার বা নারী-পুরুষের সমতা থাকে এবং শিশু কথিত অধিকারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হয়, সেজন্য তারা অর্থায়ন করে। এসবের পেছনে ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক সহ বিদেশী ইহুদীবাদী এনজিওগুলো জড়িত রয়েছে।
শিশু অপরাধে আইনী সুরক্ষা:
ইউনিসেফ মায়ের চেয়ে মাসির দরদ দেখাতে ব্যস্ত। শিশুদের অপরাধী বানাতে উৎসাহেও ইউনিসেফ জড়িত। কিশোর গ্যাং বা অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে ইউনিসেফ শিশুদের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয়তা বা নির্দিষ্ট কিছু আইনি সুরক্ষা দিতে বাধ্য করার চেষ্ঠা করে। শিশু আইন ২০১৩ পালনে বাধ্যবাধকতা তৈরী করে।
-মুহম্মদ জুলফিকার হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












