নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয।” সুবহানাল্লাহ!
৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জীবনী মুবারকসহ ছহীহ আক্বীদা ও ছহীহ দ্বীনী শিক্ষা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।
আর সমস্ত কুফরী আক্বীদা ও শরীয়তবিরোধী আমল ও ভুল তথ্যসহ কাফির-মুশরিকদের আলোচনা সিলেবাস থেকে অবশ্যই বাদ দেয়া।
, ১৭ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৬ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ০৫ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ২১ শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এদেশের ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। আর মুসলমানদের কাছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো নিয়মনীতি গ্রহণ করে তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না। এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” এ আয়াত শরীফ উনার আলোকে প্রতিভাত হয় যে, এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের শিক্ষানীতি সম্পূর্ণরূপে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে হতে হবে। তা না হলে কোনো মুসলমানই সেটা গ্রহণ করতে পারে না। করলে মুসলমান পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র দ্বীন- যেক্ষেত্রে দ্বীনী শিক্ষাকে ফরয বলা হয়েছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে শুধু দ্বীনী ইলম শিক্ষা করাকেই ফরয বলা হয়নি। পাশাপাশি এর সময়কালও উল্লেখ করা হয়েছে। “তোমরা দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত দ্বীনি ইলম অর্জন করো”- এ পবিত্র হাদীছ শরীফ পৃথিবীখ্যাত ও মশহুর। বহু হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সন্তানকে আদব অর্থাৎ দ্বীনী ইলম শিক্ষা দেয়া হলো উত্তম ছদকা।” সুবহানাল্লাহ! ইসলামী আদব বা শিক্ষারূপেই মুসলমানদের জন্মের পর তা’যীন-তাহনীক্ব অর্থাৎ কানে আযান-ইক্বামত ও মুখে মধু দিতে হয়। অর্থাৎ আযান-ইক্বামত দিয়ে দ্বীনী তা’লীম শুরু করা হয়। আর মধুপান করিয়ে পবিত্র সুন্নত মুবারক আমল শুরু করা হয়। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শিক্ষার সময়টা জন্মলগ্ন থেকেই। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষানীতিতে এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের ধর্মীয় বিশ্বাস, আবেগ ও গুরুত্ব আদৌ প্রতিফলিত হয়নি। অর্থাৎ এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়নি। বরং এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। কারণ বর্তমান শিক্ষানীতি বা সিলেবাসে ইসলামী শিক্ষার প্রাধান্য নেই। নেই ছহীহ আক্বীদা ও আমলের কোনো বিষয়। নেই মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিত হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মুবারক আলোচনা। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উনাদের বিষয়ে যতটুকু আছে তাতেও অনেক মারাত্মক ভুল তথা কুফরী পরিলক্ষিত হয়। আর ইসলামী ব্যক্তি উনাদের আলোচনা না থাকলেও কাফির-মুশরিকদের আলোচনা ঠিকই রয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! তাহলে এরূপ একটি সিলেবাসের মাধ্যমে মুসলমানরা কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে। মূলত, এ শিক্ষানীতি বা সিলেবাস হচ্ছে মুসলমানদেরকে কাফির-মুশরিক বানানোর নীলনকশা। যা স্পষ্টতঃ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী এছাড়া সংবিধানেরও খিলাফ। সঙ্গতকারণেই স্পষ্টত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী এ শিক্ষানীতি এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানরা মেনে নিতে পারে না। অতএব সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো বর্তমানে প্রচলিত কুফরী আক্বীদা সম্বলিত শিক্ষানীতি ও সিলেবাস বাদ দিয়ে অতিসত্বর সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্বলিত শিক্ষানীতি ও সিলেবাস চালু বা জারী করা।
-০¬-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ছদকাতুল ফিতরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে কেবল গম অথবা আটার মূল্যে। সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম। এ বছর ঢাকা শহরে ভালো আটা ৭০ টাকা কেজি হিসেবে ছদকাতুল ফিতর হলো প্রায় ১১৬ টাকা। এর কম দেয়া যাবে না। তবে ইচ্ছা করলে বেশি দিতে পারবে। দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা- এটা মূলত বাতিল ফিরক্বা লা-মাযহাবীদের মত।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ব্যক্তি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর থেকে মাহরুম হবে, সে সমস্ত ভালাই অর্থাৎ খায়ের বরকত থেকেই মাহরুম হবে। নাঊযুবিল্লাহ! প্রত্যেক বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার লক্ষ্যে ইবাদত-বন্দেগী ও খালিছ তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া-মুনাজাত করা। যা প্রত্যেকের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিন প্রত্যেক জামে মসজিদে ই’তিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। সুবহানাল্লাহ! এ বছর অর্থাৎ ১৪৪৭ হিজরী সনের ই’তিকাফের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার বিশ তারিখ অর্থাৎ আগামীকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সূর্য ডুবার পূর্বেই মসজিদে প্রবেশ করতে হবে এবং পবিত্র শাওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ উঠার সংবাদ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি সিবতু রসূল আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় বেমেছাল ফযীলতযুক্ত ঐতিহাসিক ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যে মহাসম্মানিত দিবসে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই সুমহান দিন হচ্ছেন- মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ পবিত্র বদর জিহাদ দিবস এবং পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। ইরান ও ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বব্যাপী মুসলিম দেশসমূহে পরগাছা ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী আমেরিকা কঠিন জুলুম করছে। বর্তমান সময়ে ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদু শা’বাবী আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূল আর রবি’, ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ মহান দিবসে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করা। আর যথাযথভাবে উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। এ ফতওয়ার উপরই ইজমা বা ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায একাকী আদায় করা এবং মাকরুহ ও বিদয়াতসহ যাবতীয় বদ আমল হতে বিরত থাকা।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র যাকাত ফরয হওয়ার পরও শরয়ী তারতীব অনুযায়ী যারা পবিত্র যাকাত আদায় করবে না- তাদের খাদ্য হালাল হবে না, ইবাদত কবুল হবে না, ধন-সম্পদ ধ্বংস হবে এবং পরকালে তারা অত্যন্ত কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র যাকাত মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার তৃতীয় বা মধ্যবর্তী ভিত্তি এবং ফরয ইবাদত। সুবহানাল্লাহ!
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ। মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ১২ই শরীফে” মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেন। সেহেতু প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি আরবী মাসের মহাসম্মানিত ১২ই শরীফকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হিসেবে উদযাপন করা। সুবহানাল্লাহ!
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান পবিত্রতম বরকতময় ১১ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! হযরত আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস কায়িনাতবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের উচিত- এ সম্মানিত দিবসে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












