৫ মাসে হেফাজতে মৃত্যু ১৭, সেনা আইনে বিচার নিয়ে সংশয়
, ০৪ শা’বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৭ তাসি’, ১৩৯২ শামসী সন , ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রি:, ২১ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) দেশের খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অন্তর্র্বতী সরকারের পাঁচ মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে ১৭ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে যৌথ বাহিনীর হেফাজতে মারা গেছেন ১০ জন। হেফাজতে যারা মারা গেছেন তারা ক্রসফায়ার, নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছেন।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে এ তথ্য নিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) নামক একটি সংগঠন। আসকের তথ্য বলছে, জানুয়ারি মাসে মারা গেছেন পাঁচ জন। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে তিনজনের বেশি মানুষের হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালে ১২ মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মোট ২১ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে আসক।
সম্প্রতি বিএনপি নেতা তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যু নিয়ে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থিত অন্তর্র্বতী সরকারের আমলে এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যা দুর্ভাগ্যজনক। বিচারবহির্ভূত এমন হত্যার ঘটনায় দেশবাসী হতবাক হয়েছে। এ হত্যাকা-ের ঘটনা জনমনে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সভাপতি সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না বলেন, এবার যুবদল নেতা বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের শিকার হয়েছেন বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর, আইএসপিআর বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু এই সরকারের আমলে আরো হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সেগুলো নিয়ে সরকার কোনো কথা বলেনি। আমরা এখন পর্যন্ত এইসব ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার বা আইনের আওতায় আনতে দেখিনি। আর গত ১৮ বছরে তো আরো অনেক হত্যা হয়েছে। সেগুলোও বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
তিনি বলেন, এই সরকার যদি হেফাজতে মৃত্যু বন্ধ এবং আইন শৃঙ্খলার উন্নতি না করতে পারে তাহলে তাদের প্রতি মানুষের আস্থা আরো কমবে। এখন পর্যন্ত যা দেখছি তা হতাশাজনক। আর এসব কথা বললেই বলা হয় স্বৈরাচারের দোসর।
কুমিল্লায় যুবদল নেতা নিহতের ঘটনায় সেনা আইনে ব্যবস্থা নেয়ার বিরোধিতা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি বলেন, ওই ঘটনায় যে শুধু সেনা সদস্যরাই জড়িত তা তারা নিশ্চিত হলেন কীভাবে? আইনেই বলা আছে যেকোনো বাহিনীই জড়িত থাকুক না কেন, হত্যা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের বিচার প্রচলিত আইনে সিভিল কোর্টে হতে হবে। তা না হলে ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে সন্দেহ আছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নতুন মুরগি বাজারে আসছে, গোশত হবে লাল, ডিম পাড়বে বেশি
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঘরের মাটি খুঁড়ে স্বামীর লাশ উদ্ধারের পর স্ত্রী গ্রেপ্তার
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্রকে বদলি
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
১টি নতুন থানা ও ৩টি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে -ফখরুল
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সংসদ চলে নিজস্ব কার্যপ্রণালী বিধিতে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যত্রতত্র উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয় করায় ফান্ড সংকটে ডিএনসিসি -প্রশাসক
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে সতর্ক করল সরকার
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আশ্রয়ণের ঘরে থাকছেন না ‘আশ্রিত’রা, বিক্রি করে দিয়েছেন অনেকে
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৪ বছরে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












