ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (২২৬)
, ০৬ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২২ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِي الأَرْضِ إِلاَّ عَلَى اللهِ رِزْقُهَا
যমীনে যত প্রাণী সকলের রিযিকের জিম্মাদার যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি। রিযিক অর্থ কি? এখন মানুষ মনে করে রিযিক অর্থ খাওয়া পরা। না, খাওয়া পরা না। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল যে রিযিক অর্থ কি? তিনি বললেন, রিযিকের অর্থ মানুষতো বুঝে না। রিযিকের অর্থ হচ্ছে একটা লোকের যা প্রয়োজন জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এমন কি কবর, হাশর-নশর, মীযান-পুলছিরাত, জান্নাত মুবারক পর্যন্ত তার রিযিকের অন্তুর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে মুসলমানদের কেন কাফিরদের ট্যাক দিতে হবে। তাদের পিছনে কেন যেতে হবে। মুসলমানরাতো নিজেরাই প্রতিষ্ঠিত। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতী ফায়সালা মুবারক করবেন। এখন এই কাফিরগুলি মরতেছে নানান জায়গায়। অমুক দেশে নানান সমস্যা, ব্যবসা বাণিজ্য। কোন প্রয়োজন নেই কাফিরের অমনি চলবে। কুদরতী ফায়সালা হবে। আক্বীদা বিশুদ্ধ রাখো, হয়ে যাবে। এটা বিশ্বাস করতে হবে। এখন এই বিশ্বাস না থাকার করণে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় তারা কাফিরদের কাছে যায় কাফিরেরা তাদের দিয়ে কুফরী করায়। নাউযুবিল্লাহ!
এই চীনা নাস্তিকটা, এই নাস্তিকটার দেশেতো অবশ্যই। এদের যত প্রতিষ্ঠান কোন প্রতিষ্ঠানে তারা নামায পড়তে দেয় না। নাউযুবিল্লাহ! আর এই অথর্ব মুসলমানগুলি, কাফিরের গোলামগুলি ঐখানে গিয়ে গোলামী করে। নাউযুবিল্লাহ! এরা মুসলমান হলো কি করে? এরা কাফিরের থেকেও নিকৃষ্ট দেখা যায়। নাউযুবিল্লাহ! এরা কাফিরের থেকেও নিকৃষ্ট। কাজেই বিষয়গুলো ফিকির করতে হবে, ফিকির না করলে বুঝা যাবে না। আমরা অনেকবার বলেছি, আমরা বলতেই থাকবো এই বিষযগুলি। এটা মুখস্থ করতে হবে। মুসলমান মুসলমান, মুসলমান কারো উপর ভরসা করে চলে না। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই তিনি মুসলমানদেরকে গায়েবী মদদে পরিচালনা করেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই বিষয়গুলি ফিকির করতে হবে, ফিকির না করলে বুঝা যাবে না। এখন যেটা বললাম হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র খুছূিছয়াত, পবিত্র বৈশিষ্ট্য, পবিত্র ফযীলত মুবারক এটা ফিকির করতে হবে। ফিকির করে উনাদের মহব্বত মুবারক হাছিল করতে হবে, এছাড়া কোন ব্যবস্থা নেই। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضَرَتْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ
হযরত যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فِينَا خَطِيبًا بِمَاءٍ يُدْعٰى: خُمًّا بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ
একটা জায়গা পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝামাঝি খুম নামক স্থানে তিনি খুতবা মুবারক দিলেন। সেটাই হযরত যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলতেছেন-
قَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فِينَا خَطِيبًا بِمَاءٍ يُدْعٰى: خُمًّا بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝামাঝি স্থান, উনার নাম মুবারক হচ্ছেন খুম। সেখানে খুতবা মুবারক দিলেন। কি খুতবা মুবারক দিলেন?
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا
অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং আপনার বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং মু’মিনদের আহলিয়াগণকে বলে দিন- উনারা যেন উনাদের চাদরের একটা অংশ চেহারা ও বুকের উপর টেনে দেন অর্থাৎ পর্দা করেন। এটা হচ্ছে- উনাদের সম্ভ্রান্ত হওয়ার পরিচয় এবং উনাদেরকে বিরক্ত না করার মাধ্যম। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি দয়ালু ও ক্ষমাশীল।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (১)
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র “মাক্বামে মাহমূদ” উনার বেমেছাল তাফসীর বিষয়ে খারেজী জাহমিয়া ফিরকার মুখোশ উম্মোচন (২)
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বেপর্দা হওয়া লা’নত ও হালাকীর কারণ
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষের জন্য দাড়ি রাখা ফরয
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












