ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১২৯)
, ১৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৬ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
৫ম হিজরী শরীফের শেষ অর্থাৎ ৬ষ্ঠ হিজরী শরীফের পবিত্র মুর্হরমুল হারাম শরীফে এই ইফক্বের ঘটনাটা ঘটে। মানুষ অর্থাৎ মুনাফিক্বরা এটা প্রচার করে। নাউযুবিল্লাহ! এক মাসেরও বেশি সময় এই কাফির মুশরিকরা চূ-চেরা, কীল-কাল করে, এরপরেই পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ১১ থেকে ২০, পরে ২১ থেকে ২৬, ১০ এবং ৬ মোট ১৬ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করে সমষ্টিগতভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আর ব্যক্তিগতভাবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাহাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর এরপরে যে বিষয়টা মাশহূর, এটার ছহীহ সিদ্ধান্ত, বিশুদ্ধ তারিখ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন, দুনিয়ার কোন কিতাবে আছে কি না, তা আমাদের জানা নেই। তবে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছে সেটা জানা রয়ে গেছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর সে বিষয়টাই হচ্ছে, বলা হয় ৮ম হিজরী শরীফে ২রা যিলহজ্জ শরীফ যিনি আবনাউ রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম। আবনাউ রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিনি আওলাদ, চতূর্থ যিনি, হযরত আন নূরুর রাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ৮ম হিজরী শরীফের ২রা যিলহজ্জ শরীফ সেই হিসাবে লাইলাতুল জুমুয়াহ। এর আগে হচ্ছে সম্মানিত খাইবার বিজয় হয়ে গেছে।
মুসলমান সব সময়ই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। দুনিয়াবী দৃষ্টিতে মানুষ মনে করতেছিল যে, মুসলমান উনারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। এরপর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মক্কা শরীফ যখন বিজয় হলো তখন বিষয়টা আরো জাহির হলো। যখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা করার কোন সুযোগ ছিল না তখন তিনি উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করলেন। এরপরেই বিষয়গুলি সংঘটিত হয়। এর মধ্যে অনেক এলোমেলো বক্তব্য রয়ে গেছে, চূ-চেরা, কীল-কাল রয়ে গেছে যা কুফরী শিরকীতে পরিপূর্ণ। নাউযূবিল্লাহ! এরপর হচ্ছে, আগে আমি একটা বর্ণনা করেছিলাম, এটা আরেকটি বর্ণনা। সেটা হচ্ছে পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ নাযিল হয় কবে? পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ নাযিল হয়েছে, যতটুকু জানা গেছে সে অনুযায়ি ৮ম হিজরী শরীফ উনার শেষে। যে ৫ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ বলেছিলাম, পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার মোট ১২ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ, দুই রুকু। প্রথম ৫ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ, যেটা মাগাবি ফুল সংক্রান্ত বিষয়, মধু নিয়ে। এই প্রথম ৫ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয় ৮ম হিজরী শরীফ উনার পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের শেষে। এটার অর্থ ইতিপূর্বে বলেছি, এর আগেও বলেছি। বলা হচ্ছে, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করলেন, যে বিষয়গুলি, মধুর বিষয়। এবং শেষে তিনি যেটা বললেন, ৫ম পবিত্র আয়াত শরীফ-
عَسٰى رَبُّهٗ إِنْ طَلَّقَكُنَّ أَنْ يُّبْدِلَهٗ أَزْوَاجًا خَيْرًا مِّنْكُنَّ مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ عَابِدَاتٍ سَائِحَاتٍ ثَيِّبَاتٍ وَّأَبْكَارًا
এটা ৫ম পবিত্র আয়াত শরীফ। ৫ম পবিত্র আয়াত শরীফ ইতিপূর্বে বলা হয়েছে, এর আগেও বলা হয়েছে। এখন এটা আলোচনার জন্য। এই পবিত্র ৫ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ, এর আগে মধু বিষয়ে বলা হয়েছে।
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না, যে ঘরে কুকুর ও প্রাণীর ছবি-মূর্তি থাকে। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইসলামী শরীয়তে মদ ও জুয়া হারাম
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আরব দেশ থেকে ইহুদী-নাছারা তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে বের করে দেয়ার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১ম পর্ব)
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকরা
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৬)
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইস্তেকামত থাকলে কাফিরদের ষড়যন্ত্র ক্ষতি করতে পারবে না
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












