দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১ম পর্ব)
, ১৬ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৫ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২২ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
ফাতিহাতুল কালাম (শুরুর কথা)
اَلْـحَمْدُ وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ لِشَيْخِنَا مَـمْدُوْحْ مُرْشِدْ قِـبْـلَةْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ سُلْطَانٍ نَّصِيْـرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَلِاَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى سَيّـِدِ الْاَنْۢبِيَاءِ وَالْـمُرْسَلِـيْـنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالْـحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِـيْـنَ. اَمَّا بَـعْدُ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغْوِيَـنَّـهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلَّا عِبَادَكَ مِنْـهُمُ الْمُخْلَصِيْنَ
“ইবলীস শয়তান (যখন মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক অমান্য করে চির লা’নতগ্রস্থ ও চির জাহান্নামী হয়ে গেলো, তখন সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে) বললো- আপনার ইজ্জত-সম্মান মুবারক উনার ক্বসম! অবশ্যই তাদের সবাইকে (সমস্ত বান্দাদেরকে) আমি বিভ্রান্ত করবো, গোমরাহ্ করে দিবো। তবে, যাঁরা আপনার মুখলাছ বান্দা উনাদেরকে ব্যতীত।” (পবিত্র সূরা ছোয়াদ শরীফ: ৮২-৮৩)
এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّـهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَـتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِيْنٌ
“হে মু’মিনগণ! তোমরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে প্রবেশ করো। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না; নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ২০৮)
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا
“নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। সুতরাং, তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করুন।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: ৬)
কাজেই, একজন মুসলমানের প্রধান শত্রু হচ্ছে ইবলীস শয়তান। তাকে সহজে দেখা যায় না। সে অদৃশ্য থেকেই লুকিয়ে লুকিয়ে মানুষকে ধোকা দেয়। আর তার মূল শাগরিদ ও গোলাম হচ্ছে- এক. ইহুদী, দুই. মুশরিক এবং তিন. অন্যান্য কাফির, নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীন, বেঈমান, নাস্তিক, মুনাফিক, ওলামায়ে সূ’ ও মুরতাদরা। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِلَّذِينَ آمَنُوا الْيَـهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا
“অবশ্যই আপনি পাবেন মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে ইহুদী এবং মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ: ৮২)
আর পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
“(তোমরা দোয়া করো। আয় মহান আল্লাহ পাক) আমাদেরকে তাদের পথ দিবেন না, যারা বিভ্রান্ত ও গযবপ্রাপ্ত।” (সূরা ফাতিহা শরীফ: ৭)
এখানে খাছভাবে মাগদ্বুব অর্থ ইহুদী এবং দোয়াল্লীন অর্থ নাছারা। আর আমভাবে সমস্ত কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, বেঈমান, নাস্তিক, মুনাফিক্ব, ওলামায়ে সূ’, মুরতাদ ও বাতিল ফিরক্বার অনুসারী সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। তারা সবাই হচ্ছে শয়তানের শাগরিদ ও গোলাম এবং মুসলমানদের চির শত্রু। তারা হিদায়েত গ্রহণ না করে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণ না করে শয়তানের অনুসরণ করে। তারা সবসময় চেয়ে থাকে কিভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে দুনিয়ার যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يُرِيْدُوْنَ لِيُطْفِئُوا نُـوْرَ اللهِ بِأَفْـوَاهِهِمْ
“কাফিরেরা ফুঁ দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে নিভিয়ে দিতে চায়, মিটিয়ে দিতে চায়।” নাঊযুবিল্লাহ! (সূরা ছফ শরীফ: ৮)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيْـرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَـرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْـفُسِهِمْ
“আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাছারারা, কাফির-মুশরিকরা চায় আপনারা ঈমান আনার পর কি করে আপনাদেরকে কাফির বানানো যায়। (এই চাওয়া) তাদের ব্যক্তিগত হিংসাবশত।” নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১০৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَنْ تَـرْضٰى عَنكَ الْيَـهُوْدُ وَلَا النَّصَارٰى حَتّٰى تَـتَّبِعَ مِلَّتَـهُمْ
“ইহুদী ও নাছারারা কখনোই তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তাদের ধর্ম অনুসরণ না করবে।” নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১২)
(সংকলিত)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বিদ্যুৎ চমকানোর বিস্ময়কর বর্ণনা
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (১)
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কাফিরদের কপটতা ও দ্বি-চারিতা নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার সতর্কবার্তা
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়তে মদ ও জুয়া হারাম
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আরব দেশ থেকে ইহুদী-নাছারা তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে বের করে দেয়ার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকরা
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












